বোয়িংয়ের থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বাংলাদেশের চুক্তি সই
মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের আরও ১৪টি নতুন ও অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বোয়িং ও বিমানের আনুষ্ঠানিক ক্রয়চুক্তি সই হয়। ১৪টি উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে ১০টি ওয়াইড-বডি ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পর্ষদ চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা করছে। পুরোনো বোয়িংগুলো সরিয়ে নতুন বোয়িং রিপ্লেস করতে চায়। এতে বিমানের যাত্রীসেবা আরও উন্নত হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে ২৫শতাংশ দেশি যাত্রী সার্ভ করছি। তাই আমাদের বেশি বোয়িং প্রয়োজন। আমাদের বাইরের এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেক দূর যেতে হবে।’
বোয়িংয়ের বাণিজ্যিক বিমান বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি বলেন, ‘এ ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে গর্বিত। এ ক্রয়কৃত উড়োজাহাজ বাংলাদেশের যাত্রীদের আকাশপথের যাত্রা নিরাপদ ও সম্প্রসারিত করবে।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ জানান, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এই নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। যার মাধ্যমে বৈশ্বিক এভিয়েশন মার্কেটে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
সবমিলিয়ে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বলে জানানো হয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এভিয়েশন খাতকে নিয়ে অনেক বেশি এম্বিশিয়াস প্রধানমন্ত্রী।’

বোয়িংয়ের থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বাংলাদেশের চুক্তি সই














