শিরোনাম:

দেশে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

দেশে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। নতুন এই দাম বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত দামে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা প্রতি ভরি।

সবশেষ গত ২৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা।

দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

দেশে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আলী আছগারের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে হয়রানিমূলক বাকি মামলাগুলো প্রত্যাহারের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না বিধায় সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিগত সরকারের আমলে জামায়াত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য সরকারের কাছে সংরক্ষিত নেই।

মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ৫ মার্চ জেলা পর্যায়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে এই কমিটি মামলার এজাহার, চার্জশিট ও পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করে। যদি দেখা যায় কোনো মামলা জনস্বার্থবিরোধী বা রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে এবং সেটি চললে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে, তবেই তা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জেলা কমিটির সুপারিশগুলো চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য গত ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির অধীনেই এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিলো ১১ দলীয় জোট

দেশে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট। ১৬ মে থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ শেষে আগামী অক্টোবর মাসে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে ১১ দল।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় জোটের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। এ সময় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশায় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল। ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের নৈরাজ্যের ফলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সরকার গণভোটে মানুষের প্রদত্ত রায়কে অস্বীকার করে ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। সরকার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করেছে।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে মানুষ দায়িত্ব দিয়েছিলো সরকার বা রাজনৈতিক দল তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে। সরকার সংসদে ক্ষমতার জোরে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দাবি করে এখন সংবিধান সংশোধনের কথা বলছে। আমরা এটার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গণভোটে ‎জনগণের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। জনগণকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করা হবে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় কর্মসূচির মধ্যে- ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ, ১১ জুলাই রংপুর বিভাগ, ‎১৩ জুলাই চট্টগ্রাম বিভাগ, ১৮ জুলাই বরিশাল বিভাগ, ‎২৫ জুলাই রংপুর বিভাগ, ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ বিভাগে বিভাগীয় সমাবেশ ও অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রমিক দিবসে নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে বিএনপি

দেশে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার দুপুর ২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে সমাবেশের এই ঘোষণা দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এবারের মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি সমসাময়িক জাতীয় রাজনীতি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই সমাবেশের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর এই জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। নজরুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন, মে দিবস পালনের লক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং সমাবেশ সফল করতে নেতা-কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই মহান দিনে সাধারণ শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নয়াপল্টনে উপস্থিত হবেন।

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া দলের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় নেতা এবং শ্রমিক নেতারাও সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করবেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং দলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী শফুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

×