প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ । ৩:২৮ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৮ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে, বন্যার শঙ্কা

৪৮ ঘণ্টায় প্লাবিত হতে পারে ৭ জেলার নিম্নাঞ্চল
অনলাইন ডেস্ক

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর প্রভাবে হাওর বেসিনের তিন জেলার সাতটি নদীর আটটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টার তথ্যে এ তথ্য জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সংস্থাটি জানায়, নেত্রকোনার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগানে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোনা জেলার জারিয়াজঞ্জাইলে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর রয়েছে। এছাড়া জারিয়াজঞ্জাইলে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে।

নেত্রকোনা সদরে মগরা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং আটপাড়ায় একই নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের নদীগুলোর পানির সমতল ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে।

এদিকে ভারতের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, মেঘালয় ও আসামে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রকাশক ও সম্পাদক : আয়শা রহমান,    নির্বাহী সম্পাদক : অনজন রহমান,                                    নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা-১২০৩, ফোন : ০১৭১১৬৬২১৮৪, ০১৫১৫৬১২৫৫৯, কপিরাইট © থার্ড আই ভিশন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন