শিরোনাম:

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী, ৭ জনের মৃত্যু

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী, ৭ জনের মৃত্যু

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে এখন পর্যন্ত ৪৪,৯৫৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১১৩টি ফ্লাইটে তারা সেখানে পৌঁছান। এছাড়া হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে এখন পর্যন্ত ৪৪,৯৫৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১১৩টি ফ্লাইটে তারা সেখানে পৌঁছান। এছাড়া হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হজ বুলেটিন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় সর্বমোট ৪৪,৯৫৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪,০৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪০,৮৮৪ জন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে। তারা মোট ৫২টি ফ্লাইটের মাধ্যমে ২১,৩০১ জন হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স ৪১টি ফ্লাইটের মাধ্যমে ১৫,৪২৫ জন যাত্রী পরিবহন করেছে। এছাড়া ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২০টি ফ্লাইটের মাধ্যমে সৌদি আরবে নিয়ে গেছে ৮,২২৯ জন হজযাত্রীকে।

চলমান হজ মৌসুমে সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মোট ৭ জন হজযাত্রী মারা গেছেন। মৃতদের সবাই পুরুষ। তাদের মধ্যে মক্কায় ৫ জন এবং মদিনায় ২ জন মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল রংপুরের কোতোয়ালী মেট্রো থানার বাসিন্দা মো. শামসুল আলম (৬৩) মৃত্যুবরণ করেছেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলতি বছরে মোট ৭৮,৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯৩৫ জন সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

হজ পালন শেষে হজযাত্রীদের দেশে ফেরার জন্য ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ৩০ মে। জেদ্দা থেকে শুরু হওয়া এই ফিরতি কার্যক্রম চলবে পুরো জুন মাস জুড়ে। আগামী ৩০ জুন বছরের শেষ হজ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

রিয়ালের জয়ে অপেক্ষা আরও দীর্ঘ বার্সেলোনার

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী, ৭ জনের মৃত্যু

কর্নেলা এল প্রাতে রোববারের রাতের ম্যাচ শুধুই রিয়াল মাদ্রিদ আর এস্পানিওলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পাখির চোখে ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে ছিল বার্সেলোনা। একটা নিখুঁত ফয়সালার ক্ষণ হয়েই যেতে পারত – যদি ম্যাচটিতে রিয়াল মাদ্রিদ হারত কিংবা ড্র করত। তাতেই ৪ ম্যাচ হাতে রেখে টানা দ্বিতীয় লা লিগা নিশ্চিত হয়ে যেত হান্সি ফ্লিকের দলের।

কিন্তু রিয়াল তো রিয়ালই। শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা জমিয়ে রাখা যাদের চিরচেনা অভ্যাস, তাদের কাছে এসপানিওল হয়ে ওঠেছিল সহজ এক প্রতিপক্ষ। লা লিগায় শেষ মুহূর্তে আরও একটু নাটক জমা রাখল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব। এই নাটকের মহানায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতে ঘরে ফিরল রিয়াল।

৩৪ ম্যাচে ২৪ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ১১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। ম্যাচের দুটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।

প্রথমার্ধে বলার মতো ২৩তম মিনিটে এস্পানিওলের ডিফেন্ডার এল হিলালিকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ভিনি। দুই মিনিট পর নিজেই ফাউলের শিকার হন। ফলে প্রথমে সরাসরি লাল কার্ড দেথেন এল হিলালি। পরে অবশ্য ভিএআরের সাহায্যে সিদ্ধান্ত বদলে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।

প্রথমার্ধে দুই দলই একের পর এক লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেয়। ৪৩তম মিনিটে ভালো একটা সুযোগ পায় রেয়াল। ডি-বক্সে প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শট নেন ব্রাহিম দিয়াস, সেটাও ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।

বিরতির পর দশ মিনিট পার হতেই চেনা ছন্দে ফিরে রিয়াল। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস যেন প্রথম হলুদ কার্ড আর সুযোগ মিসের প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে নামেন। ফেদে ভালভার্দের কাছ থেকে বল পেয়েই ভেতরে ঢুকে পড়েন ব্রাজিল ফরোয়াড। বদলি নামা গনজালো গার্সিয়ার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দেন চোখের পলকে। এরপর বল জড়ান জালে।

দশ মিনিট পরেই ভিনির দ্বিতীয় ঝলক। জুড বেলিংহামের ক্রসের সূত্র ধরে ডিবক্সের কোণ থেকে জোরালো এক বুলেট গতির শটে স্কোরলাইন ২-০ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। দিমিত্রোভিচ ঝাঁপিয়েও সেই গতির হদিস পাননি।

পিএসএলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে কত টাকা পেলেন বাবর-নাহিদরা?

