শিরোনাম:

ফিফা কংগ্রেসে না থাকলেও বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

ফিফা কংগ্রেসে না থাকলেও বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

কানাডায় ফিফার বার্ষিক কংগ্রেসে ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র অনুপস্থিত দেশ ছিল ইরান। এই অনুষ্ঠানে না থাকলেও ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে চলতি বছরের জুনে শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এই মহাযজ্ঞে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই সংশয় আরও বাড়ে। তবে বৃহস্পতিবার ভ্যাঙ্কুভারে হওয়া কংগ্রেসে ইনফান্তিনো পুনরায় স্পষ্ট করেছেন, ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ইরান ২০২৬ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলবে। কারণ ফুটবল মানুষকে একত্রিত করে, আমাদের লক্ষ্যই হলো বিশ্বকে এক সুতোয় গাঁথা।‘

ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহেদি তাজসহ একটি প্রতিনিধি দলের এই কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কানাডার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আপত্তির মুখে সীমান্ত থেকেই ফিরে যেতে হয়েছে তাদের।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জানিয়েছেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্যদের ওপর দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কানাডা আইআরজিসি-কে কয়েক বছর আগেই সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতির কারণেই হয়তো এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ও ভিসা জটিলতার কারণে ইরান তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করলেও ফিফা তাতে সায় দেয়নি। ফিফা সভাপতি শুরু থেকেই বলে আসছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই ইরান তাদের খেলাগুলো খেলবে।

আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’-তে রয়েছে ইরান। ১৫ ও ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়াম। এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ

ফিফা কংগ্রেসে না থাকলেও বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

ইরান যুদ্ধ ঘিরে নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল এক পর্যায়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার অতিক্রম করে। এই দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের খবর প্রকাশের পরই বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল এক পর্যায়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার অতিক্রম করে। পরে তা কমে প্রায় ১১৪ ডলারে নেমে আসে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটাই সর্বোচ্চ মূল্য।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হয়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম দ্রুত বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড ইরানের বিরুদ্ধে “স্বল্প সময়ের কিন্তু শক্তিশালী” হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। একই সঙ্গে জলপথ আংশিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার (ফার্টিলাইজার) উৎপাদনের কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষিখাতেও চাপ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

বৈশ্বিক বাজারেও ইরান যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে পড়তে শুরু করেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতন, ইউরোপের বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, বিমান ভাড়া বৃদ্ধি ও ফ্লাইট কমানোর প্রবণতা।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম ১২৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়বে। সূত্র: বিবিসি

পেট্রোলের দাম ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে আরব আমিরাত

ফিফা কংগ্রেসে না থাকলেও বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে পেট্রোলের দাম ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দেশটির সরকারের অধীন ইউএই ফুয়েল প্রাইস কমিটি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আমিরাতে ৩ ব্র্যান্ডের পেট্রোল বিক্রি হয় আমিরাতে— সুপার ৯৮, স্পেশাল ৯৫ এবং ই-প্লাস ৯১। ৩টিরই দাম বেড়েছে। ফুয়েল প্রাইস কমিটির বিবৃতি অনুসারে, এখন থেকে সুপার ৯৮ প্রতি লিটার বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৬৬ দিরহামে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২২ টাকা ২৯ পয়সায়), স্পেশাল ৯৫ প্রতি লিটারে বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৫৫ দিরহামে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৮ টাকা ৬১ পয়সায়) এবং ই-প্লাস ৯১- লিটারপ্রতি বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৪৮ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৬ টাকা ২৭ পয়সায়)।

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি লিটার সুপার ৯৮-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ৩৯ দিরহাম, স্পেশাল ৯৫-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ২৮ দিরহাম এবং ই-প্লাস ৯১-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ২০ দিরহাম।

শতকরা হিসেবে এই তিন ব্র্যান্ডের পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে ৮ শতাংশ। তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আজ ১ মে থেকে নতুন এই দাম কার্যকর করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইউএই ফুয়েল প্রাইস কমিটির বিবৃতিতে।

যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিচ্ছে ইরান; ধ্বংসস্তূপ থেকে তোলা হচ্ছে লুকানো অস্ত্র: এনবিসি

ফিফা কংগ্রেসে না থাকলেও বিশ্বকাপ খেলবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতিকে কাজে লাগিয়ে ইরান তাদের লুকিয়ে রাখা বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া অস্ত্রভান্ডার উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা ও এই বিষয়ে অবগত আরও দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বিমান হামলার পর যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল, সেগুলো খুঁড়ে বের করতে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে তেহরান। গত কয়েক দিনে এই তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে পাল্টা জবাব দিতে ইরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত পুনর্গঠন করতে চাইছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যেকোনো মুহূর্তে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রাখতেই যুদ্ধবিরতির এই সময়টিকে ইরান কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।

×