শিরোনাম:

নিত্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের

নিত্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের

স্বাভাবিকভাবে শীতের মৌসুমে বাজারে সবজির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তবে এবার শীতেও যেন সবজির বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম এখন বাড়তি যাচ্ছে। মূলা আর পেঁপে ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে রয়েছে। এমনকি কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।

তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বেড়েছে পেয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন মজুদকৃত পেয়াজ শেষের দিকে থাকায় দাম এমন উর্ধ্বমুখী। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন বাড়তি দামে নাখোশ ক্রেতারা, প্রকাশ করছেন ক্ষোভ।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১৩৮ থেকে ১৪৫ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায় ১৫০ টাকা কেজিতে। শুক্রবার ঢাকার রায়ের বাজার সাদেক খান কৃষি বাজারের পেঁয়াজের আড়ত এবং ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি শিম কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ টাকা, দেশি গাজর ৬০ টাকা ও ইন্ডিয়ান ১২০ টাকা, মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধাকপি বড় সাইজের ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস ও লাউ ৩০ থেকে ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সবজি ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা ও ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে করলা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটিতে ৫ টাকা কমে ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা, ডাটা শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে নতুন আলু কেজিতে ২০ টাকা কমে ৬০ টাকা, পুরান আলু কেজিতে ১০ টাকা কমে ২০ থেকে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ কেজিত ১৫০ টাকা ও পেঁয়াজ কলি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে দেশি আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা ও ইন্ডিয়ান ১৭০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা ও খেসারির ডাল ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮৫ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আলতাফ হোসেন সবজির দাম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘শীত মৌসুম আসলে সব ধরনের সবজির দাম কমে যায়। কিন্তু এবার দেখছি উল্টোটা, শীত এসেছে ঠিকই কিন্তু সব সবজির দাম বেড়ে গেছে। এমন বাড়তি দাম আগে কখনো দেখিনি। তবুও বাধ্য হয়ে বাসায় খাবার জন্য সবজি কিনতে হচ্ছে, তবে আগে যেখানে এক কেজি কিনতাম, এখন সেটা আধা কেজি করে কিনতে হচ্ছে।’

সবজি দাম বাড়তি হওয়ার কারণ হিসেবে মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, ‘পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ তুলনামূলক কম। সে কারণে আমাদের কেনা দাম বেশি পড়ছে, ফলে বিক্রিও বেশি দামে করতে হচ্ছে।’

বাজারগুলোতে সোনালি কক মুরগি ২৭০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৬০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ২১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মাছ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১০০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের ১৬০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা ও ১ কেজি ওজনের ২৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, রুই দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সুস্থ্য হয়ে উঠছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিতে হচ্ছে না কেমোথেরাপি

নিত্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের

দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চললেও আগের থেকে তিনি অনেক ভালো আছেন।

লিটন এরশাদ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ইলিয়াস কাঞ্চনের শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে থার্ডআই অনলাইনকে আজ ২৫ অক্টোবর দুপুরে এই সুসংবাদ জানান।

লিটন এরশাদ বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’  প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে এখন আর কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে না। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহর ইচ্ছায় কাঞ্চন ভাই আগের চেয়ে অনেক অনেক ভালো আছেন।

প্রায় ১০ মাসের চিকিৎসা নিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দিন সাতেক দেশে ছিলেন। ফিরে যাওয়ার পর তার কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা আর লাগছে না।

লিটন এরশাদ আরও বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের ইমিনিউ থেরাপি দেয়ার কথা ছিল। এখন শুধু ঔষধের উপরই চলছে। কথাবার্তায় জড়তা অনেকটা কেটে যাচ্ছে। হাঁটাচলায় তিনি আগের চেয়ে অনেক স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক কালজয়ী অভিনেতা এবং সমাজসেবক। রূপালী পর্দার জনপ্রিয় এই নায়ক দীর্ঘ তিন দশক ধরে ঢালিউড মাতিয়েছেন এবং পরবর্তীতে নিজের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে রূপ দিয়েছেন দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ গড়ে তোলেন্।

থার্ডআই নিউজ পরিবার এই বরেণ্য শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর

নিত্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের

ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলার কারণে টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর, আজ রোববার ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিতে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অন্তত ১৮ জন নিহত হওয়ার পর এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর আজ থেকে নতুন টার্মিনাল বিন্যাসে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।

এক পোস্টে কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫ অক্টোবর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়। এসব হামলায় বিমানবন্দরটিতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ফ্লাইট চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও যাত্রাসংক্রান্ত নির্দেশনা জানতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দরটি আজ পুনরায় চালু করা হলেও নিরাপত্তা শঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিমানবন্দর খোলার এই দিনটিতেও (রোববার) রিয়াদ লক্ষ্য করে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রিয়াদ বিমানবন্দরকে এখনও তাদের জন্য “সামরিক লক্ষ্যবস্তু” ও “অনিরাপদ” হিসেবে উল্লেখ করে সব আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাকে এটি ব্যবহার না করার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের আবাসিক ক্যাম্প

নিত্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের

আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আজ (২৫ অক্টোবরথেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আবাসিক ক্যাম্পের জন্য জড়ো হন ফুটবলাররা।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি ও বর্তমান প্রধান কোচ থমাস ডুলির অধীনে ডাক পাওয়া প্রাথমিক দলের খেলোয়াড়রা ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে এই ক্যাম্পের জন্য রিপোর্ট করেছেন।

প্রথম দিনেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সব খেলোয়াড় এবং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ডিফেন্ডার তপু বর্মন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ফরোয়ার্ড ফয়সাল আহমেদ ফাহিমও টিম হোটেলে রিপোর্ট করেছেন।

থমাস ডুলির ডাকা এই ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দলে ২১ জন দেশের অভ্যন্তরীণ লিগের এবং ৭ জন প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন।

ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিনেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে দলে শৃঙ্খলার ব্যাপারে কড়া বার্তা এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে আসেননি শুকি ইতোফোসা। ফর্টিস এফসির দলের সঙ্গে গতকাল রাতেই ঢাকা এলেও এখন পর্যন্ত দলের সঙ্গে যোগ দেননি জাপান বংশোদ্ভুত এই ফুটবলার। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল নাগাদ ক্যাম্পে রিপোর্ট করবেন তারা।

×