শিরোনাম:

অনলাইন প্রতারক চক্রের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ

অনলাইন প্রতারক চক্রের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ

লোভনীয় বিজ্ঞাপনের আড়ালে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে উঠছে সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্র। এদের ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে নানা রকম চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন অনেকের চোখে পড়ে। অনেকেই সেই লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দেন। আর সেখান থেকেই শুরু হয় প্রতারিত হওয়ার প্রথম ধাপ। এরকম বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যবহারকারীদের। এরপর লোভনীয় সব অফারের ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হন ভুক্তভোগী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগীর মুখোমুখি। পুঁজিবাজারে আইটেম শেয়ার কিনে মুনাফা করিয়ে দেয়ার প্রলোভনের বিজ্ঞাপন দেখে একটি ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হোন তিনি। যতক্ষণে বুঝতে পারলেন এটি একটি প্রতারণা, ততক্ষণে খুইয়েছেন প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

ভুক্তভোগী বলেন, ‘বললো ডিসকাউন্টে এত টাকা দিয়ে কিনবেন আর এত টাকা বিক্রি করতে পারবেন। আমি দেখলাম তারা যে ডিসকাউন্ট রেট দিচ্ছে তাতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মতো পার্থক্য থাকে। মানে মার্কেট রেটের চেয়ে তারা অনেক কমদামে দিচ্ছে। আমি আবার অনলাইনে দেখলাম যে, ডিসকাউন্ট রেটে এরকম শেয়ার কেনাবেচা হয় যেটা না কি ব্রক মার্কেট। আমি দেখি এরকম তো হয়ই, তাহলে করা যেতে পারে।’

ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। মঙ্গলবার রাতে প্রায় ৫০ হাজারে মতো সিম, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসসহ প্রতারক চক্রের দুইজনকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘প্রতারণাগুলো সাধারণ অর্থনৈতিক যে ক্রাইমগুলো হয়, মানুষকে প্রলুব্ধ করার জন্য প্রথমে ম্যাসেজ পাঠায় যে আপনি এত টাকা বিনিয়োগ করলে আপনি এত টাকা পাবেন। মানুষকে প্রলুব্ধ করার জন্য মেসেজগুলো পাঠায়, সে মেসেজ পাঠাতে এ সিমগুলো ব্যবহার করে।’

সাইবার অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সিম বিক্রির অতিরিক্ত টার্গেট পূরণ করতে গিয়ে ভুয়া রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা। মোবাইল সিম বিপণন প্রক্রিয়াকে কঠিন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে আইন সংশোধনের মাধ্যমে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করা।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসন জোহা বলেন, ‘বিপণন বিভাগ যেগুলো সেলসে, অনেকটু উৎসাহ প্রদান করে। একটা সিমের ভুয়া রেজিস্ট্রেশন থাকলে যেন অনেক বড় আর্থিক এবং জেল-জরিমানা থাকে তাহলে এ জাতীয় অপরাধের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

তবে ভিন্নমত টেলিকম অপারেটরদের সংগঠন এমটবের। তারা বলছেন, সিম বিপণন প্রক্রিয়া কঠিন করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে এমন চিন্তা অবান্তর। অপব্যবহার রোধে প্রয়োজন জনসচেতনতা।

এমটবের মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, ‘কোনো পক্ষই এককভাবে যেকোনো ধরনের অপরাধ থেকে আসলে এ সমাজকে মুক্ত করতে পারবো না। এখানে সবারই সমভাবে অবগত হতে হবে যে, এটার আসলে খারাপ দিকগুলো কী। আমরা ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে চাই এ প্রক্রিয়াটাকে আরও কতটা টাইট করা যায়।’

সাইবার সিকিউরিটি ভেঞ্চারস নামক একটি গবেষণা সংস্থা বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে গবেষণা করে থাকে। তাদের তথ্য বলছে, ১০ বছর আগেও যে ক্ষতির পরিমাণ ছিলো তিন লাখ কোটি ডলার, যা চলতি বছরে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারে। সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও।

