শিরোনাম:

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী চলতি মাসে হাম আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২০৯ শিশু। ৯ মাস বয়স থেকে সরকার হামের টিকা প্রয়োগ করলেও এবার এ রোগের আক্রান্ত ৩০ শতাংশের বয়সই ৯ মাসের কম। প্রতিবছর জন্ম নেয়া ৪২ হাজার শিশুর মধ্যে টিকার আওতার বাইরে থাকা ১০ শতাংশই এখন আক্রান্তের ঝুঁকিতে। প্রতি ৫ বছর পর পর বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এসব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হলেও ২০২০ সালের পর হয়নি কোনো ক্যাম্পেইন। এদিকে গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে টিকা আসলেও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় পড়ে আছে সেসব টিকা।

বরিশাল থেকে আসা ৯ মাস বয়সী জুনাইদ। এক সপ্তাহ ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রাজধানীর শিশু হাসপাতালে। গত মাসে হামের টিকা নেয়ার কথা ছিলো তার। তবে টিকা নেয়ার পরেও আক্রান্ত হয়েছে পাশের বেডে থাকা শিশু খাদিজা ও আব্দুর রহমান। বয়স অনুযায়ী সবগুলো দেয়ার পর ও এখনো সুন্থ্য হচ্ছে না বলে জানান শিশুদের সজনরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত বছর সারা দেশে প্রথম তিন মাসে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ছিল ৬৮, চলতি বছর সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৯-এ। এর আগে সবশেষ ২০১৬ সালে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েছিলো। দীর্ঘ একদশক হামের প্রকোপ না থাকলেও বর্তমানে তা আঞ্চলিক মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিশু হাসপাতালে হাই ডিপেন্ডেন্সি অ্যান্ড আইসোলেশন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. রিয়াজ মোবারক বলেন, ‘এবার দেখতে পারছি যে মহমারি। আগে দেখা যেত না, এটা হঠাৎ করে কেন হলো। এটার কারণ হতে পারে, শিশুদের ওপরে নানা রকমের ভাইরাসের আক্রমণ হচ্ছে। ফলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। যার কারণেই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।’

এদিকে গত ৮ বছর হামের টিকা না দেয়ায় রোগের প্রকোপ বেড়েছে বলে দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। রোগী বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতাল, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও শিশু হাসপাতালে নতুন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘৮ বছর আগে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। এরপর আর সরকার থেকে ভ্যাকসিন দেয় হয়নি। ঢাকায় ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে, আইসিইউগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য নাকচ করে ইপিআই প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত হামের টিকা দেয়া হচ্ছে। টিকার আওতার বাইরে থাকা ৯ শতাংশ শিশুদের বিশেষ ক্যাম্পেইনে ২০২৫ সালে টিকা দেয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা হয়নি। চলতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা থেকে হামের টিকা পাঠানো হলেও কর্মসূচি বাস্তবায়নের অর্থ এখনো বরাদ্দ না হওয়ায় তা পড়ে আছে মহাখালীর ইপিআই ভবনে।

ইপিআইয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, ‘২০২০ সালে একটা ক্যাম্পেইন হয়েছিলো। আর এটা রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা বিসিজির কাভারেজ ১০০ ভাগ, সেখানে এমআর-১ দেয়া হয় ৯ মাসে, আর এটার কাভারেজ হলো-৯২। গত বছর বিভিন্ন কারণে দেয়া হয়নি। এ বছর ১৯ এপ্রিলে দেয়া কথা রয়েছে। কিন্তু এখনো আমরা ফান্ডিই পাইনি।’

এদিকে, হামসহ ইপিআইয়ের আওতাভুক্ত অন্যান্য টিকা দিতে এরই মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়ারত হোসেন।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৬ জন। আজ (সোমবার, ৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জনে। অন্যদিকে, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১১ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর দিক থেকে ঢাকা বিভাগে তুলনামূলকভাবে বেশি মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর দিক থেকে ঢাকা বিভাগে তুলনামূলকভাবে বেশি মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

১৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় ফের পালাবদল। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

