শিরোনাম:

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুনমুখ শিবা-আওলাদ-দিঠি ও রহমান

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুনমুখ শিবা-আওলাদ-দিঠি ও রহমান

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট পুনর্গঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুন মুখ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন : অভিনেতা শিবা শানু (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি), অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ , গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ,সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার ,  বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি-আওলাদ হোসেন এবং বোর্ডে নতুন যুক্ত উল্লেখযোগ্য মুখ আবদুর রহমান সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি ।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইনের ক্ষমতাবলে সরকার ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’ গঠন করলো। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৯ জুলাই উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি, আওলাদ হোসেন বলেন, একতরফা আগের বোর্ড বাতিল করে নতুন করে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’ গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের  আলোর মুখ দেখার জন্য। চলচ্চিত্রের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শাখার ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ের এই কমিটি অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি অভিনেতা শিবা শানু প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড কোন রাজনৈতিক প্রভাবে নয় : সমস্ত সদস্যরা তাদের যোগ্যতায় সরকার কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এখানে যারা আছেন তারা সবাই চলচ্চিত্রের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জড়িত এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে দীর্ঘদিন অবদান রেখে আসছেন। আপনারা ভালো কিছু আশা করতে পারেন।

এছাড়াও চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে সদস্য হিসেবে রয়েছেন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা) প্রতিনিধি, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা) প্রেস উইং, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা) প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, প্রিন্স মাহমুদ, সঙ্গীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার, বাচসাস-এর সাবেক সভাপতি আবদুর রহমান এবং অভিনেত্রী কাজী নওশাবা।

১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই বোর্ডের চেয়ারম্যান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। এছাড়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাটিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান বোর্ডের সদস্য সচিব।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট : ইসি

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুনমুখ শিবা-আওলাদ-দিঠি ও রহমান

নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬ দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই তফসিল ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তফসিল ঘোষণা করেন।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৩ আগস্ট। জমা পড়া মনোনয়নপত্র ১৬ আগস্ট বাছাই করা হবে।

নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থীরা চাইলে তাদের মনোনয়ন বা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সুযোগ পাবেন।

এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট শেষে গণনা সম্পন্ন করে ফল ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। সংসদ সচিবালয়ের দেওয়া সংসদ সদস্যদের তালিকার ভিত্তিতে ইতোমধ্যে নির্বাচকমণ্ডলীর ভোটার তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে ইসি জানিয়েছে।

ডা. জুবাইদার বাবার কবরে শ্রদ্ধা, সঙ্গে ছিলেন জাইমা রহমান

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুনমুখ শিবা-আওলাদ-দিঠি ও রহমান

মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে বাবার কবর জিয়ারতে জুবাইদা রহমান । ছবি সংগৃহীত

নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান এবং সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর কন্যা ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার ( ৬ আগস্ট ) দুপুরে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এদিন দুপুরে বনানী সামরিক কবরস্থানে মরহুমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে প্রয়াত মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরবর্তীতে যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। কর্মজীবনে রাষ্ট্রীয় ও জনসেবামূলক নানা দায়িত্বে তার অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।

ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ার তথ্য লুকানোয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসথের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে নতুনমুখ শিবা-আওলাদ-দিঠি ও রহমান

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের । ছবি : রয়টার্স

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং তা হোয়াইট হাউসের কাছে গোপন করার অভিযোগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মধ্যে তীব্র বাগ্‌যুদ্ধ বা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দি ওয়াশিংটন পোস্ট। তবে হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন উভয়েই এই দাবিকে সম্পূর্ণ ’ভিত্তিহীন ও ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প নিজেও এসব প্রতিবেদন নিয়ে কথা বলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে এবং যারা এর বিপরীত দাবি করছে, তাদের কারাদণ্ড দেওয়ার হুমকিও দেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিপুল পরিমাণে গোলাবারুদ রয়েছে, বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের গোলাবারুদ।’ তবে তিনি এর বিস্তারিত জানাননি।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সমস্যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লে হেগসেথ দায় তাঁর ডেপুটি স্টিফেন ফেইনবার্গের ওপর চাপিয়ে দেন। তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট পুরো ঘটনাটিই অস্বীকার করেন। ওয়াশিংটন পোস্টকে তিনি বলেন, এটি ‘শতভাগ ভুয়া খবর। আক্ষরিক অর্থেই কখনো ঘটেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের ওপর সর্বোচ্চ আস্থা রয়েছে।’

একইভাবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ‘মন্ত্রী হেগসেথ আমাদের গোলাবারুদের অবস্থান সম্পর্কে কাউকে বিভ্রান্ত করেননি এবং তিনি ডেপুটি সেক্রেটারি ফেইনবার্গকে দায়ীও করেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অস্ত্রের মজুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়া, অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ, ইরান নিয়ে মন্ত্রীর অবস্থান—এসব দাবি সমানভাবে কাল্পনিক।’

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকের একপর্যায়ে এই বাদানুবাদ হয়। প্রতিবেদনে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প হেগসেথকে বলেন, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতির সমস্যাটি ‘সমাধান হয়ে গেছে’ বলেই তিনি মনে করেছিলেন।

আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বুধবার জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনী থাড ( THAAD )  ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টরগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে। ফলে এসব অস্ত্রের মজুত ‘বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে।

তবে লেভিট ট্রাম্পের মেজাজ হারানো দাবি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এটি মিথ্যা। প্রেসিডেন্টের একটি দুর্দান্ত দল রয়েছে, যাদের তিনি বিশ্বাস করেন। আর দলের প্রত্যেকেই জানেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী তিনিই।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা ছাড়াই মার্কিন সামরিক বাহিনী নতুন করে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা একের পর এক কৌশলগত সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু স্পষ্ট নীতিগত নির্দেশনা বা এই যুদ্ধ কোথায় গিয়ে শেষ হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় আমরা একটি কৌশলগত পরাজয়ের মুখোমুখি হচ্ছি।’

ট্রাম্প বারবার ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলার হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু এরপর আবারও হামলা থেকে সরে এসেছেন এবং আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। সোমবার তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এমন আলোচনা চলছে, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি আবার খুলে দেওয়া হতে পারে।

আলোচনা সম্পর্কে বুধবার একটি ফক্স অ্যাফিলিয়েট টেলিভিশন চ্যানেলের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুনছি, তারা খুব ভালোভাবেই এগোচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘ইরান আমাকে ফোন করেছিল। তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলাটি চায়নি। আর আমরা বলেছিলাম, ঠিক আছে, আমি বরং এভাবেই করতে চাই। আমি মানুষ হত্যা করতে এবং সবকিছু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে চাই না। ” আমরা সেদিকেই এগোচ্ছিলাম। তারা আলোচনা করতে চেয়েছে এবং আমরা তা করছি। মনে হচ্ছে, বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় এক মাস আগে শুরু হওয়া সর্বশেষ দফার লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশাধিকার। ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচল বাধাগ্রস্ত করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি ছিল বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ।

×