শিরোনাম:

সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

রাজধানীতে অপরাধ দমনে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার।

তিনি বলেন, বর্তমানে আগের মতো বড় ধরনের শীর্ষ সন্ত্রাসী নেই, তবে তাদের সহযোগী বা নতুনভাবে অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। আমাদের মনিটরিং ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। কেউ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আগেই তাদের দমন করা হবে।

শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজ রুখে দেয়া হবে, গোপনে কাজ করবে বাহিনী। সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে, মাথাচাড়া দিলে দমন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী বিরামহীনভাবে কাজ করছে।’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘নতুন করে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা তৈরি হচ্ছে না। আগে যারা ছিলো,তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। পুলিশ তাদের দমনে তৎপর আছে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরীতে ইতোমধ্যে চাঁদাবাজি ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গোপন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ঢাকায় অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

অনেক থানায় পুলি মামলা নিতে চায় না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনো থানায় মামলা না নিলে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট জোনাল সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি), ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) কিংবা ডিএমপির ক্রাইম বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় অপরাধীদের গ্রেফতার এবং অপরাধ শূন্যে নামিয়ে আনতেই এই ক্যাম্প চালু করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগরজুড়ে চাঁদাবাজসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক রিটটি করেন এবং অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস তা আদালতে উপস্থাপন করেন।

রিটে চুক্তিটিকে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী বলা হয়েছে।

এতে অভিযোগ করা হয়, চুক্তিটি দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

রিটে পররাষ্ট্র, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসম শুল্ককাঠামো, নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব এবং দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয়-দুর্নীতি রোধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

সরকারি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সোমবার (৪ মে) দুপুরে ডিসি সম্মেলনের অংশ হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে যেমন চলেছে এখনো সেরকম চলার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমাও অসীম নয়।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, ২০১৭ সালে প্রকল্প নেয়া হয়েছে কিন্তু এখনো সেটি চলমান। কয়েক দফায় সংশোধন হয়েছে এবং ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধার সৃষ্টি হচ্ছে সেগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি এবং কীভাবে সত্যিকার অর্থে এসব বাধা কাটিয়ে ওঠা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণসহ জেলা প্রশাসকরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন সেগুলো নিয়ে ডিসিরা নানা সমস্যার কথা লিখিতভাবে জানাচ্ছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এসব সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। এ সময় নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপরও জোর দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬

সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

দেশের তিন পৃথক জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মনতলা সমিতিঘর এলাকায় সোমবার (৪ মে) দুপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় একটি সিএনজি অটোরিকশার ৩ জন যাত্রী নিহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুক্তাগাছাগামী সিএনজিটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকটি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নারী যাত্রী প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি উল্টে যায় এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

অন্যদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় ট্রাক ও পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাটি রাবনা ফ্লাইওভারের ওপর ঘটে। ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ট্রাক ও পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকচালক পালিয়ে গেছে।

এছাড়া গোপালগঞ্জের গোপীনাথপুর এলাকায় একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

×