শিরোনাম:

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। আজ সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।

তিনি আরো জানান, বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে তারা এ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান, প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পার্বত্য অঞ্চলের বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মাধবী মারমা এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেওয়া হয়।

বিরোধী দলের আপত্তির মুখেই দুই বিল পাস

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন (সংশোধন) ২০২৬ এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬ পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে বিল দুটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অন্যদিকে, এদিন বিলটি পাস না করে স্থগিতের দাবি জানান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠভোটে বিল দুটি পাস হয়।

বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তি ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ করলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান বা কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার অযোগ্য হিসেবে গণ্য হন বা পদে বহাল থাকতে পারেন না। পাস হওয়া বিলে এই বিধান বিলুপ্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) আগের আইনে বলা ছিল, ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হলে কোনো ব্যক্তি চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে থাকতে পারবেন না। সংশোধিত বিলে এই বয়সসীমাও বাতিল করা হয়েছে।

বিল দুটির উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিজ্ঞ, দক্ষ ও জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুযোগ দিতে আইনগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন।

রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আলী আছগারের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে হয়রানিমূলক বাকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না বিধায় সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিগত সরকারের আমলে জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য সরকারের কাছে সংরক্ষিত নেই।

মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৫ মার্চ জেলা পর্যায়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে এই কমিটি মামলার এজাহার, চার্জশিট ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করে। যদি দেখা যায় কোনো মামলা জনস্বার্থবিরোধী বা রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে এবং সেটি চললে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে, তবেই তা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জেলা কমিটির সুপারিশগুলো চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য গত ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির অধীনেই এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিলো ১১ দলীয় জোট

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট। ১৬ মে থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ শেষে আগামী অক্টোবর মাসে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে ১১ দল।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় জোটের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। এ সময় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশায় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল। ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের নৈরাজ্যের ফলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সরকার গণভোটে মানুষের প্রদত্ত রায়কে অস্বীকার করে ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। সরকার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করেছে।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে মানুষ দায়িত্ব দিয়েছিলো সরকার বা রাজনৈতিক দল তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে। সরকার সংসদে ক্ষমতার জোরে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দাবি করে এখন সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে। আমরা এটার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গণভোটে ‎জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। জনগণকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করা হবে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় কর্মসূচির মধ্যে- ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ, ১১ জুলাই রংপুর বিভাগ, ‎১৩ জুলাই চট্টগ্রাম বিভাগ, ১৮ জুলাই বরিশাল বিভাগ, ‎২৫ জুলাই রংপুর বিভাগ, ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ বিভাগে বিভাগীয় সমাবেশ ও অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

×