শিরোনাম:

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৮টায় শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ১৬৬, যা বায়ুর মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে নির্দেশ করে।

বৈশ্বিক বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) লাইভ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকায় ১৫৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের চেংদু। একই স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে দেশটির আরেক শহর বেইজিং।

একিউআই মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ১০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন চালকেরা

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা

রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংয়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা পর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। ফাঁকা রাস্তাতেও সিগন্যাল মানছেন বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা। বেশ কয়েকটি মোড় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছে সাধারণ মানুষ। এআই ক্যামেরা এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে মামলা রেকর্ড করছে। এক সপ্তাহে মামলাও হয়েছে ৩ শতাধিক।

ট্রাফিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার ফলে সড়কে সরাসরি পুলিশি হস্তক্ষেপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে, পুরো ব্যবস্থাটি কার্যকর করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল ও জনসচেতনতা— এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে যানবাহনের সঠিক স্থানে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট এবং আরএফআইডি ট্যাগ লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।

নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সিগন্যাল না মানা, উল্টো পথে চলাচল, হেলমেট ও সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালানোসহ বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর অন্তত ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এসব ক্যামেরা লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন ভঙ্গ, উল্টো পথে চলাচল, জেব্রা ক্রসিং দখল, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, সিটবেল্ট না পরা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, অবৈধ পার্কিং ও অনুমতি ছাড়া ভিআইপি লাইট ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করছে।

যেসব এলাকায় এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, পুলিশ ভবন, পুরাতন রমনা থানা ক্রসিং, বাংলামোটর, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, রামপুরা ট্রাফিক বক্স, মিরপুর রোডের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এলাকা, গাবতলী ও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।

সংশ্লিষ্টদের আশা, ডিজিটাল এই ব্যবস্থার ফলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং দুর্ঘটনাও কমবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ উদ্যোগ সফল করতে হলে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএর তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ করাও জরুরি।

ভারতে শক্তিশালী ঝড় ও বৃষ্টিতে ৩৩ জনের মৃত্যু

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা

ভারতের উত্তরপ্রদেশে শক্তিশালী ঝড় ও বৃষ্টিতে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানকার ভাদোহী, ফতেহপুর এবং বুধাউনসহ পাঁচটি বিভাগ বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ভাদোহীতে ১৬ জন, ফতেহপুরে ৯ জন এবং বুধাউনে ৫ জন ঝড় বৃষ্টিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

অসময়ের এই বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিলিফ কাজ শেষ হবে।

সেখানকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুনওয়ার বীরেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, ভাদোনীর বিভিন্ন জায়গা থেকে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়া এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর আসছে।

ঝড়ের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হওয়ায় উদ্ধার অভিযান ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে ভাদোহী পুলিশ জানিয়েছে, আলাদা আলাদা ঘটনায় সেখানে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। যারমধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

ফতেহপুরে ৯ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১৬ জন আহত হয়েছেন। যারমধ্যে শুধুমাত্র খাগা তেহসিলে ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের পাঁচজন নারী। অপরদিকে সদর তেহসিলে বাড়ির দেয়াল ধসে আরেক নারীর মৃত্যু হয়।

প্রাণহানির সঙ্গে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে গবাদি পশু এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

টানা পঞ্চমবারের মতো লিগ শিরোপা জিতল পিএসজি

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আজও শীর্ষে ঢাকা

ফরাসি লিগ আ’তে বুধবার রাতে মুখোমুখি হয়েছিল টেবিলের শীর্ষ দুই দল পিএসজি ও লেন্স। শিরোপা জিততে পিএসজির জন্য ড্র-ই যথেষ্ট ছিল। তবে জয় দিয়ে উদযাপন করেছে প্যারিসের ক্লাবটি।

ঘরের মাঠে বুধবার রাতে লেন্সের বিপক্ষে পিএসজির জয় ২-০ গোল ব্যবধানে। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই টানা পঞ্চম বারের মতো ফরাসি লিগ আ শিরোপা জিতল প্যারিসিয়ানরা।

পার্ক দে প্রাসে ম্যাচের ২৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের পাস থেকে পিএসজিকে লিড এনে দেন জর্জিয়ান উইঙ্গার খভিচা কভারাতসখেলিয়া। সমতায় ফিরতে লেন্স মরিয়া হয়ে লড়লেও বাধা হয়ে দাঁড়ান পিএসজি কিপার মাতভেই সাফোনোভ। লেন্সের ওয়েসলি সাঈদ এবং আবদুল্লাহ সিমার নিশ্চিত কয়েকটি সুযোগ রুখে দেন।

ম্যাচের ইনজুরি টাইমে ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইব্রাহিম এমবায়ে লক্ষ্যভেদ করলে উদযাপনে মাতে স্বাগতিকরা। দেজিরে দুয়ের পাস থেকে জোরালো শটে লেন্সের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন এই তরুণ তুর্কি।

৩৩ ম্যাচ শেষে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে পিএসজি। সমান ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লেন্সের সাথে পিএসজির ব্যবধান এখন ৯ পয়েন্টের। শেষ ম্যাচে লেন্স জিতলেও পিএসজিকে ধরতে পারবে না।

২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর পিএসজিকে টানা তিনটি লিগ শিরোপা জেতালেন লুইস এনরিকে। ম্যাচশেষে এই স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘আগেরগুলোর চেয়ে এই শিরোপা জেতা বেশি কঠিন ছিল। লেন্স দারুণ খেলেছে এবং এটি জিততে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে; এখানে জেতা তিনটি শিরোপার মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে কঠিন।‘

ইতিমধ্যেই ফরাসি সুপার কাপ এবং লিগ ওয়ান জয় করা পিএসজির সামনে এখন ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের হাতছানি। ৩০ মে বুদাপেস্টে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে প্রিমিয়ার লিগ টেবিল টপার আর্সেনালের মুখোমুখি হবে প্যারিসের ক্লাবটি।

হারের তিক্ততা থাকলেও লেন্সের সামনে রয়েছে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল। আগামী ২২ মে নিসের বিপক্ষে সেই শিরোপা লড়াইয়ে মাঠে নামবে পিয়েরে সেজের শিষ্যরা।

×