শিরোনাম:

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭ হাজার ৩৫৯

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭ হাজার ৩৫৯

২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭ হাজার ৩৫৯ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। এছাড়া গত বছরে মোট সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে সাড়ে ৭ হাজারের অধিক, যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেড়েছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

আজ (শনিবার, ১০ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

তথ্যে দেখা যায়, ৮৫ শতাংশ দুর্ঘটনার কারণ যানবাহনে অতিরিক্ত গতি। এছাড়া দুর্ঘটনায় রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে, আর সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আগুন ধরে ৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে গতকাল (শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি)।

একই দিন ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাসের নিচে চাপা পড়ে এক মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত হয়েছেন।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর এমন চিত্র নিত্যদিনের, যা প্রতি বছরই বাড়ছে। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। গত বছর দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৭ হাজার ৫৮৪টি এবং এতে নিহত হয়েছেন ৭ হাজার ৩৫৯ ও আহত ১৬ হাজার ৪৭৬ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় যে পরিমাণ মানবসম্পদের ক্ষতি হয়েছে, তার আর্থিক মূল্য ২৫ হাজার ৫৫০ কোটি ৮ লাখ ৫২ হাজার টাকার সমান, যা জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি গত বছর দেশে ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন এবং ৫১৯টি রেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৭৮ জন।

হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবন্ধের দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭ হাজার ৩৫৯

মার্কিন-মধ্যস্থতায় গাজায় হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবন্ধ পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিলেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। গতকাল (বুধবার, ১৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

এর মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনার আওতায় সব সেনা সরিয়ে নেয়া হবে এবং পুনর্গঠন এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া হামাস তার বাধ্যবাধকতাগুলো মেনে চলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। যার মধ্যে জিম্মিদের মরদেহ ফিরিয়ে দেয়াও অন্তর্ভুক্ত। শর্ত পূরণ না করলে গুরুতর পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।

এর আগে, ১০ অক্টোবর প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় এখন ৪শ’র বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। জরুরি মানবিক সহায়তা প্রবেশেও বাধা দিয়েছে।

বিকল্প নেতৃত্বের অভাব: ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭ হাজার ৩৫৯

ইরানে বর্তমানে এমন কোনো ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল নেই, যারা খামেনিতন্ত্রের বিকল্প সরকার গঠনে প্রস্তত। কারণ দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্য ভিন্ন। আবার কারও সুনির্দিষ্ট নেতা আছে, কারও নেই। এক্ষেত্রে সহিংস বিক্ষোভ ও মার্কিন হস্তক্ষেপে বর্তমান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হলে ইরান বড় ধরনে সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলে শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির কথা সামনে আসলেও তার নেতৃত্ব মানার মতো কোনো আভাসও মিলছে না।

অর্থনৈতিক সংকটে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে ২৮ ডিসেম্বর ইরানে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে যা রূপ নেয় ইসলামী প্রজাতন্ত্র বা খামেনিতন্ত্র উৎখাতের আন্দোলনে। এর মধ্য দিয়ে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এখন সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি শিয়াপন্থী ধর্মীয় নেতাদের শাসন ব্যবস্থা। আরও বেশি মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এমন পরিস্থিতিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসন ব্যবস্থার যদি ইতি ঘটে তাহলে শক্ত হাতে ইরানের হাল কে বা কারা ধরবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত রাজা শাহ মোহাম্মদের উত্তরসূরি রেজা পাহলভি প্রবাসী ইরানীদের মাঝে জনপ্রিয় হলেও ইরানের অভ্যন্তরে তাকে নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত যুবরাজের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ইরান ন্যাশনাল কাউন্সিলও ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা দেখছেন না বিশ্লেষকরা।

চাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির পরিচালক ড. সানাম ভাকিল বলেন, আমার মনে হয় ইসলামী প্রজাতন্ত্রের উৎখাতে ইরানিরা অনেকটাই ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু পরবর্তীতে কী হবে বা পরবর্তীতে কে দেশের হাল ধরবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি এখনও অতীতের স্মৃতির প্রতিনিধিত্ব করেন। কিন্তু ইরানের অভ্যন্তরের মানুষের জন্য তিনি হয়তো প্রথম পছন্দ নন।

১৯৭০-এর দশকে শাহ সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বামপন্থী গোষ্ঠী হিসেবে ইরানের মুজাহিদিন অর্গানাইজেশন সক্রিয় থাকলেও বর্তমান আন্দোলনে তাদের ভূমিকা নেই বললেই চলে। এমনকি ১৯৮০ দশকের যুদ্ধে ইরাকের পক্ষ নেয়ায় অনেক ইরানি তাদের ঘৃণা করেন। এছাড়া ২০০২ সালে এরাই প্রথম ইরানের গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির তথ্যও ফাঁস করেছিলো। দলটির নেতা মাসুদ রাজাভি’র স্ত্রী মরিয়ম রাজাভি বর্তমানে দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্ধ আনুগত্যের নীতি ও অনুসারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগেও দলটি পিছিয়ে আছে।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানে সুন্নিপন্থী কুর্দি ও বেলুচ সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই বর্তমান সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। যার কারণে ইরানে সরকার বিরোধী যেকোনো আন্দোলন হলেই কুর্দি ও বেলুচ সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি উত্তাল থাকে। তবে কোনও অঞ্চলেই এমন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দেখা যায়নি, যা তেহরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থার জন্য স্পষ্ট হুমকি।

