শিরোনাম:

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

ছবি সংগৃহীত

নড়াইলে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নড়াইল সদর উপজেলা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে উপজেলা মিলনায়তনে এ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।আলুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহফুজা ইয়াসমিন শ্রাবণী এবং পঙ্কবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা পর্ব শেষ হয়।

পরবর্তীতে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে মনোমুগ্ধকর নজরুলগীতি পরিবেশন, কবিতা আবৃত্তি এবং দলীয় নৃত্য তুলে ধরেন। তাদের পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের অভিভূত করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসনে আরা তান্নী এবং নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি. এম. রাহসিন কবির।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী ও গুণী কলাকুশলীদের হাতে বিশেষ পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

ছবি : সঙগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে । তিনি বলেন,জুলাই-আগস্টের আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের ছিল না। এটি ছিল সম্পূর্ণভাবে আপামর জনসাধারণের আন্দোলন। জনগণ যখন সর্বাত্মকভাবে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছিল, তখনই এর চূড়ান্ত সফলতা এসেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-এ (কেআইবি) গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক কথা হয়েছে, আন্দোলন হয়েছে, সংগ্রামের কথা হয়েছে, তর্ক-বিতর্ক হয়েছে এখন সময় হচ্ছে দেশ পুনর্গঠন করার। এখন সময় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

তিনি আরও বলেন, এখন সময় হচ্ছে ধৈর্য সহকারে ঠান্ডা মাথায় যারা ষড়যন্ত্র করতে চায় তাদের ষড়যন্ত্রের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার। জনগণকে সতর্ক করা এবং ঠিক একইভাবে আমরা যেই পরিকল্পনা জনগণের সামনে দিয়েছি, আমরা জনগণের জন্য যা করতে চাইছি, দেশকে পুনর্গঠনের জন্য আমরা যা করতে চাইছি-সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা। জনগণের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান থেকে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি এই জুলাই আন্দোলনের সফলতার ক্রেডিট এই দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এর কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি, একক কোনো রাজনৈতিক দলের এটি কোনো ক্রেডিট নয়। বিগত ১৭ বছর এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আরো অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সবাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে মাঠে ছিল। মাঠ ছেড়ে আমরা কখনো চলে যায়নি। আমরা কখনোই জনগণকে একা ফেলে মাঠ ছেড়ে চলে যায়নি।’

পুরোনো ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে আবার উত্তেজনা

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের জেরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে এই হামলা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর হাসপাতালের সামনে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে আহত ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতারা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে চিকিৎসাধীন নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। হামলা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার কারণে হাসপাতাল চত্বর ও এর আশপাশে তীব্র আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, শিবির, ছাত্রশক্তির সংঘর্ষের ঘটনার জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

সেখানে উভয় পক্ষের নেতাুকর্মীরা জড়ো হয়েছেন। বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মহানগর দক্ষিণের নেতাুকর্মীদেরও সেখানে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শহীদ আনাস তার মাকে লেখা শেষ চিঠি : খোদাই হলো ইবির স্মৃতিফলকে

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন

জুলাই শহীদ আনাস স্মৃতিফলক । ছবি সংগৃহীত

২০২৪’র ৫ আগস্ট সকালে রাজধানী গেণ্ডারিয়ার বাসা থেকে বের হওয়ার আগে পরম শ্রদ্ধায় ও আবেগে মাকে একটি চিঠি লিখে রেখে গিয়েছিলেন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান আনাস। সেই চিঠিতে লুকিয়ে ছিল এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন। সেদিনই চাঁনখারপুলে পুলিশের বুলেটে শাহাদাত বরণ করেন আনাস।

সেই ‘জুলাই ৩৬ গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪’-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আনাসের মাকে লেখা সেই ঐতিহাসিক শেষ চিঠিটি এবার চিরস্থায়ী রূপ পেল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ আনাস হলের স্মৃতিফলকে। সোমবার ৩ আগস্ট বেলা সোয়া এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদ আনাসের সেই স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, দশম শ্রেণিতে পড়া আনাসের চিঠিটি পড়ে যে কেউ তার গভীর দেশপ্রেম উপলব্ধি করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আগত প্রত্যেকেই এই চিঠি থেকে অনুপ্রাণিত হবে। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যতদিন দায়িত্বে থাকবে, ততদিন ৩৬ জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে সকল কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পরিচালনা করা হবে।

আনাসের বাবা বলেন, আনাসদের স্বপ্ন ছিল একটি ইনসাফভিত্তিক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ । যা আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার দুই বছর পার হলেও বিচার প্রক্রিয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন , যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের নামমাত্র সাজা দেওয়া হচ্ছে, আর যারা পালিয়ে গেছে তাদের নামকাওয়াস্তে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। আমরা রক্তপাতহীন, ফ্যাসিবাদের ছায়ামুক্ত এক বাংলাদেশ চাই এবং শহীদ ওসমান হাদী হত্যার দ্রুত বিচার চাই।”

স্মৃতিফলক উন্মোচনের পরপরই বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে ইবি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বুলেটের সামনে আমাদের আবু সাঈদ’, ‘পানি লাগবে পানি, পানিৃ’ এবং ‘জুলাই বিপ্লবে পুলিশের নৃশংসতা’ থিমে তিনটি বিভাগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

×