সৌদি বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন মুশফিকুর
পবিত্র উমরাহ হজ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে মধ্যপ্রাচ্যে আকস্মিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটার মুশফিকুর রহীম।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ায় ওই অঞ্চলের বিমান চলাচল ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে শত শত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার মুশফিকের দুবাই হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে তিনি জেদ্দা থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের (ইকে ০৮০৬) একটি ফ্লাইটে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনাও হয়েছিলেন। তবে মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে নিরাপত্তা খাতিরে বিমানটি পুনরায় জেদ্দায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
বর্তমানে জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজারো সাধারণ যাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছেন এই ক্রিকেটার। সেখান থেকেই এক বার্তায় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। মুশফিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমি উমরাহ সম্পন্ন করেছি। আজ এমিরেটস এয়ারলাইন্সে দুবাই হয়ে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমাদের ফ্লাইটটি পুনরায় জেদ্দায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছি। সর্বশক্তিমান আল্লাহই ভালো জানেন, কবে এবং কীভাবে আমরা ঢাকায় ফিরব।”
আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশের আকাশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে জেদ্দাসহ বিভিন্ন প্রধান বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন অসংখ্য পর্যটক ও যাত্রী।
মুশফিকুর রহীমসহ সেখানে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাস পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। তবে আকাশপথ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফেরার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত।

খামেনিকে হত্যা ‘নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের’ ‘নির্লজ্জ লঙ্ঘন’: পুতিন













