শিরোনাম:

সাড়া জাগলো হৈমন্তী -পাবেল’র গান ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’

সাড়া জাগলো হৈমন্তী -পাবেল’র গান ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’

 

সম্প্রতি প্রকাশিত হলো হালের জনপ্রিয় ও হার্টথ্রব কণ্ঠশিল্পী হৈমন্তী রক্ষিত দাস ও জাহেদ পারভেজ পাবেল এর গাওয়া একটি দ্বৈত সংগীত ‘ কাড়িয়া নিলা ঘুম’ শিরোনামে। রিলিজের পরপরই গানটি শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।

ফোক রোমান্টিক ধাঁচের গানটিতে আলাদা একটা ফ্লেভার রয়েছে। গতানুগতিক ফোক গানের মতো নয়। পুরোপুরি রোমান্টিক নির্ভর এই গানটি যে কারণে খুব সহজেই দর্শকদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। মনসুর সানির কথা, সাজ্জাদের সুরে গানটির কম্পোজিশন করেছেন সংগীতের তরুন তুর্কি প্রত্যয় খান। গানের কথা, সুর, কম্পোজিশন সবকিছুই এককথায় চমৎকার। হৈমন্তী এবং পাবেল গেয়েছেন হৃদয় উজার করে। ফলশ্রুতিতে শ্রোতা-দর্শকদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা পাচ্ছেন তারা। ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’ প্রকাশিত হয়েছে আইকে মিউজিক স্টেশন এর ইউটিউব চ্যানেলে। গানচিত্রটির নির্মাণও প্রশংসার দাবী রাখে। এটি নির্মাণ করছেন এম.এইচ মুন্না।

 

প্রসঙ্গত, হালফিলে দেশীয় সংগীতে অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা হৈমন্তী রক্ষিত দাস। তার অসাধারণ কন্ঠ ও সৌন্দর্য মিলে তিনি খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তার সিঁড়ি বেয়ে চলেছেন। অডিও, প্লেব্যাক কিংবা মঞ্চ সবখানেই তার সরব পদচারণা। বলা চলে আগামীতে সংগীতাঙ্গনে যারা নেতৃত্ব দিবেন তাদের মধ্যে হৈমন্তী অন্যতম। তার কন্ঠে অন্যরকম এক মাদকতা রয়েছে। যা অন্যান্য শিল্পীদের কাছ থেকে তাকে আলাদা করা যায়। অপরদিকে জাহেদ পারভেজ পাবেলও জনপ্রিয়তার সিঁড়িতে পা রেখেছেন। তার গাওয়া বেশক’টি গান শ্রোতানন্দিত হয়েছে। সে হিসবে ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’ এ দু’জনের কেমিস্ট্রিটাও ভালো হয়েছে।

গানটি প্রসঙ্গে হৈমন্তী বলেন, খুব দরদ দিয়ে আমরা গানটি করেছি। গানের কথা, সুর এবং কম্পোজিশন সব কিছুই খুব যতœ করে করা হয়েছে। শ্রোতা-দর্শকদের কাছ থেকে আমরা ইতিমধ্যে আশাতীত রেসপন্স পেয়েছি। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, গানটি শুনলে যে কারোরই ভালো লাগবে। ফোক ধাঁচের হলেও পিওর রোমান্টিক একটি গান। যে কারণে হৃদয় ছুঁয়ে যাবে খুব সহজে। হৈমন্তী আরো জানান, আগামীতে আমার সলো এবং ডুয়েট আরো কিছু গান আসছে। আশা করি খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ পাবে।

ফেসবুকে মোদির ভিডিও ব্লক, ক্ষমা চেয়ে যা বললো মেটা

সাড়া জাগলো হৈমন্তী -পাবেল’র গান ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’

