শিরোনাম:

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে এসএসসি, চলবে ২০ মে পর্যন্ত

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে এসএসসি, চলবে ২০ মে পর্যন্ত

চলতি বছরের (২০২৬) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সূচি জানানো হয়।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লিখিত পরীক্ষা শেষে আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষা চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত। মাঝখানে ছুটি থাকায় এবার ব্যবহারিক পরীক্ষা কিছুটা দেরিতে আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল। সেই হিসাবে এ বছর পরীক্ষার সূচনা হচ্ছে ১১ দিন পরে। শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

একনজরে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময়সূচি
পরীক্ষা শুরু: ২১ এপ্রিল ২০২৬।
তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ: ২০ মে ২০২৬।
প্রথম পরীক্ষা: বাংলা ১ম পত্র।
পরীক্ষার সময়: প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে।
বোর্ডসমূহ: সকল সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড।
এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচী ২০২৬ (SSC Final Schedule)
প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী প্রধান বিষয়গুলোর পরীক্ষার তারিখ নিচে দেওয়া হলো:

২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার): বাংলা ১ম পত্র (Bangla 1st Paper)
২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার): বাংলা ২য় পত্র (Bangla 2nd Paper)
২৬ এপ্রিল (রবিবার): ইংরেজি ১ম পত্র (English 1st Paper)
২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার): ইংরেজি ২য় পত্র (English 2nd Paper)
৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার): তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)
০৩ মে (রবিবার): গণিত (Mathematics)
০৫ মে (মঙ্গলবার): বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (BGS)
১০ মে (রবিবার): পদার্থবিজ্ঞান/ইতিহাস/ফিন্যান্স (Physics/History/Finance)
১৭ মে (রবিবার): উচ্চতর গণিত/বিজ্ঞান (Higher Math/Science)
২০ মে (বুধবার): জীববিজ্ঞান/অর্থনীতি (Biology/Economics)

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস (Revised Short Syllabus) অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। তবে অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো প্রকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস (Electronic Devices) বা স্মার্টফোন আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রতিটি পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (SSC) পরীক্ষার তত্ত্বীয় পরীক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষার (Practical Exams) তারিখও ঘোষণা করেছে শিক্ষা বোর্ড। অফিসিয়াল রুটিন অনুযায়ী, তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২০ মে শেষ হওয়ার পর আগামী ০৭ জুন ২০২৬ থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো নিম্নোক্ত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে:

শুরু: ০৭ জুন ২০২৬ (রবিবার)
শেষ: ১৪ জুন ২০২৬ (রবিবার)

শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ (Dhaka Education Board) সকল শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা এই লিংক থেকে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন এবং বিশেষ নির্দেশনাবলী সম্বলিত পিডিএফ (PDF) ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল (Dakhil) এবং কারিগরি বোর্ডের ভকেশনাল পরীক্ষাও একই সময়সূচী অনুযায়ী চলবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কেফায়া: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে এসএসসি, চলবে ২০ মে পর্যন্ত

গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা, রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কেফায়া বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভাগীয় ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এর আগে বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। এদিকে, সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি এনজিওগুলোকেও গণভোটের প্রচারণায় কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে যেকোনো গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা নির্বাচন চায় না, তারা নির্বাচনকে পণ্ড করে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।’ তবে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সেসব অপশক্তিকে রুখে দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো গুজব থাকলে, সেগুলো সঙ্গে সমাধানের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন তিনি।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে এসএসসি, চলবে ২০ মে পর্যন্ত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগের মতো চাপ আর নেই। টানা কয়েকটি সেশনে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুবাইসহ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করে।

দুবাই জুয়েলারি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গ্রামপ্রতি নির্ধারিত হয়েছে ৫৫৩ দিরহাম, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২ দিরহাম কম। একই সময়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে গ্রামপ্রতি ৫১২.২৫ দিরহামে।

অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট বিক্রি হয়েছে ৪৯১ দিরহাম, ১৮ ক্যারেট ৪২১ দিরহাম এবং ১৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল গ্রামপ্রতি ৩২৮.২৫ দিরহাম। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম দাঁড়ায় ৪,৫৯০ ডলারে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সময় সকাল ৯টায় প্রায় ০.৮ শতাংশ কম। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক দরপতন হলেও স্বর্ণের সামগ্রিক চাহিদা এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এর আগের দিন বুধবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

সেঞ্চুরি ফাইন্যান্সিয়ালের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা বিজয় ভালেচা বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে কম মার্কিন মূল্যস্ফীতি তথ্যের ফলে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ দুই দফা সুদহার কমাতে পারে-এমন প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ এবং চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের খবরে ডলার চাপে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে সহিংস বিক্ষোভ, ভেনেজুয়েলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাপ, তেহরান ঘিরে শুল্ক হুমকি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ—সব মিলিয়ে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনো বেশি, যা স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে এসএসসি, চলবে ২০ মে পর্যন্ত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। তারা কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ৩টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, আমরা এ দেশের ইসলামপন্থি জনতার আবেগের সঙ্গে কিছুতেই প্রতারণা করতে পারি না। আমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে কাজ করে আসছি। আমরা এ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না। এজন্য আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, গতকালকে ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে যেখানে আমরাও ছিলাম, সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে আসন বণ্টন হয়েছে। সেখানে আমাদের দীর্ঘদিনের পথ চলা, ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশে আমরা ইসলামপন্থি শক্তি একসঙ্গে করার জন্য যে চেষ্টা-সাধনা করেছিলাম। আমরা দেখেছি শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের যে লক্ষ্য ছিল, সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই শঙ্কা থেকে আমরা চিন্তা করলাম, আমাদের ইসলামের পক্ষের একটি বাক্সকে আমাদের হেফাজত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি সামনে আমাদের পথচলা হয়ত মসৃণ নাও হতে পারে। কারণ আমরা ক্ষমতার রাজনীতি সেভাবে করি না। আমাদের মূল লক্ষ্য ইসলাম। ইসলামকে আমরা আগে রাখি। আমরা নীতি-আদর্শের রাজনীতি করি। সেখানে আমরা দেখছি, নীতি-আদর্শের প্রশ্নে, রাজনৈতিক প্রশ্নে, ইনসাফের প্রশ্নে আমরা বৈরিতার শিকার হয়েছি। সেজন্য আমরা আজ আপনাদের সামনে ঘোষণা দিতে বাধ্য হচ্ছি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। এর মধ্যে আপিলে দুইজন বাতিল হয়েছে। বাকি ২৬৮ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী এখন পর্যন্ত মাঠে কাজ করছেন। আমরা তাদের নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি, তারা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একজনও তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না।

এর আগে, ইসলামী আন্দোলনের ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা না থাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিনভর নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে এদিন দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের জরুরি বৈঠক হয়। এতে যোগ দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৈঠক শেষে জামায়াতের নেতারা জানিয়েছিলেন, রাতের সংবাদ সম্মেলনে দলটির প্রতিনিধি থাকতে পারেন। কিন্তু, তারা না আসায় সে গুঞ্জন আরও শক্তিশালী হয়। তাই সবার চোখ ছিল দলটির আজকের সংবাদ সম্মেলনের দিকে।

তবে, সমঝোতা বিষয়ে এখনো সমাধানের পথ দেখছেন জামায়াতসহ অন্যান্য দলের নেতারা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এখনো আশাবাদী। প্রয়োজনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

×