রাজ্যটির ২৯৪টি আসনের মধ্যে এদিন ২৯৩টি আসনে (অনিয়মের অভিযোগে ফলতা আসনে ভোটগ্রহণ আগামী ২১ মে) গণনা হয়। সরকার গড়তে দরকার ১৪৭টি আসন। এর মধ্যে স্থানীয় সময় রাত আটটা পর্যন্ত ২০৪ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি, ৮১ আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, ‘ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট’ (আইএসএফ) একটি আসনে, ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেইউপি) একটি আসনে ও কংগ্রেস দু’টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সোমবার এই ২৯৩ আসনের গণনা শুরু হয়। এর জন্য গোটা রাজ্যে ৭৭টি গণনাকেন্দ্র খোলা হয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪ আসনে ভোট হয়েছে দুই দফায়। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২ আসনে এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট নেয়া হয়। দ্বিতীয় দফার ভোট শেষেই বিভিন্ন বুথ ফেরত সংস্থার জরিপেও বিজেপির সরকারে আসার ইঙ্গিত মিলেছিল। আর ফের একবার সেই বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে মিলে গেল আসল ফলাফল।

এদিন ভোটের ফলাফল সামনে আসতেই কলকাতা থেকে জেলা সর্বত্র বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠে গেরুয়া শিবিরের কর্মী সমর্থকরা।

পাশাপাশি সিঙ্গুরে ঝাল-মুড়ি বানিয়ে, ভাগ করে খেলেন বিজেপি কর্মীরা। দেড় দশক আগে হুগলির সিঙ্গুর থেকে উত্থান হয়েছিল তৃণমূলের। সেই সিঙ্গুরেই তৃণমূল দুর্গের পতন ঘটিয়ে উত্থান হল বিজেপির। রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্নাকে পিছনে ফেলে বিজেপির প্রার্থী অরূপ কুমার দাস এগোতেই আনন্দে ঝাল মুড়ি বানিয়ে, ভাগ করে খেলেন বিজেপি কর্মীরা।

আবার বুলডোজার নিয়ে অভিনবভাবে জয়ের আনন্দে মাতলেন মালদহের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সেই সঙ্গে একাধিক ডিজে বাজনা এবং চলছে আবির খেলা। এমনকি দলটির রাজ্যসভার সাংসদ হর্ষবর্ধন শ্রিংলাকেও উচ্ছ্বাসে মেতে উঠতে দেখা যায়। দলের কর্মী সমর্থকরা তাকে মিষ্টিমুখ করান। এরপর বাজনার তালে তালে নৃত্য করতে দেখা যায় সাবেক এই কূটনীতিকে।

এবারে নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত আসন ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মমতা ব্যানার্জি, তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ১৭ রাউন্ড গণনার শেষে ২,৯৫৬ ভোট এগিয়ে আছেন শুভেন্দু।

এরইমধ্যেই নন্দীগ্রাম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু। তিনি হারিয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র কর’কে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই দুইটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শুভেন্দু।

এদিকে বিজেপির এগিয়ে থাকার খবর আসতেই বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূলের প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ব্যারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজের গণনা কেন্দ্রে নোয়াপাড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে তৃণাঙ্কুরকে উদ্ধার করে জওয়ানরা। আবার এই গণনা কেন্দ্রেই বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে।

এর পাশাপাশি এই গণনা কেন্দ্রে ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী ও সিনেমা পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে চোর চোর স্লোগান দেখা যায়। বর্ধমানের এমবিসি গণনা কেন্দ্রের বাইরেও উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি এগিয়ে যেতেই অতি উৎসাহীদের তাণ্ডব, ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্টকে মারতে মারতে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে।

কোথাও আবার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ফলাফল ঘোষণার আগেই কাঁথি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে দেয় বিজেপির কর্মী ও সর্মথকরা। পরে তৃণমূলের প্রতীকে গেরুয়া রঙ লাগিয়ে সেই কার্যালয়ের দখল নেয় তারা। পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়া এবং বারাবনিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির জয়ের খবর আসার পরে এদিন দুপুরে আচমকাই রাজ্যের সচিবালয় নবান্নের কাছে পৌঁছে যান বিজেপির মহিলা কর্মীরা। মুখে আবির মাখা অবস্থায়, হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে নবান্নের সামনে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। কিছুসময় সেখানে থাকার পরে পুলিশ তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। যদিও তার আগে নবান্নের সামনে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।

সূত্র খবর, নবান্ন থেকে কোনরকম গুরুত্বপূর্ণ নথি যাতে বাইরে বেরিয়ে না যায় সেই কারণে সেখানে উপস্থিত কর্মীদের প্রবেশ ও বাহিরের ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে নজর দেয়া হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৫ বছরেও হয়নি ক্যাম্পেইন; হামের ঝুঁকিতে হাজারো শিশু

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে যারা আন্তরিকভাবে বিনিয়োগ করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা দূর করা জরুরি।

বৈঠকে উপস্থিত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে অনুমতি নেয়ার জটিলতাও বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলো অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে।

বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান এবং বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

×