শিরোনাম:

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। সোমবার (২৭ এপিল) চট্টগ্রামে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৮২ রান করে নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়ায় তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ফিফটিতে ১২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এ নিয়ে নিউজিল্যান্ডে বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ দল। ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল টাইগাররা। অবশ্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২১৫ করে জিতেছিল টাইগাররা।

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে কিউই বোলারদের সামনে ভুগতে থাকে বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৪১ রান। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাথান স্মিথের শিকার হন সাইফ। ফেরার আগে ১৬ বলে ১৭ রান করেন তিনি।

আরেক ওপেনার তানজিদ করেন ২৫ বলে ২০ রান। এদিকে ১৫ বলে ২১ রানে থামেন দলনেতা লিটন দাস। ১০.১ ওভারে ৭৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটেই পড়ে বাংলাদেশ দল। এমতাবস্থায় চতুর্থ উইকেটে দলের ভরসা জোগায় চতুর্থ উইকেট জুটি। ২৮ বলে ৫৬ রান তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। মাত্র ১৪ বলে ২৮ রান করে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ইমন।

পঞ্চম উইকেটে মাত্র ১৯ বলে ৪৯ রানের অপ্রতিরোধ্য পার্টনারশিপ গড়েন হৃদয়-শামীম। তাতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। মাত্র ২৯ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি দুটি চার ও তিনটি ছয়ে সাজানো। আর মাত্র ১৩ বলে তিনটি চার ও দুটি ছয়ে ৩১ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলেন শামীম। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন ইশ সোধি। আর একটি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও জশ ক্লার্কসন।

এর আগে, টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় কিউইরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তাওহিদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার টিম রবিনসন।

তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভার। এসময় দুজন মিলে গড়েন ৮৮ রানের জুটি। আর এই দুই কিউই ব্যাটারই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। মজার ব্যাপার আউট হওয়ার আগে দুজনই করেন ৫১ রান। ৩৭ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৫১ রান করেন ক্লার্ক। আর মাত্র ২৮ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৫১ রানে থামেন ক্লেভার।

এই দুই ব্যাটার সাজঘরে ফেরার পর খানিকটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত কয়েক উইকেট হারানোর পর রানের গতিও কিছুটা কমে যায়। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান করা নিউজিল্যান্ড পরের ৫ ওভারে করে মাত্র ৩০ রান। এর মাঝেই বেভন জ্যাকবস ১ রানে ও ড্যান ফক্সক্রফট ৩ রানে আউট হন।

এরপর ফের একবার রানের চাকা সচল করেন অধিনায়ক নিক কেলি। কিন্তু ইনিংস শেষ করে ফিরতে পারেননি তিনি। শরিফুল ইসলামের করা বলে আউট হওয়ার আগে কিউই অধিনায়ক করেন ২৭ বলে ৩৯ রান। শেষদিকে জশ ক্লার্কসন ১৪ বলে ২৭ ও নাথান স্মিথ ৪ বলে ২ রান করেন।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনজন বোলার।

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, সেই সময় তিনি মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য, মা-বোনেরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হন সেজন্য তিনি মেট্রিক পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলন। পরবর্তীতে যখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আবার ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তখন মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি শহীদ জিয়ার দল, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দল। এই বিএনপি বর্তমানে সরকার পরিচালনা করছে। বিএনপি শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ পূরণ করতে চায়। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- ইনশাআল্লাহ মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করবো। যাতে মেয়েরা উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে। শুধু তাই নয়, যে সকল মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা সরকার থেকে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো।

একাত্তর একানব্বইয়ের ষড়যন্ত্রকারীরা দেশ গঠনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

যারা একসময় টিকিট বিক্রির নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং ১৯৭১ ও ’৯১ সালেও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো, তারাই আজ নতুন করে দেশ গঠনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর যারা ফ্যাসিস্টদের বিষয়ে বলেছে— ‘ক্ষমা করে দিলাম’, তারা আজ আবারও বিভ্রান্তি ছড়াতে শুরু করেছে। আমি স্পষ্ট বলতে চাই, কোনো জুজু বুড়ির ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। জুলাই মাসের হত্যাকারীদের বিচার এই মাটিতেই হবে এবং আমরা ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব।

