শিরোনাম:

ফিপ্রেসক বাংলাদেশ সমালোচক পুরস্কার পেলেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

ফিপ্রেসক বাংলাদেশ সমালোচক পুরস্কার পেলেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

সফলভাবে সম্পন্ন হলো মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত মাসব্যাপী চলচ্চিত্র নির্মান কর্মশালা সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র বোদ্ধা বিধান রিবেরু, চলচ্চিত্র সমালোচক সাদিয়া খালিদ রীতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী এবং ফরিদ আহমেদ।

​গত ১৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এই কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ২৪ জন তরুণ নির্মাতা অংশগ্রহণ করেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও এর খুঁটিনাটি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতারা। ​সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হয় এবং অংশগ্রহণকারী নির্মাতাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয় ফিপ্রেসকি বাংলাদেশ সমালোচক সনদ ।

অতিথিদের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

তরুণ এই নির্মাতাদের মধ্যে ফিপ্রেসকি বাংলাদেশ সমালোচক সনদ পুরস্কার  প্রাপ্ত  হন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ। তরুণ এ নির্মাতা একজন থিয়েটারকর্মী। ক্যামেরার সামনের লোক ক্যামেরার পিছনে কেন জানতে চাইলে বলেন, একজন থিয়েটারকর্মী বহৃগুণে গুনান্নিত হয়ে গড়ে ওঠে। তার স্বপ্ন অনেক বড়। আমি প্রথম ধাপেই পুরস্কৃত হলাম। দোয়া করবেন যেনো আমার স্বপ্নে সফল হতে পারি। উল্লেখ্য তামিম আহমেদ শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের দৈনিক আমাদের বার্তার সম্পাদক বুলবুল আহমেদ এর সন্তান।

তামিম আহমেদ ছাড়াও ফিপ্রেসকি বাংলাদেশ সমালোচক  বিশেষ এই সনদ প্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতারা হলেন মাহদি হাসান রাহি এবং তাহুয়া লাভিব।

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধন

আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী

ফিপ্রেসক বাংলাদেশ সমালোচক পুরস্কার পেলেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা দেশের তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায় তাহলে করা সম্ভব। আমাদের তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে। আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি।’

আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘একটা দেশের তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায় তাহলে করা সম্ভব। ‘তাই তাদের কাছে আমার আহ্বান, আসুন এবার রাষ্ট্রকে, দেশকে আমরা পুনর্গঠন করি। আগামী তিন মাসে আমাদের ডেঙ্গুর সমস্যা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করি। হয়তো আমরা শতভাগ পারব না, কিন্তু অন্তত ৮০ শতাংশ আমরা পারব।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশের স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি’র সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার। এ ছাড়া প্রাথমিক স্কুল, মাদ্রাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসায় রয়েছে আড়াই কোটি শিক্ষার্থী।’

তিনি বলেন, ‘এ ছাড়া আজ অনলাইনে প্রায় সবগুলো জেলা এখানে কানেক্টেড আছে। গার্লস গাইড, বিএনসিসি স্কাউটস, ভলান্টিয়ারসহ আপনাদের সবার কাছে আমি একটি সাহায্য চাই। সেটি হলো, এই দেশটাকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। আমরা সবাই আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি। আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছি। সেটি হলো দেশ গড়ার লক্ষ্য।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা জানি, কীভাবে ডেঙ্গু হয়। ভাঙারি, কাগজপত্র বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকে, প্লাস্টিক ও মাটির বিভিন্ন জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে পানি জমে এই ডেঙ্গু বহনকারী এডিস মশার তৈরি হয়। কাজেই আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘এই মাঠে আমরা যত মানুষ আজকে উপস্থিত আছি, প্রত্যেকে পানি খাই এবং প্রত্যেকে যদি একটা করে কিছু মাঠে ফেলে দিই এখনে হয়তো কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু এই ময়লাগুলা আস্তে আস্তে জমা হয়ে আবর্জন হবে। সেখান থেকে রোগ জীবাণু তৈরি হবে। আপনি বা আপনার প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে যাবে।

