শিরোনাম:

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। আজ (সোমবার, ২৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা জানান আইনমন্ত্রী।

বস্তিবাসীকে আইনি পরামর্শ দিতে গিয়ে মানুষকে মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী। তবে নির্দোষ কেউ আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত হলে আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করারও আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী।

জার্মান সরকারের আর্থিক সহায়তায় গরীব, অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দিতেই এমন উদ্যোগ। যেখানে ভুক্তভোগী কেউ হটলাইন ১৬৬৯৯ নাম্বারে কল দিয়ে আইনি সহায়তা পেতে পারেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কেউ অবিচারের শিকার হয়ে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পারলে হটলাইন নাম্বারে কল দিয়ে সহায়তা চাইলে তা পাওয়া যাবে।’

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত ব্যক্তিরা ও জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তরাও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে জার্মান সরকার অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে এবং তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় সারা দেশে এটি বাস্তবায়ন করা হবে| তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই যৌথ উদ্যোগ দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে|

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে বাংলাদেশে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের সূচনা হয়| পরবর্তীতে তারেক রহমানের উদ্যোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয় এবং বর্তমান সংসদ অধিবেশনেই লিগ্যাল এইড আইন পাস হয়েছে|

আইনমন্ত্রী জানান, নতুন এই কর্মসূচির আওতায় শুধু দরিদ্র ও অসহায় মানুষই নয়, বরং রাজনৈতিক সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি, পঙ্গুত্ববরণকারী, মামলায় জর্জরিত নাগরিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে| এছাড়া, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, শহীদদের স্বজন এবং আহতদের জন্যও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে|

নারী ও শিশুদের সুরক্ষার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি| যৌন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হলেও যারা অর্থনৈতিক বা সামাজিক কারণে আইনি সহায়তা নিতে পারেন না, তাদের জন্য এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দেবে|

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, লিগ্যাল এইড সুবিধা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাক| এটি প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ|

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই উদ্যোগের বার্তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারে|

এসময় মোস্তাকিমা আক্তার ও হাওয়া বেগম নামের দুইজন নারীকে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক আইনি পরামর্শ প্রদান করেন| একইসাথে বস্তিবাসীর বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তার সমাধানের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করেন|

শেষে তিনি এই কর্মসূচিতে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৪৯ বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মোট ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন বিএনপির ৩৬ জন, তাদের সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের একজন এবং জামায়াত জোটের ১২ জন প্রার্থী রয়েছেন।

বিএনপির বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার।

এ ছাড়াও রয়েছেন, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা। একইসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহ সভাপতি সুলতানা জেসমিন জুঁই-এর মনোনয়ন বৈধতা পায়।

জামায়াত জোটের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ, সামসুন নাহার, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম।

শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার সতর্কতা জারিতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিকসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জানা যায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনও কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

বেবিচকের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব বিমানবন্দরে রাতে বিমান ওঠানামা করে না সেগুলোকেও রাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সরকারি স্থাপনায় একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি দাফতরিক চিঠির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই সতর্কতা জারি করা হয়।

পুলিশ সদর দফতরের অভ্যন্তরীণ ওই চিঠির তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তারা বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে সুসমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

হাম আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত ভ্যাকসিন দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

সারাদেশে হাম আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে হামের টিকা দিতে ব্যর্থতার কারণে গঠিত কমিটি কী কাজ করছে, তা নিয়ে দুই সপ্তাহ পর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও দেবাশীষ রায়ের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। পাশাপাশি হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছিল।

গত ২ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। তবে স্কুল বন্ধ করে অনলাইনে ক্লাস চালুর বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি আদালত।

রিটে বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা বজায় রাখতে না পারা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি—এসবই সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

×