আজ (সোমবার, ২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানের যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। একদল লোক বলছে বিএনপি নাকি ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে! অথচ ১৭ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে জীবন দিয়েছে। যশোরেই আমাদের ৬৮ জন ভাই শহিদ হয়েছেন। যারা আজ বড় বড় কথা বলছেন, তারা বড় বড় বক্তৃতা করেন ঠিকই, কিন্তু তলে তলে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সঙ্গে মিটিং করেন।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের যদি কোনো পরিকল্পনা থাকে তবে অপেক্ষা করুন, জনগণ যখন আপনাদের ম্যান্ডেট দেবে, তখন তা বাস্তবায়ন করবেন। এখন আমাদের কাজ করতে দিন।’

জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, এ বিভ্রান্তিকারীরা যেন দেশে পুনরায় ১৩৭ দিন হরতাল করার মতো কোনো অপসুযোগ সৃষ্টি করতে না পারে। এরা দেশের উন্নয়ন চায় না, এরা চায় বিশৃঙ্খলা।’

দেশের অর্থনীতি ও কৃষি নিয়ে মহাপরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উলাশী বিপ্লবকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘উলাশীর মানুষ এ খালকে “জিয়া খাল” নাম দিয়েছে। এ সফলতাকে পাথেয় করে আমরা সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো। এতে কৃষকরা সরাসরি সেচের পানি ব্যবহার করতে পারবে এবং জলাবদ্ধতার কারণে ফসল নষ্ট হওয়া বন্ধ হবে। খালের ভেতর মাছ চাষ ও পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।’

এছাড়া আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দেশের সব বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘বিদেশের বিভিন্ন দেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন পথ উন্মোচন করা হচ্ছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের জন্য। মা-বোনদের শিক্ষা, শিশুদের টিকা ও বেকারদের কর্মসংস্থানই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। হামের টিকার অভাবে যে বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ছে তাদের ও অসুস্থ মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আমাদের সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।’

পেশাদার খেলোয়াড় তৈরির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী মাসের ২ তারিখে আমরা সিলেট যাচ্ছি। সারা দেশের ৫০০ জন খেলোয়াড়কে সম্মাননা দেয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ অ্যাথলেট তৈরি হয়। এতে দেশের যুবসমাজ লাভবান হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে সুফল আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, যে জাতি নিজে পরিশ্রম করে না, তার ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত দিয়ে দেশ গড়তে হবে। ১৯৭১ সালে আমাদের সঙ্গে স্বাধীন হওয়া অনেক দেশ আজ কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভাগ্য বদলে ফেলেছে। আমরাও আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বো। বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি জনগণকে দিয়েছে, তা থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবে না। একদল লোকের এ গণম্যান্ডেট পছন্দ নয় বলেই তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জনগণের অধিকার রক্ষায় রাজপথে জীবন দেয়া শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে দেয়া হবে না।’

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরি এ্যানি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটের ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি প্রকাশিত প্রথম ও তৃতীয় পেশাগত পরীক্ষা নভেম্বর-২০২৫ এর ফলাফলে ৯ম স্থান ও অনার্স নম্বর সহ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজের ১৪তম ব্যাচের মেহনাজ ফারহানা মোমেন – প্যাথলজি, কমিউনিটি মেডিসিন ও মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে, আনিকা বুশরা মীম- প্যাথলজি ও মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে তৃতীয় পেশাগত পরীক্ষায় এবং ১৬তম ব্যাচের সুবাইতা আজাদ -এনাটমি বিষয়ে প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অনার্স নম্বর অর্জন করেছেন।

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেনুচ্ছা গাইন জয়া -এনাটমি ও সায়েন্স অব ডেন্টাল মেটেরিয়ালস বিষয়ে সালিমা বিনতে আজাদ ও অরুনি স্টেলা গোমেজ সায়েন্স অব ডেন্টাল মেটেরিয়ালস বিষয়ে প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অনার্স নম্বর পেয়ে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ডেন্টাল ইউনিটের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেনুচ্ছা গাইন জয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটের মধ্যে ৯ম স্থান অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য এক গৌরবময় সাফল্য।

শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলেই আনন্দ প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতে তারা মেডিকেল কলেজের জন্য আরও বড় অর্জন বয়ে আনবে- সকলের এমনই প্রত্যাশা ।

×