‘তাই আসুন আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি। নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি। নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি। নিজের দেশকে আমরা সুস্থ রাখার চেষ্টা করি। এই কাজটা কিন্তু খুব কঠিন না।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা যদি আমরা নিজের বাসা, স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য কাজ করি তাহলে অবশ্যই দ্রুত এই পরিবর্তন আনতে আমরা সক্ষম হব।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তাঘাট দিয়ে যখন যাই, দেখি বহু মানুষ অসচেতনভাবে যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলছে। তাদের সচেতন করতে হবে। যারা ময়লা করবে, যারা আবর্জনা তৈরি করবে, আমাদের তাদের নিরুৎসাহিত করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘তাই কথা একটাই। কাজ, কাজ, আর কাজ। এবং পরিচ্ছন্ন, পরিচ্ছন্ন আর পরিচ্ছন্নতাই হতে হবে আমাদের আগামী দিনের মূল লক্ষ্য।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটি’র আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

এছাড়াও আরও বক্তব্যদেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

ইরানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করল ইরাক

ফিপ্রেসক বাংলাদেশ সমালোচক পুরস্কার পেলেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

ইরানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করল ইরাক। ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ঘটনার পর সতর্কতামূলক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরাক। ইরাক ও ইরানের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ শালামচেহ এবং চাজ্জাবেহ সীমান্ত ক্রসিংগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ইরাক-ইরান দুটি সরকারের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইরাক সরকার ইরান সীমান্তের শলামচেহ পারাপার কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।

এর আগে শুক্রবার সৌদি আরব অভিযোগ করে, ইরাক থেকে উৎক্ষেপিত ড্রোন দিয়ে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে’ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর নিরাপত্তার কারণে পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্র থেকে পশ্চিমাঞ্চলের বন্দর পর্যন্ত তেল পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই পাইপলাইন। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে উপসাগরীয় তেল সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

ভারতের বাধার কারণে ব্রিকসের দুয়ারে আটকে পাকিস্তান

ফিপ্রেসক বাংলাদেশ সমালোচক পুরস্কার পেলেন তরুণ নির্মাতা তামিম আহমেদ

পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৩ সালে ব্রিকসের সদস্য হতে আবেদন করে, মূলত তীব্র অর্থনৈতিক সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে। ব্রিকস (BRICS) জোটে যোগদানের জন্য পাকিস্তানের চেষ্টা ভারতের বিরোধিতার কারণে মূলত ঝুলে রয়েছে।

পাকিস্তান ব্রিকসের সদস্যপদের জন্য ৩ বছর আগেআবেদন করেছে, জোটের দুই প্রভাবশালী সদস্য চীন ও রাশিয়া ইসলামাবাদকে সবুজ সংকেতও দিয়েছে কিন্তু শুধমাত্র ভারতের আপত্তির কারণে এ জোটের সদস্য হতে পারছে না পাকিস্তান।

গত তিন বছরে মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এই চারটি দেশ প্রাথমিক সদস্য থেকে স্থায়ী সদস্যে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান এখনও প্রাথমিক সদস্যপদই পায়নি।

তীব্র অর্থনৈতিক চাপে থাকা পাকিস্তান মূলত ব্রিকস জোটের সদস্যপদ চাইছে নিজেদের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে। পাকিস্তানের জাতীয় অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, বর্তমানে দেশিটির বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৭০ ভাগ।

এছাড়া দিনে দিনে ব্রিকসের দক্ষিণ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী অর্থনৈতিক জোট হয়ে উঠতে থাকাও পাকিস্তানের সদস্যপদের আবেদনের অন্যতম কারণ।

২০২৩ সালের নভেম্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান বৈশ্বিক দক্ষিণের এ প্রধান জোটে যোগ দিতে চায়। তিনি বলেছিলেন, ব্রিকসের ‘বেশিরভাগ’ সদস্যের সঙ্গে পাকিস্তানের উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার আবেদন করেছে জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ব্রিকসে যোগ দিয়ে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বহুপক্ষীয়তাকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

×