দেশের মানুষ রাজনৈতিক বিতর্ক চায় না, দেশের মানুষ সেবা চায়— জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের ওপর ধন্যবাদ ও সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানান, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পপুলার সিদ্ধান্ত নয়। সব সময় পপুলার কথা বলা যায় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে অনেকগুলো বিল পাশ করেছি। যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে, তা নিয়ে বিরোধীদলের সঙ্গে বসবো। দেশের স্বার্থে যেসব বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে, সব মতবিরোধ আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে না চেয়ে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। বিরোধীদল ও সরকারি দল যেকোনো একটি পক্ষ ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। একাত্তরের মতোই এই সংসদ হাজারো শহিদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে আলাপ করে দেশকে এগিয়ে নেয়া হবে।’
বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার দেয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলকে ডেপুটি স্পিকার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তারা তাদের পলিসির কারণে নেননি। এই প্রস্তাব এখনো ওপেন আছে। বিরোধীদলীয় নেতা এবং নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়েছি।’
সারা দেশ এ সংসদে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য তাকিয়ে আছে বলে জানান সরকারপ্রধান।
তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বলছি, একসঙ্গে কাজ করবো। বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয়েছে। মানুষ শান্তি চায়, নিরাপদ রাস্তা চায়, কর্মসংস্থান চায়।
বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানো হবে। বাজেটের পাঁচ শতাংশ শিক্ষাখাতে রাখতে চাই। জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ রাখবো।’
তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল এবং আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং গন্তব্য এক। তা হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষ, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ এবং স্বনির্ভর, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ। আমরা এগ্রি করছি ডিসএগ্রির জন্য।’

অনলাইন ডেস্ক