শিরোনাম:

উপমা’র ‘শেষ ভালোবাসা’

উপমা’র ‘শেষ ভালোবাসা’

সম্প্রতি নির্মিত হল এক খন্ডের নাটক ‘শেষ ভালোবাসা’। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারজানা মেহমুদ উপমা।

মেজবাহ শিকদারের পরিচালনায় নির্মিত ‘শেষ ভালোবাসা’ নাটকটি ঢাকা শহরের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করা হয়। নাটকের গল্পে উপমা একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করে।

বাবা-মা তাকে সময় না দেওয়ার কারণে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে এক সময় নেশার জগতে প্রবেশ করে উপমা এবং নেশার কারণে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে দূরত্ব তৈরি হয়। অপরদিকে পড়ালেখায় অনিয়ম এবং পরিবারের সাথেও তার সঙ্গে দূরত্ব দিনে দিনে বেড়েই চলে। ফলশ্রুতিতে তাদের সঙ্গে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। একটা পর্যায়ে বাসা ছেড়ে বন্ধুর বাসায় গিয়ে ওঠে। কিন্তু নেশার টাকা যোগানোর জন্য বন্ধুরা তাকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করে।

নাটক : শেষ ভালোবাসা’য় উপমা

নেশায় এতোটাই মগ্ন ছিল নেশার টাকা যোগাতে উপমা সব ধরনের অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। বয়ফ্রেন্ডের সাথেও ব্রেকআপ হয়ে যায় তার। এভাবেই নেশার রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া উপমার জীবন অন্ধকারে হারিয়ে যায়। তারপর চূড়ান্ত পরিনতির দিকে এগিয়ে যায় গল্প।উপমার বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেতা এরফান অনিক।

 

গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা উপমা বলেন, নাটকের গল্প আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে। একটি নেশাগ্রস্ত মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করাটা অনেক চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে। তবে খুবই ভালো লেগেছে।

উপমা আরও বলে, নেশা কিভাবে মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে- পরিবারকে ধ্বংস করে দেয় তা এই নাটকের গল্পে তুলে ধরা হয়েছে। নেশা যে কতোটা বিধ্বংসী তার পরিস্কার মেসেজ রয়েছে ‘শেষ ভালোবাসা ‘ নাটকে।আশা করি নাটকটি সবার ভালো লাগবে।

উপমা বলে, এই নাটকটি আমার করা সেরা নাটকের তালিকায় থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রসঙ্গত, এ যাবৎ অর্ধশতাধিক নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন উপমা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : আমি তোমাকেই ভালবাসি, মেট্রোপলিটন বিভ্রম, অ্যাডালথুড, নিয়তির খেলা, সুপার গার্ল ওয়েব সিরিজসহ অসংখ্য নাটক।

আগামীকাল সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

উপমা’র ‘শেষ ভালোবাসা’

হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হঠাৎ হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বিগত দুই সরকারকে দায়ী করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ক্ষমাহীন অপরাধ।

ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়—সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার সারা দেশে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়ায় আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী

উপমা’র ‘শেষ ভালোবাসা’

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতোমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ইকবাল হাসান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৭ হাজার ৬৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী

উপমা’র ‘শেষ ভালোবাসা’

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৭ হাজার ৬৩৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। রোববার আশকোনা হজ অফিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া মোট ১৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আটটি ফ্লাইটে ৩ হাজার ৩০৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইটে ২ হাজার ৭১৬ জন এবং ফ্লাইনাসের চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ৬০৯ জন হজযাত্রী নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে মোট ৬৬০টি এজেন্সি, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং বাকি ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে।

সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০০টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৭৫টি এবং ফ্লাইনাসের ৩০টি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। আগামী ২১ মে সৌদি আরব যাওয়ার সর্বশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

×