শিরোনাম:

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না: ডা. শফিকুর

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না: ডা. শফিকুর

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ (শুক্রবার, ১ মে) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে এসব কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মালিক বাঁচলে শ্রমিক থাকবে এমন মন্তব্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। রাজপথের পাশাপাশি সংসদেও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে লড়াই চালিয়ে যাবে জামায়াতে ইসলামী।’

তিনি বলেন, ‘সবাই যদি নিজেদের দেয়া প্রতিশ্রুতির অন্তত দশভাগও বাস্তবায়ন করত, তাহলে শ্রমিকদের দুঃখ-দুর্দশা অনেকটাই কমে যেত।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে অনেক নেতা-নেত্রী নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নেয়, কিন্তু সাধারণ শ্রমিকরা প্রাপ্য আদায় হয় না।’

দেশের শ্রমিকদের পক্ষে অনেকেই কথা বললেও প্রবাসী শ্রমিকদের পক্ষে কার্যকরভাবে কেউ কথা বলে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় সমাবেশে তিনি শ্রমিকদের অধিকার, প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। দূতাবাসগুলো শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভরণপোষণের জন্য নয়, বরং প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শ্রমিক দিবসের ১৪০ বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘ এটিকে আন্তর্জাতিক দিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে সরকারি-বিরোধী দলের নেতারা শ্রমিকদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের আশ্বাস দেন। এই ১৪০ বছরে দেয়া প্রতিশ্রুতির ১০ ভাগের ১ ভাগও যদি পূরণ করা হতো, তাহলে শ্রমিকদের আর কোনও দাবিদাওয়া থাকত না।’

সংসদীয় রাজনীতি সম্পর্কে জামায়াতের আমির বলেন, ‘বিরোধী দল গালগল্প করতে বা ইতিহাসের শিক্ষক হতে সংসদে যায়নি। সেখানে বিরোধী দল গেছে দুঃখী মানুষের পক্ষে কথা বলতে। শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই চলবে এবং শ্রমিকদের ন্যায্যতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।’

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।

শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল স্বৈরাচাররা : তারেক রহমান

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না: ডা. শফিকুর

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের স্ত্রীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকদের আমরা ১০ হাজার ঋণ মওকুফ করেছি। কৃষকদের কার্ডের বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ শ্রমিক ভাইদের পাশাপাশি নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে শ্রমিক দলের যে ৭২ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, আজ এই দিনে আমি সেই সব বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধারসঙ্গে স্মরণ করছি।

বিগত সরকারের দমন-পীড়নের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আজ আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছি। কিন্তু মাত্র কয়েক বছর আগেও এই রাজপথ ও আশেপাশের পরিবেশ ছিল আতঙ্কগ্রস্ত। বিএনপি বা এর অঙ্গ-সংগঠনগুলো যখনই কোনো কর্মসূচির আয়োজন করত, তখনই স্বৈরাচারের বাহিনীর হামলার আশঙ্কায় আমাদের তটস্থ থাকতে হতো। সেই ভীতিকর পরিস্থিতি নিশ্চয়ই আপনারা ভুলে যাননি।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এ দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা দেখেছি, শুধু শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক বা নারীরাই নন, বরং এ দেশের প্রতিটি খেটে খাওয়া মানুষকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার। আর লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল দেশের অর্থনীতিকে। সেই বঞ্চনা আর শোষণের হাত থেকে মুক্তি পেতেই ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে এই স্বৈরাচারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না: ডা. শফিকুর

আইসিসির সবশেষ বার্ষিক হালনাগাদে সুখবর পেল বাংলাদেশ। নারী ওয়ানডে দলীয় র‌্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। আইসিসি প্রকাশিত হালনাগাদ অনুযায়ী, মে ২০২৫ থেকে খেলা ম্যাচগুলোকে পূর্ণ (১০০ শতাংশ) গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, আর আগের দুই বছরের ফলাফল ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ হিসেবে।

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে ৭৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এখন সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে। আর আট নম্বরে চলে যাওয়া পাকিস্তানের রেটিং পয়েন্ট ৭২।বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ১ কমেছে। মূলত ৩ রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে পাকিস্তান আট নম্বরে নেমে যাওয়ায় এক ধাপ ওপরে উঠেছে বাংলাদেশ।

নারী ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। নারী র‌্যাঙ্কিংয়ে তাদের পয়েন্ট ১৬৩। এরপর রয়েছে ইংল্যান্ড (১২৮) ও ভারত (১২৬)। শীর্ষ ছয়ে কোনও পরিবর্তন আসেনি।

পুরুষদের টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়া ১৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা (১১৯)। ভারত এক ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছে, আর ইংল্যান্ড নেমে গেছে চতুর্থ স্থানে।

পাকিস্তান ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে এগিয়েছে। শীর্ষ দশের অন্য তিন দল হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।

নির্ধারিত সংখ্যক ম্যাচ না খেলায় আয়ারল্যান্ড র‌্যাঙ্কিং থেকে বাদ পড়েছে। একই কারণে থাইল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসও নারী র‌্যাঙ্কিংয়ে নেই। আইসিসি জানিয়েছে, আগামী ৫ মে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিং এবং ৭ মে পুরুষদের ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিং হালনাগাদ প্রকাশ করা হবে।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

জামায়াত খতমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না: ডা. শফিকুর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। আজ (শুক্রবার, ১ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৫ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৪৬।

×