শিরোনাম:

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ (‎শনিবার, ২৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইউরোপে জনশক্তি প্রেরণে প্রতিকূলতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এবং বর্তমানে তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বিশ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্স আয়ের পরিধি আরও বাড়ানো জরুরি।’

এসময় তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

হাম উপসর্গে একদিনে ১১ মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৫৮

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২২৯ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে, হাম উপসর্গ দেখা গেছে এক হাজার ৫৮ শিশুর মধ্যে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে সারাদেশে মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৪৭৫ জন। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা চার হাজার ৪৬০ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭৫ হাজার ৮১টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ৪২ ও এর উপসর্গ নিয়ে ২০৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে (৫৬২ জন)। এরপরই রয়েছে রাজশাহী (১৯৫ জন) ও চট্টগ্রাম (১৩৩ জন) ।

গত ২৪ ঘণ্টার বিভাগভিত্তিক সংক্রমণের তালিকায় দেখা গেছে- বরিশালে ৬৭, চট্টগ্রামে ১৩৩, ঢাকা ৫৬২, খুলনা ৫৯, ময়মনসিংহ ১০, রাজশাহী ১৯৫, রংপুর ৪ এবং সিলেটে ২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সন্দেহভাজন রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জামায়াত কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: মির্জা ফখরুল

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

জামায়াতে ইসলাম কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে এক যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। মহান মে দিবস সফল করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ভোটের ফল পরিবর্তন করা হয়েছে এবং বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এ ধরণের অপপ্রচার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্টের অপচেষ্টা মাত্র।’

এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক অভিযোগের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা এ ধরণের ভিত্তিহীন কথা বলছে তাদের অতীত ইতিহাস জনগণের জানা। আর সে কারণেই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে মহাসচিব বলেন, ‘যারা ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, তাদের রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে করতে কাজ করে যাবে বিএনপি।’

ছাত্র রাজনীতিতে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টার পেছনে একটি চক্র কাজ করছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা অপরাজনীতি পরিহার করবে বলেই সরকার বিশ্বাস করে। কোনো অপশক্তি যেন দেশে স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতা ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১ মে’র কর্মসূচি ঘিরে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথসভা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওইদিন নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।

বিএনপি নব্য ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করেছে: জামায়াত আমির

‎বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে নব্য ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। সরকারকে ক্ষমতায় আসার পেছনে অভ্যুত্থানের অবদান কতটুকু তা মনে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের জাতীয় সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে নব্য ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই—আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।

তিনি বলেন, সরকার মুখে জুলাইয়ের কথা বললেও কাজে অভ্যুত্থানের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে৷ গণভোটের রায় নিয়ে বিএনপি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।

×