মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে চলছে। ইরান ও ভেনিজুয়েলাসহ বিভিন্ন দেশে তাদের সামরিক হস্তক্ষেপের মূল কারণ যে কেবলই তেল, সেটি তারা এখন আর গোপনও করে না। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই বিস্ফোরক দাবি করেছেন।
‘পাবলিক টেলিভিশন অব রাশিয়া’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ল্যাভরভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, কেউ তাদের ওপর খবরদারি করতে পারবে না। তারা কেবল নিজেদের স্বার্থ ও মঙ্গলের কথাই ভাবে। এই সাক্ষাৎকারটি পরবর্তীতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।
মার্কিন আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, যেসব দেশের কাছে মার্কিনিদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, সেসব দেশের নেতাদের হত্যা, অপহরণ বা সে দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটাতেও তারা পিছপা হয় না।
ল্যাভরভ আরও বলেন, ভেনিজুয়েলা বা ইরান- আমাদের মার্কিন সহকর্মীরা এটা মোটেও গোপন করেন না যে তাদের মূল লক্ষ্য হলো তেল। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে আধিপত্য বিস্তারের একটি সুনির্দিষ্ট নীতি নিয়ে তারা এগোচ্ছে।
আন্তর্জাতিক আইনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই আধিপত্যবাদী আচরণের কারণে আন্তর্জাতিক আইনের আর কোনো অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই। এর বদলে এখন বিশ্বজুড়ে ‘জোর যার মুল্লুক তার’ ধারণাই সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

অনলাইন ডেস্ক