‘ক্রিকেটে বিশ্বকাপের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বকাপের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পা। তাঁর মতে, প্রতি বছর কোনো না কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে বড় টুর্নামেন্টগুলোর আকর্ষণ ও বিশেষত্ব হারাচ্ছে। তাই আইসিসির উচিত ইভেন্টের সংখ্যা কমিয়ে সূচি নতুনভাবে সাজানো।
২০০৭ সালে প্রথম টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী উথাপ্পা মনে করেন, ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টগুলোর মাঝে পর্যাপ্ত বিরতি থাকা দরকার। নইলে খেলোয়াড়, দর্শক ও সম্প্রচার—সব পক্ষের কাছেই এসব টুর্নামেন্টের মূল্য কমে যাবে।
ট্রিবিউন ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উথাপ্পা বলেন, প্রশাসনিক দিক থেকে ক্রিকেটের বিবর্তন এখন জরুরি। তাঁর ভাষায়, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতি বছর আইসিসি টুর্নামেন্ট হলে দর্শকদের কাছে তার গুরুত্ব কতটা থাকে? নতুনত্ব ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপ মানেই হওয়া উচিত বিশেষ কিছু, যা খেলোয়াড় ও দর্শক—দুই পক্ষের কাছেই আলাদা তাৎপর্য বহন করবে।‘
উথাপ্পার মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি–টোয়েন্টি লিগের বিস্তারের মধ্যেই দর্শকরা ইতিমধ্যে অতিরিক্ত ক্রিকেটে ক্লান্ত। এর মধ্যে প্রতিবছর বিশ্বকাপ আয়োজন করলে চাপ আরও বাড়ে। তাই দুটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান বাড়ানো প্রয়োজন।
সাবেক এই উইকেটকিপার-ব্যাটার আরও বলেন, ‘প্রতি বছর একটার পর একটা আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা উচিত নয়। এটা কঠিন সত্য, যেটা প্রশাসকদের মেনে নিতে হবে। ক্রিকেট যে দিকে এগোচ্ছে, সেই বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। খেলাটাকে জোর করে অন্য পথে ঠেলে দিলে লাভ হবে না।’
২০২১ সালের পর থেকে এমন কোনো বছর যায়নি, যেখানে পুরুষ বা নারী বিভাগে ওয়ানডে কিংবা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়নি। ২০২৬ সালেও ব্যতিক্রম নয়। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর মাত্র তিন মাস পর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে শুরু হবে নারীদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

পরিচালক নাজমুল পদত্যাগ না করলে সব খেলা বন্ধের ঘোষণা ক্রিকেটারদের













