শিরোনাম:

সমালোচকদের এক হাতে নিলেন রোনালদো

সমালোচকদের এক হাতে নিলেন রোনালদো

সৌদি প্রো লিগ নিয়ে একের পর এক সমালোচনা এবং নেতিবাচক কথাবার্তা নিয়ে জমানো ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো। রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রমাগত অভিযোগ এই লিগের বিশ্বব্যাপী ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলে মনে করছেন আল নাসর ফরোয়ার্ড। মৌসুম শেষে এই বিষয়ে নাকি বিস্তারিত মুখ খুলবেন ‘সিআর সেভেন’।

চলতি মাসের শুরুর দিকে আল-নাসরের কাছে হারের পর আল-আহলির বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় অভিযোগ করেছিলেন, রোনালদোর দল রেফারিদের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। আল-আহলি ডিফেন্ডার মেরিহ ডেমিরালের অভিযোগের পরই ফুঁসে ওঠেন রোনালদো। তুর্কি এই ফুটবলার দাবি করেছিলেন, পুরো মৌসুম জুড়েই আল-নাসর রেফারিদের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পেয়ে আসছে।

গতকাল সৌদি প্রো লিগে আল-আহলিকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে যাওয়ার পর সমালোচকদের তোপ দাগান রোনালদো। সৌদির লিগে ৩০ ম্যাচ শেষে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আল নাসর। এক ম্যাচ কম খেলে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আল হিলাল। আর ২৯ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আল আহলি।

আল আহলির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জয়ে গোল পাওয়া রোনালদো ম্যাচ শেষে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি মনে করি এটা লিগের জন্য মোটেও ভালো কিছু নয়। এখানে সবাই শুধু অভিযোগ করে। ভাই, এটা ফুটবল, যুদ্ধ নয়। আমরা জানি আমাদের লড়াই করতে হবে, সবাই জিততে চায়—কিন্তু তার মানে এই নয় যে জেতার জন্য সবকিছুই জায়েজ।’

সৌদির এই লিগে আরও বাজে ব্যাপারও নাকি ঘটছে। তবে সব বিষয়ে নিয়ে মৌসুম শেষেই মুখ খুলবেন পর্তুগিজ মহাতারকা, ‘আমি মৌসুমের একদম শেষ দিকে কথা বলব, কারণ আমি এখানে অনেক অনেক খারাপ জিনিস ঘটতে দেখেছি।’

রোনালদো আরও যোগ করেন, ‘অনেক খেলোয়াড়ই ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করছে; তারা রেফারি নিয়ে কথা বলছে, লিগ নিয়ে কথা বলছে, এমনকি (লিগের) প্রজেক্ট নিয়েও কথা বলছে। এটা মোটেও ভালো হচ্ছে না। লিগের লক্ষ্য তো এটা ছিল না।’

মাঠের বাইরের বিতর্ক বন্ধ করে সৌদি লিগকে বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করার আহ্বান জানিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমাদের এমন একটা উদাহরণ তৈরি করা উচিত যাতে শুধু এখানকার মানুষ নয়, ইউরোপের মানুষও দেখে যে আমরা বিশ্বের সেরা লিগগুলোর একটি হওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছি। কিন্তু যেভাবে সমালোচনা চলছে, আমার মনে হয় এগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা দরকার এবং দ্রুত এসব বন্ধ করা উচিত… কারণ আমার কাছে, এটা ফুটবল নয়।’

৪১ বছর বয়সী রোনালদো জানিয়েছেন, এ বছরের শুরুর দিকে তিনি কেন সৌদি প্রো লিগের দুটো ম্যাচ বর্জন করেছিলেন, তার ব্যাখ্যা তিনি দেবেন। গুঞ্জন আছে শীতকালীন দলবদলের সময় পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ করিম বেনজেমা যখন আল-ইত্তিহাদ ছেড়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল-হিলালে যোগ দেন এবং তাদের শক্তি আরও বাড়িয়ে দেন, তখন প্রতিবাদ স্বরূপ রোনালদো ওই ম্যাচগুলো খেলেননি।

