শিরোনাম:

তামিল নাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয় থালাপতি?

তামিল নাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয় থালাপতি?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা চলছে। এদিনের অন্যতম বড় চমক তামিলনাড়ুতে অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে-র উত্থান। রাজ্যটিতে ডতিতেও এডিএমকে-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে নতুন এই দল। তামিলনাড়ুতে মোট আসন ২৩৪। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ আসন। এখন পর্যন্ত ১০০ এর বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজয়ের দল টিভিকে।

খবর আনন্দবাজার। তামিলনাড়ুর রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে নির্বাচনি লড়াইকে কার্যত ত্রিমুখী করে তুলেছে অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে। মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের ডিএমকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। সেখানে টিভিকে ও এডিএমকের পিছনে ধুঁকছে তারা। পুদুচেরিতেও বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফের ক্ষমতায় ফেরার আশায় রয়েছে এনডিএ।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলকে পিছনে ফেলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গেরই রাজনৈতিক লড়াই-ই গুরুত্ব পাচ্ছে সবচেয়ে বেশি। আসামে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে বিজেপি একতরফা জয়ের পথে রয়েছে। সেখানে কংগ্রেস ৩০টি আসনের গণ্ডি পেরোতেও হিমশিম খাচ্ছে।

তামিল রাজনীতি মূলত ডিএমকে ও এডিএমকে এই দুই দ্রাবিড় দলেরই একচ্ছত্র দখলে থেকেছে। অন্য কোনো দলের ক্ষমতায় আসার নজির রাজ্যটিতে বিরল। দ্রাবিড় দলগুলোর আধিপত্য শুরু হওয়ার আগে ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই রাজ্য (তৎকালীন নাম মাদ্রাজ স্টেট) শাসন করেছিল কংগ্রেস।এরপর মাত্র একবারই তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের শাসন ফিরেছিল। ১৯৮৮-৮৯ সালে জানকী রামচন্দ্রনের নেতৃত্বে (যারা আদতে এডিএমকে-র একটি অংশ) স্বল্প সময়ের জন্য কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। তারপরই জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন।

মাঝে অল্প কয়েক দিনের জন্য রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলেও গত পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতি কার্যত দ্বিমুখী। দুই দলের বাইরে তৃতীয় কারও সেখানে বিশেষ অস্তিত্ব ছিল না।

সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণের রাজ্য কেরালায় ইতিমধ্যেই গরিষ্ঠতার গণ্ডি পার করেছে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ।

রাজ্যে বাম জোট এলডিএফ-এর ভরাডুবির কারণ কী এমন প্রশ্নের জবাবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ বলেন, ‘জনবিরোধী নীতি।’ তবে দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হচ্ছেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সেটা আমরা পরে ঠিক করব।’

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তামিল নাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয় থালাপতি?

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে যারা আন্তরিকভাবে বিনিয়োগ করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা দূর করা জরুরি।

বৈঠকে উপস্থিত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে অনুমতি নেয়ার জটিলতাও বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলো অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে।

বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান এবং বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জাতীয় সংসদকে কার্যকর রাখতে ভূমিকা রাখবে নারী এমপিরা: মির্জা ফখরুল

তামিল নাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয় থালাপতি?

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জাতীয় সংসদকে কার্যকর রাখতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে সরকারদলীয় জোটের সদ্য শপথ নেয়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নারী এমপিরা জানান, জনসাধারণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ন্যায় ও সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করবেন তারা। নারীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

গত রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ জন সদস্য শপথ নেন। রাত ৯টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

পুলিশের শার্ট আগের মতই প্যান্ট থাকবে খাকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তামিল নাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয় থালাপতি?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়, তাই আগের পোশাকেই ফিরছে পুলিশ। তিনি বলেন, শার্ট আগের মতোই থাকবে—মেট্রোপলিটন এলাকায় সবুজ এবং সারাদেশে নীল। প্যান্ট থাকবে খাকি রঙের।

সোমবার (০৪ মে) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পর বেশ কিছু শীর্ষ সন্ত্রাসী আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়েছে, এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। তবে এসব ব্যক্তি সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, অন্তর্বর্তী সরকার এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জনগণকে স্বস্তি দিতে কাজ করছে সরকার, যদিও এর জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে।

পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন— এগুলো মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ। এগুলো চলছে। এটার কোনো টাইম লিমিট নেই। এটা প্রতিদিনকার কাজ।

যাদের অপসারণ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বা প্রমাণ পেয়েছেন কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এগুলো মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। কারো প্রতি যেন অবিচার না হয় আমরা সেভাবে দেখেছি।

×