সরকারি অর্থ আনুকুল্য নয়, চিকিৎসা সহযোগিতা চান ফরিদা পারভীনের পরিবার
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন মিডিয়ায় ফরিদা পারভীনের চিকিৎসা সহযোগিতা নিয়ে নানারূপ আলোচনা সমালোচনায় তার পরিবার জানিয়েছে সরকারি অর্থ আনুকুল্য নয়, চিকিৎসা সহযোগিতা চান ফরিদা পারভীনের পরিবার ।
ফরিদা পারভীনের ছেলে ইমাম জাফর নোমানি বলেছেন – আলহামদুলিল্লাহ,
আমরা যে কজন ভাইবোন আছি। আমরা ওয়েল এস্টাবলিশ। আমরা আমাদের মায়ের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম। আর আমরা যদি চিকিৎসা ব্যয়বহন নাও করি তাহলে আমার মায়ের যে টাকা-পয়সা আছে। তা দিয়েও চিকিৎসার ব্যয়বার বহন করতে সক্ষম।
ছেলে ইমাম জাফর নোমানি বলেন, তার অসুস্থতার খবর শুনে উপদেষ্টা থেকে শুরু করে আমাদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে যে, তার চিকিৎসায় কোনো আর্থিক হেল্প লাগবে কিনা। এটা জানার পর ফরিদা পারভীন আমার আম্মা জানিয়েছেন তিনি এ ধরণের কোনো সহযোগিতা নিতে চান না।
এদিকে একুশে পদক প্রাপ্ত বাঁশিশিল্পী গাজী আব্দুল হাকিম জানান, ফরিদা পারভীন রাষ্ট্রীয় সম্পদ, তাঁকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা টুকু তো করাই যায়। যদি সেটা না হয়, আমাদের দেশে বড় বড় হাসপাতাল আছে, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে একটা চিকিৎসা বোর্ড তৈরি করা যেতে পারে।
৭১ বছর বয়সী ফরিদা পারভীন কিডনি, ডায়াবেটিস সহ নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও তিনি ১৩ দিন আইসিইউতে ছিলেন।
নজরুল সঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক গান দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে একুশে পদক , ১৯৯৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ২০০৮ সালে জাপান সরকারের ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কার পান।
লালন সঙ্গীতের ঐতিহ্য ধরে রাখতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ’অচিন পাখি’ নামে একটি সংগীত একাডেমি।

পরিচালক নাজমুল পদত্যাগ না করলে সব খেলা বন্ধের ঘোষণা ক্রিকেটারদের
















