বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মৌলিক অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করে আসছেন। আপনার উল্লেখিত বিষয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের আত্মপরিচয় এবং তাদের পৈতৃক ভূমির অধিকার সুরক্ষার একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও যৌক্তিক দাবি।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় হাজং সংগঠনের সভাপতি পল্টন হাজং বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানানো হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হলে ভূমি, বাসস্থান, ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হবে।
বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাহাড় ও সমতলে ৫০টির বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শত শত বছর ধরে বসবাস করছে। এর মধ্যে শুধু কমলগঞ্জেই মণিপুরী, খাসিয়া, ত্রিপুরা, গারো, ওঁরাওসহ ২১টির বেশি সম্প্রদায়ের প্রায় ২ লাখ মানুষ রয়েছেন।
আদিবাসীদের জীবন, সংস্কৃতি ও জীবিকা সম্পূর্ণভাবে জল, জঙ্গল এবং ভূমির ওপর নির্ভরশীল।রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, পর্যটন শিল্পের বিস্তার এবং প্রভাবশালী মহলের আগ্রাসনের কারণে তারা প্রায়ই পৈতৃক ভূমি থেকে উচ্ছেদ হন।

অনলাইন ডেস্ক