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী, ৭ জনের মৃত্যু

পাকিস্তান সুপার লিগের(পিএসএল) ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে পেশোয়ার জালমি। ৯ বছর পর পিএসএলের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শিরোপা জিতে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও পেয়েছেন বাবর-নাহিদরা।

শিরোপা জিতে ৫ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা পাচ্ছে দলটি । এছাড়াও পিসিবির ঘোষণা অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন দলের ক্রিকেটাররা পাবেন ৫ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার। নাহিদ-বাবরদের কাছে হেরে টুর্নামেন্টের রানার্সআপ হওয়া হায়দরাবাদ কিংসম্যান পাচ্ছে ৩ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

এছাড়াও ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করা সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য রয়েছে ২ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার। এছাড়াও দেওয়া হয়েছে বেশকিছু ব্যক্তিগত পুরস্কার।

পিএসএলজুড়ে দারুণ পারফর্ম করা বাবর আজম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন ৫৮৮ রান করে। জিতেছেন সেরা ব্যাটার ও হানিফ মোহাম্মদ ক্যাপ। তার তিন সতীর্থ জিতেছেন আরো তিন পুরস্কার। সেরা উইকেটরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমির কুশল মেন্ডিস। সেরা ফিল্ডার হয়েছেন ফারহান ইউসুফ। সেরা অলরাউন্ডারের খেতাব জিতেছেন শাদাব খান। ২২ উইকেট শিকার করে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হওয়া পেশোয়ারের সুফিয়ান মুকিম জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরার খেতাব। ১৭ উইকেট শিকার করে ইমার্জিং প্লেয়ারের পুরস্কার জিতেছেন হুনাইন শাহ।

হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন বাবর-নাহিদের পেশাওয়ার

সৌদি পৌঁছেছেন ৪৪৯৫৫ বাংলাদেশি হজযাত্রী, ৭ জনের মৃত্যু

দুর্দান্ত বোলিংয়ে মঞ্চটা সাজিয়ে দিলেন নাহিদ রানা ও অ্যারন হার্ডি। পরে ছোট লক্ষ্যে টপ-অর্ডারের ব্যর্থতায় কিছুটা চাপে পড়ল পেশাওয়ার জালমি। এবার ব্যাট হাতে দায়িত্ব নিলেন হার্ডি। অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডারের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়ন হলো পেশাওয়ার।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার পাকিস্তান সুপার লিগের ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৫ উইকেটে হারায় পেশাওয়ার। আগে ব্যাট করে মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ। জবাবে ১৫.২ ওভারে ম্যাচ জিতে যায় বাবর আজমের দল।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পিএসএলের শিরোপা জিতল পেশাওয়ার। এর আগে ২০১৭ সালে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। এরপর আরও তিনবার ফাইনাল খেললেও ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে পারেনি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। প্রায় ৯ বছর পর সর্বোচ্চ সাফল্য পেল তারা।

অন্য দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে রূপকথার গল্প লেখার পথে অনেকটা এগিয়ে গেলেও শেষ বাধা উৎরাতে পারল না হায়দরাবাদ। প্রথম চার ম্যাচ হেরে বিদায়ের শঙ্কা থেকে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে ফাইনালে ওঠে প্রথমবার পিএসএল খেলতে আসা দলটি। কিন্তু শিরোপার লড়াইয়ে আর পারল না তারা।

ফাইনাল ম্যাচে পেশাওয়ারের জয়ে বড় অবদান নাহিদ ও হার্ডির। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি খেলতে বাংলাদেশ থেকে উড়ে যাওয়া তরুণ গতিতারকা নাহিদ ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ২২ রানে নিয়েছেন ২টি উইকেট।

