শিরোনাম:

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

বৃক্ষমেলা

জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ মাসব্যাপী প্রায় ১৬ লাখ গাছের চারা বিক্রি হয়েছে, যার মোট আর্থিক মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা। গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন।  আজ বিকেলে ছিলো সমাপনী অনুষ্ঠান।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার আগারগাঁওয়ে বন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এই তথ্য এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, দেশের পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে সরকারের কার্যক্রম কেবল ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ইতিমধ্যে তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ এবং নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম বছরেই পাঁচ কোটি চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যার মধ্যে বন অধিদপ্তর ৩ দশমিক ৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় মোট ৭৪টি নার্সারি অংশ নেয়। মাসব্যাপী মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা প্রায় ১৬ লাখ গাছের চারা কিনেছেন, যার মোট বিক্রয়মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা। এ বিপুলসংখ্যক চারা বিক্রি এবং আর্থিক লেনদেন প্রমাণ করে মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ছে এবং নার্সারি খাত ও বৃক্ষভিত্তিক অর্থনীতির সম্ভাবনাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছের বেঁচে থাকতে প্রতিটি রোপিত চারার সুরক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ ও যুব সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে।

আব্দুল আউয়াল বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৩ দশমিক ৫ লাখের বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যুবসমাজ, নারী ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে এ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারা দেশে ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে প্রায় ২ দশমিক ৫ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, ঢাকায় নতুন করে সবুজায়নের জায়গা সীমিত। তাই শহরের বাড়ির ছাদগুলোকে সবুজায়নের আওতায় আনা যেতে পারে। এতে নগরবাসীর জন্য কিছুটা হলেও সবুজ পরিবেশ ও স্বস্তিদায়ক শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফাহমিদা খানম ও বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু)।

সিটি করপোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন: ডিএসসিসি প্রশাসক

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর নব নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, ঢাকাবাসীদের ঢাকা কে নিজের মনে করতে হবে। নইলে এই শহরের প্রতি দরদ তৈরি হবে না। তিনি বলেন, আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হতে পারি তাহলে ঢাকাবাসীদের জন্য আরও বেশি কিছু করতে পারবো বলে আশা করছি। আপনারা এব্যাপারে পাশে থাকেন আমিও আপনাদের পাশে থাকবো।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকালে নগর ভবনে বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর নব নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মত বিনিময় কালে প্রশাসক এ সব কথা বলেন।

এ সময় বক্তৃতা করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, সহ-সভাপতি এ বি এম রফিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনজন রহমান, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, জনকল্যাণ সম্পাদক নূরুন্নবী রবি, সদস্য গ্যালমান শফি, লুৎফর রহমান, দেলোয়ার হোসেন বাদল, কুশর ইয়াসির।

আবদুস সালাম বলেন, ঢাকাভিত্তিক যে কোনো উদ্যোগে সিটি করপোরেশন আপনাদের পাশে থাকবে।
প্রশাসক বলেন, আমরা চাই সিটি করপোরেশন আরও জোরদার হোক। জনগণের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হোক। ঢাকা সিটি করপোরেশনের জনগণের সঙ্গে যেভাবে সম্পৃক্ত থাকা দরকার ছিলো সেভাবে নেই।

প্রশাসক বলেন, আমরা ঢাকাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাদের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাগুলো যখন উঠে আসে, তখন আমাদের পক্ষে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়। তাই গণমাধ্যমকে আমরা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অংশীদার মনে করি।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন ১৬১০ সালে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে পথচলা শুরু করে আমাদের এই প্রিয় ঢাকা আজ ৪১৬ বছরে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্য ও গৌরবের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন “হৃদয়ে ঢাকা” শীর্ষক বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে। ৪১৬ বছরের পুরনো এই নগরীর বর্তমান নাগরিক সমস্যা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো আপনাদের লেখনীতে বস্তুনিষ্ঠভাবে উঠে আসুক, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর সভাপতি নূরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের “হৃদয়ে ঢাকা” উৎসবের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, ঢাকা ভিত্তিক যে কোনো কার্যক্রমে আমাদের সংগঠন সিটি করপোরেশনের পাশে থাকবে।

সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন বলেন, ঢাকার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা আপনার সহযোগিতা কামনা করি। একই সাথে, নগর ভবনের যেকোনো উন্নয়নমূলক বা জনকল্যাণমুখী কাজে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে আপনার নেতৃত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নাগরিক সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে সেই প্রত্যাশা রইলো।

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই মন্তব্য করেন ’মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না’।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষকরা মনখুলে নাম্বার দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কঠোর ছিল, আপনার কাছে কী মেসেজ ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নাম্বার দেওয়া যায় না।’ এসময় এবারের ফলাফলকে সুন্দর ফলাফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন ।

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার কারণে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন—”শিক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে বা নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না?” এর জবাবেই মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন , আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।  পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী শোক

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শোক বার্তায় তারা নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সে অনযায়ী সহায়তা দিচ্ছে।

×