মোদির সেলফি ভিডিও ছবি : সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক ভিডিও সাময়িকভাবে ব্লক বা রিমুভ করার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে, এটি কোনো ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ ছিল না, বরং একটি “কারিগরি ত্রুটি” বা “টেকনিক্যাল ইস্যু”র কারণে ভিডিওটি ভুলবশত সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও ব্লকের বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা। মেটা বিষয়টিকে একটি ‘কারিগরি ত্রুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

গত ২৩ জুলাই নরেন্দ্র মোদি ব্লক হওয়া সেলফি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন। ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’ নামে একটি সংগঠনের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় বক্তব্য রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, ঘটনার স্পষ্টিকরণ চাইতে মেটা ও ইনস্টাগ্রামের বৈশ্বিক প্রধানদের তলব করেছে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে ভারত সরকার।

পরে, এক বিবৃতিতে মেটার একজন মুখপাত্র জানান- কন্টেন্টটি ভুলবশত সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে ভিডিওটির অ্যাকসেস সাময়িকভাবে সীমাবদ্ধ করার আগে পর্যন্ত এটি কয়েক মিলিয়ন বার দেখা হয়েছিল।

ভিডিওটি ইতিমধ্যেই পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং এটি এখন আগের মতোই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দেখা যাচ্ছে।

মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু

সাড়া জাগলো হৈমন্তী -পাবেল’র গান ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’

মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু । ছবি ; সংগৃহীত

মিরপুর-২ নম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের লাভ রোড-মন্দির রোড এলাকা টিসিবির পণ্য সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর দেয়াল ধসে পড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি দেয়াল হঠাৎ ধসে পড়লে টিসিবির পণ্য নিতে অপেক্ষমাণ কয়েকজন এর নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, দুপুর ১টা ২৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ দেওয়ালটি ধসে পড়ে। তখন সেখানে টিসিবির পণ্য নিতে লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজন দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে আহত হন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে এক নারীর মৃত্যু হয়। এছাড়া ৬-৭ জন এ ঘটনায় আহত হয়েছেন। নিহত নারী নাছিমা বেগম মিরপুর-২ এলাকার জনতা হাউজিংয়ের বাসিন্দা। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে প্রায় ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পদ্মায় নৌকাডুবিতে বাবা ও ছেলে নিখোঁজ

সাড়া জাগলো হৈমন্তী -পাবেল’র গান ‘কাড়িয়া নিলা ঘুম’

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ঘাসবোঝাই একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নৌকায় থাকা বাবা ও ছেলে নিখোঁজ হয়েছেন। বাকিদের স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। সাঁতার কেটে তীরে উঠে আসেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে রাজশাহী নগরীর বড়কুঠি এলাকার পদ্মায় এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ বাবা ও ছেলেকে উদ্ধারে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছে।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীতে জেগে উঠা চরে খড় কাটতে গিয়েছিলেন তারা। সেখানে কাজ শেষে একটি নৌকায় খড় বোঝাই করে তারা ফিরছিলেন। সেই নৌকায় একজন নারী ও সাতজন পুরুষ ছিলেন। পথে নৌকাটি মাঝ নদীতে এসে হঠাৎ স্রোতে মাঝে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় সাঁতার দিয়ে ছয়জন কিনারায় ওঠেন। তবে কাউসার ও তার ছেলে জিয়ারুল পানিতে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পবা উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার কাউসার আলী (৬০) ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৪০)। এই ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগমকে (৫৫) উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের উপপরিচালক মনজিল হক বলেন, ‘নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের ছয়জন ডুবুরি আছেন। দুজন দুজন করে তারা পানির নিচে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি নৌকা নিয়েও নদীতে চোখ রাখা হচ্ছে। দুজনকে উদ্ধার করতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের অভিযান চলবে।

নৌকাটি ডুবতে দেখে পদ্মা গার্ডেন এলাকায় নদীর তীরে অপেক্ষমান অন্যান্য নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় পানিতে হাবুডুবু খেতে থাকা আট যাত্রীর মধ্যে ছয়জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল।

×