পরিচালক নাজমুল পদত্যাগ না করলে সব খেলা বন্ধের ঘোষণা ক্রিকেটারদের

অনলাইন প্রতারক চক্রের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ

দেশের ক্রিকেটারদের নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত মন্তব্য করায় বিসিবি পরিচালক ও অর্থ কমিটির প্রধান এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবি করেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

সম্প্রতি ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুতে তামিম ইকবালকে ‘দালাল’ বলে সম্বোধন করে আলোচনায় আসেন নাজমুল। বুধবার সন্ধ্যায় দেশের সকল ক্রিকেটারদের নিয়েও অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করেন তিনি।

নাজমুল বলেন, ক্রিকেটারদের পেছনে কোটি টাকা খরচ করছি কিন্তু তারা খারাপ খেললে কি টাকা ফেরত চাচ্ছি? এই বিষয়ে আরও অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্যও করেন তিনি। সেই মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও দুঃখপ্রকাশ করা হয়।

সবার সম্মানহানি করা নাজমুলের মন্তব্য মেনে নিতে পারছেন না ক্রিকেটাররা। তাই বৃ্‌হস্পতিবার দুপুরের ম্যাচের তার পদত্যাগ দাবি করেছেন ক্রিকেটারদের স্বার্থ সংরক্ষণের সংগঠন কোয়াব। বুধবার রাতে এক ভিডিওবার্তায় এই কথা বলেন কোয়াব সভাপতি মিঠুন।

নিচে মিঠুনের পূর্ণাঙ্গ ভিডিওবার্তা তুলে ধরা হলো

“আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আপনারা বেশ কিছুদিন ধরে দেখছেন যে আমাদের ক্রিকেটারদেরকে নিয়ে যেভাবে কমেন্টস করা হচ্ছে, একজন থেকে শুরু করে এখন সব ক্রিকেটারদের নিয়ে যে ধরনের ওয়ার্ড ইউজ করা হচ্ছে সেটা আমাদের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় এবং আমরা এটা কখনও এক্সপেক্ট করি না। তো আশা করি, একজন বোর্ড পরিচালকের আরো চিন্তাভাবনা করে প্লেয়ারদের ব্যাপারে কথা বলা উচিত বলে আমি মনে করি।”

“আমরা ক্রিকেট বোর্ডকে বিভিন্ন ইস্যুতে বিভিন্ন সময় অনেক সময় দিয়েছি। তাদের সঙ্গে আপনারাও সে বিষয়ে অবগত আছেন যে আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করেছি কিন্তু তারা কখনোই আমাদেরকে রেসপন্স করে নাই। সবসময় তারা সময় বের করেছে কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত কোন একটা সিঙ্গেল বিষয়ে সমাধান পাইনি। আর বিশেষ করে লাস্ট যেই আমাদের বোর্ড পরিচালক যিনি যেই কথাটা বলেছেন এটা আমাদের পুরা ক্রিকেট অঙ্গনকে খুবই হার্ট করেছে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।”

“আমরা ইভেন ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট লিগ নিয়েও বোর্ডকে অনেক টাইম দিয়েছি, এখন পর্যন্ত কোন পজিটিভ রেজাল্ট পাইনি। আর লাস্ট যেই বোর্ড পরিচালক প্রতিনিয়ত যেই শব্দগুলো ইউজ করছে এটা টোটাল ক্রিকেট অঙ্গনকে অনেক হার্ট করেছে এবং প্লেয়াররা এটা কোনোভাবেই একসেপ্ট করতে চাচ্ছে না। সেজন্যে আমরা তার রিজন দাবি করছি। উনি যদি কালকে ম্যাচের আগে যদি রিজাইন না করেন, থেকে আমরা আমাদের সব ধরনের খেলা বন্ধ ঘোষণা করছি।”

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনারদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি বিএনপির

