‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হবে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী । ছবি সংগৃহীত
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নয়, বরং বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধ্বার (৫ আগস্ট, ২০২৬) জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে গণভবনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’টি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন কালে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম, অপহরণ, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই হাজারো ছাত্র-জনতা, নারী ও শিশু শহীদ হয়েছেন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে ফ্যাসিস্ট চক্র হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ করেও গণতন্ত্রকামী জনগণকে হত্যা করেছিল। এমন নৃশংসতা ও বর্বরতা সভ্য বিশ্বে বিরল।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই দুঃশাসনের সঙ্গে স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলের তুলনা করা যায়।
তারেক রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে একদিকে যেমন গণতন্ত্রকামী মানুষের সাহসী ইতিহাস তুলে ধরবে, অন্যদিকে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশও উন্মোচিত করবে।

সস্তা রাজনীতি ও বিভাজনে ফ্যাসিস্টদের সুযোগ নেওয়ার আশঙ্কা : শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি


















