শিরোনাম:

এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা : মাহদী আমিন

এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা : মাহদী আমিন

প্রস্তাবিত বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার ( ১১ জুন ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন নিজের ফেসবুক ওয়ালে এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, বিনিয়ন্ত্রণকরণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু কল্যাণ, যোগাযোগ অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন-এই ১২টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহন করেছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের ভিত্তিতে জনবান্ধব, জনকল্যানমূখী ও ভিশনারি বাজেটের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনগণের সরকার বহু বছর পর আজ একটি বাজেট প্রণয়ন করেছে। এই বাজেটে দেশের প্রায় সব শ্রেণি-পেশার, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে; এটাই আমাদের বিশ্বাস।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাজেটে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, চিনি, লবণ, তেল, মসলা-সহ প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা। অতীতে বাজেট ঘোষণার সঙ্গে-সঙ্গে অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেত। এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই সমস্যা সমাধান হবে বলে সরকার আশাবাদী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের আলোকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার প্রতিটি স্তরে আরও সমতাভিত্তিক ও সার্বজনীন করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে হার্ট, কিডনি, চোখসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবাকে যতটা সম্ভব সুলভ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও বীমা সহজলভ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার বিকাশে সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, এই বাজেটের মূল লক্ষ্য দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ প্রদান এবং কর্মসংস্থাননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা। তারুণ্য ও নারীর ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু নতুন থ্রাস্ট সেক্টরকে চিহ্নিত করে বন্ডেড সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হচ্ছে। এই বাজেট শুধু ঢাকা-কেন্দ্রিক উন্নয়নের নয়; বরং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য পলিসি সাপোর্টের পাশাপাশি, তৃণমূলের একেবারে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয়কে ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, এই বাজেটের অন্যতম লক্ষ্য পরিচালনা ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি করা, যাতে দেশের জনগণের অর্থ সরাসরি উৎপাদনশীল খাত ও জনসাধারণের উন্নয়নে অধিকতর কাজে লাগে। একই সঙ্গে লেনদেন বৃদ্ধি, ইনফরমাল ইকোনোমিকে ধীরে-ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনা এবং করের আওতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির একটি টেকসই ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতির সুফল যাতে সকলের কাছে যায়, সেটাকে মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, সামনের দিনগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে আমরা সবাই যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিই, তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে। গণতন্ত্রের শক্তি ও জনগণের আস্থাকে পুঁজি করে এই বাজেট সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের পথে চলমান অভিযাত্রাকে বেগবান করবে, ইনশাআল্লাহ।

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় কনসার্টে গান গেয়ে অভিনেতার দর্শকের মন জয়

এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা : মাহদী আমিন

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় কনসার্টে অপূর্ব । ছবি সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা দর্শকের মন জয় করলেন গানে গানে। জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবার একক কনসার্টে গান শুনিয়ে মুগ্ধ করলেন উপস্থিত সবাইকে। তবে দেশে নয়, অপূর্বর একক কনসার্টটি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় । স্থানীয় সময় ৮ আগস্ট নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টারে ‘অপূর্ব মিউজিক্যাল নাইট’ শিরোনামের কনসার্টটি হয়ে বাঙালিীর স্বপ্নের রাত।

অপূর্ব জানায় প্রথম একক কনসার্ট বলে প্রস্তুতিটাও নিয়েছিলেন জোরেশোরে। অনুষ্ঠানের আগে বেশ কয়েক দিন টানা রিহার্সাল করেছেন। দর্শকও নিরাশ করেননি তাঁকে। পুরো অডিটরিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। অপূর্ব তাঁর পরিবেশনা শুরু করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘এই রাত তোমার আমার’ দিয়ে।

গান শেষে অপূর্ব আরও জানান, ‘এই রাত তোমার আমার’ গানটি ছিল তাঁর শেখা প্রথম গান। গানটি প্রথম শুনেছিলেন তাঁর মায়ের কাছে। এরপর তিনি একে একে গেয়ে শোনান সোলস ব্যান্ডের ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, ‘কেন এই নিঃসঙ্গতা’, বাপ্পা মজুমদারের ‘দিন বাড়ি যায়’, ফিডব্যাক ব্যান্ডের ‘মৌসুমী’, নগর বাউল জেমসের ‘বাবা’সহ বেশ কিছু গান।