রোনালদো বলেন, ‘এই মৌসুমটা শুধু মাঠেই নয়, মাঠের বাইরেও খুব কঠিন ছিল। আমরা জানি অন্য দলগুলোর ক্ষমতা কতটুকু, তবে আমি মৌসুম শেষেই সব বিষয়ে কথা বলার সুযোগ পাব।’

সব হতাশা আর প্রতিবন্ধকতা একপাশে রেখে রোনালদো এখন আল-নাসরকে ২০১৯ সালের পর তাদের প্রথম শিরোপা জেতাতে উন্মুখ হয়ে আছেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর এটিই হতে পারে তাঁর প্রথম শিরোপা। পর্তুগাল অধিনায়ক বলেন, ‘শিরোপার জন্য এই লড়াই একদম শেষ পর্যন্ত চলবে। আজকের (গতকাল) ম্যাচটা খুব কঠিন ছিল। আমরা জানতাম যে লিগের অন্যতম সেরা একটা দলের বিপক্ষে আমরা খেলতে নামছি।’

চলতি মৌসুমে আল-নাসরের শিরোপা জয়ের মিশনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। লিগে ২৬ ম্যাচে ২৫ গোলের সঙ্গে দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সবশেষ আল আহলির বিপক্ষে জালের দেখা পাওয়া রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল সংখ্যা এখন ৯৭০-এ গিয়ে ঠেকেছে।

গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে: আইনমন্ত্রী

সমালোচকদের এক হাতে নিলেন রোনালদো

গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ (শুক্রবার, ১ মে) সকালে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যা যা করার বিএনপি করবে। তবে গণভোটের একটা অংশে প্রতারণা আছে বিএনপি প্রতারণার অংশের সাথে নেই।’

এসময় জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

শৈলকূপা পৌর শ্রমিক দলের আয়োজনে মে দিবসের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কিসহ অন্যান্যরা।

সাদিক কায়েম কী ডিএসসিসির মেয়র প্রার্থী হতে পারবেন?

সমালোচকদের এক হাতে নিলেন রোনালদো

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রচার হয়েছে।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী।

ইসলামী ছাত্রশিবির জানিয়েছে, শিবিরের যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে সাদিক কায়েমের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার সংবাদ প্রচারের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

শুক্রবার বাদ জুমা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় একজন দায়িত্বশীলকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার সংবাদ কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রচার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইসলামী ছাত্রশিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দল থেকেও তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ নেই।

ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেওয়ার পর যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অতএব, বর্তমান সেশনের কোনো দায়িত্বশীলকে নিয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদে কেউ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

এছাড়া জানা গেছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সাদিক কায়েম তার জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করে ইতোমধ্যে ঢাকার ভোটার হয়েছেন। যদিও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেননি, তবে দলীয় কর্মকাণ্ড ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে।

‘জিয়াউর রহমানের ত্রিপক্ষীয় শ্রম-নীতি শ্রম কল্যাণের ভিত্তি মজবুত করেছে’

সমালোচকদের এক হাতে নিলেন রোনালদো

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ত্রিপক্ষীয় শ্রম-নীতি ও সংস্কার শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে বলেছে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।

শুক্রবার (০১ মে) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার, শ্রম খাতের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, ১৮৯৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশের গুলিতে হতাহতের ঘটনা বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। তিনি সেই আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত, আহত ও শহিদ শ্রমিকদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। রাষ্ট্রপতির মতে, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম এবং তারাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।

বর্তমান সরকারের শ্রমবান্ধব নীতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি জানান, শ্রমিকদের অধিকার, কল্যাণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি জানান, সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তার মতে, এ ধরনের সম্পর্ক শিল্প উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আইএলও-এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকল স্বাক্ষর করেছে।

নারী শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে তিনি সমকাজে সমান মজুরি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে তিনি মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ শ্রমিকের প্রতি শোক প্রকাশ করেন এবং তাদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যের শেষাংশে বলেন, শ্রমিক, মালিক, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ, মানবিক ও টেকসই শ্রমব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। মহান মে দিবসের চেতনা ধারণ করে তিনি সবাইকে শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

×