২০০৯ সালের জুনে ইরানের ‘গ্রিন মুভমেন্ট’ ছিল মূলত পেশাজীবী, নারী অধিকার-কর্মী ও সুশীল সমাজের একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণ-আন্দোলন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মীর-হোসেইন মুসাভি এই আন্দোলনের প্রতীকী নেতা ছিলেন। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তাকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। আরেক সংস্কারপন্থী নেতা মেহেদি কারুবিও গৃহবন্দী ছিলেন গত বছরের মার্চ পর্যন্ত। বর্তমান বিক্ষোভে এই দুই নেতারও তেমন কোনো প্রভাব নেই।

বিক্ষোভকারীরা এখন নিজেদের কোনো একক নেতার অধীনে সংগঠিত না করে নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে আন্দোলন করছেন। আন্দোলনের এই ধরণকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালের জেনজি বিক্ষোভের সঙ্গেও মিল দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বিতর্কে ঢাকায় ৮৬ হাজার ভোটার; দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৭ হাজার ৩৫৯

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ইসির ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে শুধু ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮৬ হাজারের বেশি ভোটার। এ কারণে অনেক এলাকায় বেড়েছে অপরিচিত মানুষের আনাগোনাও। নির্বাচন ঘিরে এমন কর্মকাণ্ডকে ভোটিং মেকানিজম মনে করছে বিএনপি। তবে, স্বাভাবিক ঘটনা বলেই দাবি জামায়াতের। আর এনসিপি বলছে, এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস মিরপুরের গ্রামীণ ব্যাংক কমপ্লেক্স পাল্টে গুলশান ২ এ বাসার ঠিকানায় ভোটার এলাকা স্থানান্তর করেন। ঠিকানা বদল হওয়ায় আসছে নির্বাচনে তিনি ভোট দেবেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড, গুলশানের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে। ১৭ বছর পর দেশে ফিরে একই ভোটকেন্দ্রে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়াও সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে ধানমন্ডিতে নিজের ভোট স্থানান্তর করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একই বছরে তিনবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে তালিকা প্রকাশ করে ইসি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় সাত লাখের বেশি ভোটার আবেদন করেছেন নিজ ভোটের এলাকা পরিবর্তনের। এরইমধ্যে এনআইডি সংশোধন হয়েছে ৬ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি ভোটারের। ইসির ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে শুধু ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৫ জন।

দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ নির্বাচনের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বিশেষ কয়েকটি আসনে নতুন ভোটার স্থানান্তরের হার বেশি। রাজধানীর বিভিন্ন আসনের পুরানো স্থায়ী ভোটাররাও বলছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেড়েছে অপরিচিত মানুষের আনাগোনা।

আসন্ন নির্বাচনে এমন আবেদন ও হালনাগাদকরণকে ভোটিং মেকানিজমের অংশ বলে মনে করে বিএনপি। তবে, একে স্বাভাবিক ঘটনা বলেই দাবি জামায়াতের। আর এনসিপির মতে, এ কারণে ব্যাহত হচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘অস্বাভাবিক তো বটেই। তাদের যে গুরুত্বপূর্ণ সিটগুলো আছে সেগুলো ট্রান্সফার করেছে। আমি শুনেছি মিরপুরে অনেক ট্রান্সফার করেছে। এরকম আমি বলবো যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পথ তো তারা বেছে নিয়েছে। বিএনপি তো এসব বেছে নেয় নাই।’

জামায়াতের মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এখন এসে এ নির্বাচন কমিশন এ বিষয়গুলো শুনানি করে ২০০৮ এর পূর্ববর্তী অবস্থায় গিয়েছে। এটা একটা অন্যতম কারণ এ ভোটার ট্রান্সফার হওয়ার। এটা কিন্তু স্বাভাবিক। এটা এ অর্থে না যে ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনি একেকজন চেঞ্জ করেছি। এটা কিছু হয়ই।

এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, ‘যে আসনগুলো থেকে চলে গেলো সে আসনগুলোতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না সেটাও কিন্তু একটা বড় প্রশ্ন। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় এত বেশি সংখ্যক ভোটার যদি মানে এটা যদি ব্যাপকভাবে হয় তখন একটা বড় প্রভাব পড়বে।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটার স্থানান্তর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। নির্বাচন এলে যাচাই বাছাই করেই অনুমতি দেয় ইসি। তাই এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই।

নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলি বলেন, ‘ভোটার তালিকা আইন আছে একটা। সে আইনে বলে দিয়েছে আমি কোথায় কোথায় ভোটার হতে পারি। সচরাচর বসবাস করলে সেখানে ভোটার হওয়া যায়। কিন্তু আমি আমার দেশের বাড়িতেও তো হতে পারি, সে রাইটও তো আমার আছে। সেটা আইন আমাকে দিয়েছে। তাহলে সেটা পরিকল্পিতভাবে করার সুযোগ আসলে নাই।’

২০০৮ এর পরে আর কোন প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় নির্বাচন হয়নি। তাই বাস্তবতার নিরিখে, ভোটার স্থানান্তরের আবেদন বেশি হওয়ার বিষয়টি যেমন স্বাভাবিক, তেমনি ভোটিং মেকানিজমের শঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

×