শিরোনাম:

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংয়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা পর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা। বেশ কয়েকটি মোড় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছে সাধারণ মানুষ। এআই ক্যামেরা এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে মামলা রেকর্ড করছে। এক সপ্তাহে মামলাও হয়েছে ৩ শতাধিক।

ট্রাফিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার ফলে সড়কে সরাসরি পুলিশি হস্তক্ষেপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে, পুরো ব্যবস্থাটি কার্যকর করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল ও জনসচেতনতা— এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে যানবাহনের সঠিক স্থানে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট এবং আরএফআইডি ট্যাগ লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।

নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল না মানা, উল্টো পথে চলাচল, হেলমেট ও সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালানোসহ বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর অন্তত ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এসব ক্যামেরা লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন ভঙ্গ, উল্টো পথে চলাচল, জেব্রা ক্রসিং দখল, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, সিটবেল্ট না পরা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, অবৈধ পার্কিং ও অনুমতি ছাড়া ভিআইপি লাইট ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করছে।

যেসব এলাকায় এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, পুলিশ ভবন, পুরাতন রমনা থানা ক্রসিং, বাংলামোটর, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, রামপুরা ট্রাফিক বক্স, মিরপুর রোডের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এলাকা, গাবতলী ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।

সংশ্লিষ্টদের আশা, ডিজিটাল এই ব্যবস্থার ফলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং দুর্ঘটনাও কমবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ উদ্যোগ সফল করতে হলে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএর তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ করাও জরুরি।

দেশের প্রতিটি নাগরিককে মাথায় রেখেই নতুন বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে আসন্ন বাজেট নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিককে মাথায় রেখেই নতুন বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ( ৯ জুন )  জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যাওয়ার প্রাক্কালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদের তুলনায় বাজেটে সবার সুখ-দুঃখের কথা বিবেচনা করা হয়েছে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার (১১জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাব করা হতে পারে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। এবারের বাজেটে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহ দিতে ব্যাপক করছাড় ও ভ্যাট অব্যাহতির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, অপরদিকে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে বেশ কিছু আমদানিনির্ভর ও বিলাসী পণ্যের ওপর শুল্ক-কর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ফলে নতুন অর্থবছরে বাজারে কিছু পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন করনীতির মূল লক্ষ্য দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো, স্থানীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করা। এ কারণে কয়েকটি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক, ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ বা বিদ্যমান করহার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ু৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”র অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) নারায়ণগঞ্জ সদর ইয়াসির আরাফাতের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন।

বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবান্ধব এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষের বিকল্প নেই। গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ হ্রাস, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

এছাড়া মাটিক্ষয় রোধ, ভূগর্ভস্থ পানির সংরক্ষণ, ছায়া প্রদান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় ১০ হাজার গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডি যৌথভাবে কাজ করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি স্থাপনা, সড়কের পাশ এবং উন্মুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো

নামমাত্র খরচে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাবে বিটিভি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

নামমাত্র খরচে বিশ্বকাপ ফুটবল প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। বিটিভি ৪৭ কোটি ২৫ লাখ টাকায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার সত্য নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এসময়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়, তখন ফুটবল বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে এক অদ্ভুত গোলকধাঁধা তৈরি করা হয়েছিল। ফিফা থেকে স্বত্ব কিনে নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমে আমাদের কাছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করে। এটি ছিল জনগণের ট্যাক্সের টাকার ওপর আরেকটি বড় আঘাতের চেষ্টা। সেই অযৌক্তিক ক্রয় প্রস্তাব কার্যকর হয়নি।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফটুবলে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের বিনিময়ে বিটিভি খেলা দেখিয়েছিল। সেই ধোঁয়াশাপূর্ণ চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে আজ দেশের মানুষের মনে বড় প্রশ্ন রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সরাসরি ফিফার সাথে আলোচনার উদ্যোগ নেয়। এই প্রক্রিয়ায় আমরা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তথা এর সভাপতি তাবিথ আউয়াল সাহেবকে যুক্ত করি। দিনের পর দিন ম্যারাথন মিটিং,জটিল আলোচনা এবং দরকষাকষির মধ্য দিয়ে আমরা একটি জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি। এটি স্বৈরাচারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সততা এবং জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার এক বিশাল বিজয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘অত্যন্ত আবেগের এবং আনন্দের একটি খবর দিচ্ছি- সমস্ত জটিলতা, কুচক্রী মহলের প্রতিবন্ধকতা এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, বাংলাদেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মানুষের প্রিয় ঘর-বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচারের অধিকার অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং নীতিমালার আলোকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে মাত্র ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা (ভ্যাট এবং আয়করসহ মোট মূল্য দাড়াঁবে ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা)।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য আনন্দের বিষয় হলো এই টাকা বিটিভিকে পরিশোধ করতে হবে না। আমরা টেলকো, স্যাটেলাইট চ্যানেল এবং ওটিটি ফ্ল্যাটফরমের কাছে নীতিমালা অনুযায়ী অ্যাডভারটাইজমেন্ট এবং রাইটস বিক্রি করে প্রায় সকল টাকা উঠিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। নামমাত্র খরচে বিটিভি খেলা দেখাবে।’

সম্প্রচার স্বত্ব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির কারণে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলটিকে এ অর্থও পরিশোধ করতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, বিটিভির কাছ থেকে টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস, সময় টিভি; টেলিকম কোম্পানি গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিন বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব কিনেছে ।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, আমরা দেখেছি বাংলাদেশের ফুটবলে ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনা কিংবা জার্মানি বা ইতালির কি ক্রেজ বা স্পেনের মতো দলগুলোর যে ক্রেজ। বাংলাদেশ হয়তোবা বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণ করে না, বাট বাংলাদেশের ফুটবলের মানুষের যে ফুটবল নিয়ে যে উন্মাদনা, যে পাগল হওয়ার মতো যে মনোভাব রয়েছে, সেই পাগলামি জায়গাটা থেকে কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত একটি আশার একটি জায়গা।

 

×