পিএসএল ফাইনালে মেডেন ওভার করা মাত্র তৃতীয় বোলার নাহিদ। তার আগে ২০২১ সালে ইমরান খান ও ২০২৪ সালে এই কীর্তি গড়ে দেখান খুশদিল শাহ। দুজনই ছিলেন মুলতান সুলতান্সের জার্সিতে।

আর ব্যাটে-বলে নাহিদকেও ছাড়িয়ে গেছেন হার্ডি। চমৎকার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথমে ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। পরে চাপের মুখে ব্যাট করতে নেমে ৫৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ান পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ফাইনালে ব্যাট হাতে ফিফটি ও বল হাতে ৪ উইকেট নেওয়ার ইতিহাস গড়লেন হার্ডি।

তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ হারিস (৩ বলে ৬) ও বাবর আজম (১ বলে ০) ধরেন ড্রেসিং রুমের পথ। শুরুতেই ২ উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদ শিবিরে আশা দেখান মোহাম্মদ আলি।

পরে চতুর্থ ওভারে কুশল মেন্ডিস (৮ বলে ৯) ও পঞ্চম ওভারে মাইকেল ব্রেসওয়েলও (৫ বলে ৪) আউট হয়ে গভীর খাঁদে পড়ে যায় পেশাওয়ার। তাদের স্কোর বোর্ডে তখন ৪ উইকেটে মাত্র ৪০ রান।

সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ। দুজন মিলে ৬০ বলে গড়েন ৮৫ রানের জুটি। জয় থেকে মাত্র ৫ রান বাকি থাকতে ড্রেসিং রুমে ফেরেন ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৮ রান করা সামাদ।

শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৯ চারে ৩৯ বলে ৫৬ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন হার্ডি।

ম্যাচের প্রথমভাগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে মাজ সাদাকাতের (৬ বলে ১১) উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। তবে চাপ সামলে পাল্টা আক্রমণ করেন মার্নাস লাবুশেন ও সাইম আইয়ুব। ৪.৩ ওভারে পঞ্চাশ পূর্ণ করে ফেলে হায়দরাবাদ।

পঞ্চম ওভারেই লাবুশেনকে ফিরিয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন হার্ডি। ১২ বলে ২০ রান করে ফেরেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক। পরে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাহিদের বলে ছক্কা-চার মেরে ১৩ রান নিয়ে নেন সাইম।

পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ৬৯ রান করে তখন পর্যন্ত উড়ছিল হায়দরাবাদ। তবে সপ্তম ওভার থেকেই শুরু হয় তাদের পতন। ওভারের তৃতীয় বলে উসমান খানকে (৬ বলে ৮) ফেরান সুফিয়ান মুকিম। আর শেষ বলে ইরফান খান (২ বলে ১) হন রান আউট।

পরের ওভারে চমৎকার গতিময় ডেলিভারিতে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ক্যাচ আউট করেন নাহিদ। একই ওভারে কুশল পেরেরা রান আউট হয়ে গেলে যেন চোখের পলকে ২ উইকেটে ৭১ থেকে ৬ উইকেটে ৭৩ রানের দলে পরিণত হয় হায়দরাবাদ।

এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন সাইম। স্রোতের বিপরীতে দারুণ এক ফিফটি করেন বাঁহাতি টপ-অর্ডার ব্যাটার। তাকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হননি হাসান খান (৭ বলে ১২)।

১৮তম ওভারে হার্ডির তৃতীয় শিকারে পরিণত হয়ে নবম ব্যাটার হিসেবে ড্রেসিং রুমে ফেরেন সাইম। তার ব্যাট থেকে আসে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ বলে ৫৪ রান।

পেশাওয়ারের পক্ষে বল হাতে ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন হার্ডি। আর ৪ ওভারে এক মেডেনসহ ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন নাহিদ।

সব মিলিয়ে দেশের বাইরে প্রথমবার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে নেমে ৫ ম্যাচে ১৮ ওভার বোলিং করে মাত্র ৫.৪৪ ইকোনমি রেটে ৯ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। টুর্নামেন্টে অন্তত ১ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তার ইকোনমিই সবার সেরা।

×