শিরোনাম:

নির্বাচনে ব্যত্যয় ঘটলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: শামসুজ্জামান দুদু

নির্বাচনে ব্যত্যয় ঘটলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: শামসুজ্জামান দুদু

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায় সরকারের, এর ব্যত্যয় ঘটলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল আয়োজিত অসহায় মানুষদের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যদি কোনরকম ব্যত্যয় ঘটে তাহলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন সেটা বিঘ্নিত হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে। পার্শ্ববর্তী একটা দেশ বসেই আছে যেন আমরা ভালো একটি নির্বাচন করে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটাতে না পারি। সেইজন্য আমাদের সজাগ-সতর্ক থাকতে হবে।’

এসময় তিনি বলেন, ‘আগামীর নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন কথা বলছে। যার একটি সরকারের সঙ্গে যাদের সব থেকে বেশি সম্পর্ক। সরকারও নির্বাচনের আগেই তাদের পক্ষে কথা বলেছে। সেই দলটি এনসিপি। তারা বলতে পারে তাদের অবস্থানের কথা। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত। স্বচ্ছ স্বাভাবিক গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই জরুরি। সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই কথা বলা।’

তবে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দৃশ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি দৃশ্যমান হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আমি আগ্রহী : ক্রিস্টেনসেন

নির্বাচনে ব্যত্যয় ঘটলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: শামসুজ্জামান দুদু

আজ (১৫ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। নতুন রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে সর্বাত্মক প্রয়াস চালানো এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর, বহুমাত্রিক ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সোমবার সন্ধ‌্যায় ঢাকায় আসেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। গত ১৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ক্রিস্টেনসেনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদন দেন।

গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন হয়েছে : আসিফ নজরুল

নির্বাচনে ব্যত্যয় ঘটলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: শামসুজ্জামান দুদু

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আমরা আগেই ঘোষণা করেছিলাম— এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার ছিল। আজ ক্যাবিনেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত হয়েছে। আশা করি, আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলি থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি— ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট কোনো ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে, তবে সরকার সেই মামলাগুলো প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ নেবে। এ ছাড়া, জুলাই-আগস্ট মাসে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে করা কর্মকাণ্ডের জন্য এখন থেকে আর নতুন কোনো মামলা করা যাবে না। ইতোমধ্যে যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই এবং আগস্ট মাসে কেউ যদি রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে সেই ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে সে রেহাই পাবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ বা প্রতিশোধস্পৃহা থেকে লোভের বশবর্তী হয়ে কেউ যদি হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই আইন করা হয়নি। আইনটি করা হয়েছে কেবল ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য সংগঠিত কার্যাবলি এবং সেই প্রক্রিয়ায় যারা সম্মিলিতভাবে (কালেক্টিভলি) যুক্ত ছিলেন, তাঁদের দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য।

তিনি বলেন, কোন হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোনটি ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে— তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে যে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে যে এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে করা হয়েছে, তবে তারা তদন্ত করবে এবং তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবে। আদালতে সেই রিপোর্ট পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গণ্য হবে।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

পোস্টাল ব্যালটের বিতর্ক নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে: আমির খসরু

নির্বাচনে ব্যত্যয় ঘটলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে: শামসুজ্জামান দুদু

পোস্টাল ব্যালটের বিতর্ক নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার স্বরণে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন শঙ্কার কথা জানান তিনি।

আমির খসরু বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এ সমস্যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে।’

গত ২০ বছর মানুষ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন দেখেনি দাবি করে তিনি বলেন, ‘মানুষ আর কোনো বিতর্কিত নির্বাচন দেখতে চায় না। তারা চায় গ্রহণযোগ্য ভোট হোক। তাই পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের অবস্থান নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তার জবাব নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে। এখনো সময় আছে এর প্রতিকার তাদের করতে হবে।’

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হয়, তা নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানান বিএনপির এ নেতা।

×