রিয়ালের জয়ে অপেক্ষা আরও দীর্ঘ বার্সেলোনার
কর্নেলা এল প্রাতে রোববারের রাতের ম্যাচ শুধুই রিয়াল মাদ্রিদ আর এস্পানিওলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পাখির চোখে ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে ছিল বার্সেলোনা। একটা নিখুঁত ফয়সালার ক্ষণ হয়েই যেতে পারত – যদি ম্যাচটিতে রিয়াল মাদ্রিদ হারত কিংবা ড্র করত। তাতেই ৪ ম্যাচ হাতে রেখে টানা দ্বিতীয় লা লিগা নিশ্চিত হয়ে যেত হান্সি ফ্লিকের দলের।
কিন্তু রিয়াল তো রিয়ালই। শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা জমিয়ে রাখা যাদের চিরচেনা অভ্যাস, তাদের কাছে এসপানিওল হয়ে ওঠেছিল সহজ এক প্রতিপক্ষ। লা লিগায় শেষ মুহূর্তে আরও একটু নাটক জমা রাখল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব। এই নাটকের মহানায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতে ঘরে ফিরল রিয়াল।
৩৪ ম্যাচে ২৪ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ১১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। ম্যাচের দুটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।
প্রথমার্ধে বলার মতো ২৩তম মিনিটে এস্পানিওলের ডিফেন্ডার এল হিলালিকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ভিনি। দুই মিনিট পর নিজেই ফাউলের শিকার হন। ফলে প্রথমে সরাসরি লাল কার্ড দেথেন এল হিলালি। পরে অবশ্য ভিএআরের সাহায্যে সিদ্ধান্ত বদলে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
প্রথমার্ধে দুই দলই একের পর এক লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেয়। ৪৩তম মিনিটে ভালো একটা সুযোগ পায় রেয়াল। ডি-বক্সে প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শট নেন ব্রাহিম দিয়াস, সেটাও ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।
বিরতির পর দশ মিনিট পার হতেই চেনা ছন্দে ফিরে রিয়াল। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস যেন প্রথম হলুদ কার্ড আর সুযোগ মিসের প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে নামেন। ফেদে ভালভার্দের কাছ থেকে বল পেয়েই ভেতরে ঢুকে পড়েন ব্রাজিল ফরোয়াড। বদলি নামা গনজালো গার্সিয়ার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দেন চোখের পলকে। এরপর বল জড়ান জালে।
দশ মিনিট পরেই ভিনির দ্বিতীয় ঝলক। জুড বেলিংহামের ক্রসের সূত্র ধরে ডিবক্সের কোণ থেকে জোরালো এক বুলেট গতির শটে স্কোরলাইন ২-০ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। দিমিত্রোভিচ ঝাঁপিয়েও সেই গতির হদিস পাননি।

লিমন-বৃষ্টি হত্যার বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


