জেমসের বাবা গানটি গাওয়ার সময় নিজের বাবার কথা মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অপূর্ব। গাইতে গাইতে একসময় নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। গান থামিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পেছনে ফিরে চোখ মুছতে থাকেন।

কনসার্টের প্রতিটি গানের ফাঁকে দর্শকের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন অপূর্ব। প্রায় দুই ঘণ্টা হলভর্তি দর্শক-শ্রোতাকে গানে-গল্পে মাতিয়ে রাখেন। পুরো আয়োজনটি উপস্থাপনা করেন শামীম শাহেদ। দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন অপূর্বর সহকর্মী তমালিকা কর্মকার, আফসান আরা বিন্দু, মোনালিসা, নওশীন, মামনুন ইমন, রোমানা, নোভাসহ অনেকে।

কনসার্ট উপভোগ করার পর মোনালিসা বলেন, ‘অপূর্ব আমার বন্ধু ও কলিগ। একসঙ্গে অনেক কাজ হয়েছে আমাদের। শুটিং সেটে সে প্রায়ই গান শোনাত আমাদের। এবার অপূর্বর প্রথম একক কনসার্ট উপভোগ করলাম। দারুণ উপভোগ্য ছিল পুরোটা সময়।

প্রথম কনসার্ট প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘সবকিছু নির্ভর করছে দর্শকের আগ্রহের ওপর। তাঁরা আমাকে দেখতে চান কি না। যদি আমার মনে হয়, তাঁরা আমাকে চাইছেন, তাহলে অবশ্যই হয়তো আবার দেখা হবে।’ উপস্থিত দর্শকেরা যুক্তরাষ্ট্রে অপূর্বর আরও কনসার্ট দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

শেখ হাসিনার জ্বালানি নীতির কারণে বিদ্যুৎ ভোগান্তি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা : মাহদী আমিন

ছবি : সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি নীতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি হচ্ছে।’

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি খাতকে ফ্যাসিবাদমুক্ত এবং সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে আনতে বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। আগামী সংসদে এসব নীতিমালা উপস্থাপন করা হবে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ১৪৮ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। অথচ বর্তমানে আন্দোলনের নামে যারা নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, তাদের কেউ কেউ এখন জ্বালানি ইস্যু নিয়েও আন্দোলন করতে চাইছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

পিরোজপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি : ২৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট

এই বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা : মাহদী আমিন

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের উত্তর পোরগোলা গ্রামে একটি বসতঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ১ কেজি রৌপ্য, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং ২টি মোটরসাইকেলসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোররাতে কদমতলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পোরগোলা গ্রামের খালিদ হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা হওয়ার পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের পূর্ব পাশের সিঁদ কেটে ৬ থেকে ৭ জনের একটি ডাকাত দল চাপাতি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে।এরপর খালিদ হাওলাদারের মা মোছা. শামীমা বেগমের (৫৫) কক্ষে প্রবেশ করে রামদা প্রদর্শন করে কোনো ধরনের শব্দ না করার জন্য হুমকি দেয়। পরে পাশের কক্ষে থাকা তাঁর বড় ছেলে আরিফুল ইসলামের (২৮) কক্ষের দরজা খুলে দিতে বলে।

একপর্যায়ে ডাকাতরা ঘরে থাকা চারজনের হাত বেঁধে কাঁথা দিয়ে ঢেকে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাতরা আনুমানিক ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, এক কেজি রৌপ্য, ৭টি মোবাইল ফোন, ৭০ হাজার টাকা, ৫টি হাতঘড়ি এবং দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে। লুট হওয়া মোটরসাইকেল দুটির মধ্যে একটি নীল রঙের এফজেডএস ভি২, যার নম্বর খুলনা মেট্রো-ল-১৩-৩১৩০ এবং অপরটি সবুজ রঙের এফজেডএস ভি৪, যার নম্বর পিরোজপুর-ল-১১-৪০৫৪।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ডাকাতরা পূবালী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের দুটি চেক বই, দুটি এটিএম কার্ডও নিয়ে যায়। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

×