অনলাইন প্রতারক চক্রের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ

বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালট পেপারের নকশা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এমনভাবে পোস্টাল ব্যালট ডিজাইন করা হয়েছে যাতে বিএনপির নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষ ভাঁজ করলে অস্পষ্ট হয়ে যায়, যা প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার খর্ব করার শামিল।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি গঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, “পোস্টাল ব্যালট যারা ডিজাইন করেছেন, তারা শুধু নৈতিক অন্যায়ই করেননি; বরং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথ তৈরি করেছেন। বিএনপি এ বিষয়ে কেবল প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না; দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।”

নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ভোট ব্যবস্থার দাবি বিএনপির দীর্ঘদিনের। অনেক সংসদীয় আসনে পোস্টাল ব্যালটের ভোট সংখ্যা পাঁচ থেকে সাত হাজার পর্যন্ত হয়ে থাকে, যা অনেক ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ প্রবাসীদের কাছে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটে প্রথম সারিতে দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা প্রতীক রাখা হয়েছে, আর বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ মাঝখানে এমনভাবে বসানো হয়েছে যে ব্যালট পেপার ভাঁজ করলে তা স্পষ্ট দেখা যায় না। বিএনপির মতে, এটি কাকতালীয় নয়, বরং ইচ্ছাকৃত।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছে যে অক্ষরের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী প্রতীক সাজানো হয়েছে। তবে বাস্তবে এটি ভিন্নভাবেও করা সম্ভব ছিল। তাই কারা এই নকশা তৈরি করেছে এবং কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত করা জরুরি।

বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাহরাইন ও ওমানে জামায়াত নেতাদের বাসায় পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে দেশ-বিদেশে গুরুতর প্রশ্ন উঠবে এবং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া বিতর্কিত হয়ে পড়বে।

এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে। তার দাবি, এসব তথ্য ব্যবহার করে ভুয়া এনআইডি তৈরি বা অর্থের প্রলোভনে ভোট কেনার চেষ্টা হতে পারে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলেও নির্বাচন কমিশন এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, এসব কর্মকাণ্ড অনৈতিক ও বেআইনি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়। তিনি অভিযোগ করেন, নানা অজুহাতে বিএনপি প্রার্থীদের শোকজ করা হলেও সব দলের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন একই ধরনের আচরণ করছে না, যা কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সফর ছিল না; বরং ব্যক্তিগত সফর ছিল। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে সেই সফরও স্থগিত করা হয়েছে, কারণ বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন চায় এবং নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে অন্য দলগুলোর নেতারা প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও নির্বাচন কমিশন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরু থেকেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়বে।

গ্যাজেটের ধারাবাহিকতা হিসাবেই পোস্টাল ব্যালটের প্রতীক ছাপানো হয়েছে: ইসি সচিব

অনলাইন প্রতারক চক্রের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ

গ্যাজেটের ধারাবাহিকতা হিসাব করেই পোস্টাল ব্যালটের প্রতীক ছাপানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ (বুধবার, ৪ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানি শেষে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এছাড়া বাহরাইনের একটি ডেলিভারি পয়েন্ট থেকে অন্যের পোস্টাল ব্যালটের খাম সরবরাহের বিষয়টি দেশটির পোস্ট অফিস তদন্ত করবে বলেও জানিয়েছেন আখতার আহমেদ।

এদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে শুনানির পঞ্চম দিনে মোট ১০০টি আপিল শুনানি হয়। যার মধ্যে ৭৩টি আপিল মঞ্জুর করা হয়। বাকি ১৭ আপিল নামঞ্জুর করা হয়। আর ১০টি আপিল শুনানি অপেক্ষমাণ করা হয়েছে।

কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ক্রমিক নম্বর আজ ২৮১ থেকে ৩৮০ পর্যন্ত আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নিয়ে গত পাঁচদিনে মোট ৩৮০টি আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যার মধ্যে ২৭৭ টি আপিল মঞ্জুর এবং বাতিল ৮১ টি আর অপেক্ষমাণ আছে ২৩টি।

×