শিরোনাম:

চলতি বছর হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু

চলতি বছর হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত সৌদি আরবে মোট ১০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বুলেটিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মারা যাওয়া ১০ জন হজযাত্রীর মধ্যে আটজন পুরুষ এবং দুজন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় আটজন এবং মদিনায় দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মোট ১২২টি হজ ফ্লাইটে ৪৭ হাজার ৮৫২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৩ হাজার ৭৮১ জন জন হজযাত্রী রয়েছেন। পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৬টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট চলবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। হজ শেষে আগামী ৩০ মে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু ৭ জুন

চলতি বছর হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ও চলতি বছরের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ৭ জুন। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (২০২৬ খ্রিস্টাব্দের বাজেট) অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

আগামী ৭ জুন (রোববার) বিকেল ৩টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ অধিবেশন শুরু হবে।

জুনের মধ্যে হবে জ্বালানি নীতিমালা: জ্বালানিমন্ত্রী

চলতি বছর হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু

জুনের মধ্যে জ্বালানি নীতিমালা হবে। রাজধানীর প্রতিটি বাড়িতে সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ (বৃহস্পতিবার, ৭ মে) সকালে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এসময় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই মন্তব্য নয় বলে জানান মন্ত্রী।

জ্বালানি সংকট মেটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বিকল্প জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। যদিও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ৪-৫ শতাংশ মিটছে এই খাত থেকে।

তবে এরইমধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে সরকার সোলারের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সোলার থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায় সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১৫তম আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপো অ্যান্ড ডায়ালগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন জ্বালানিমন্ত্রী।

জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আপনাদেরকে যাতে ট্যাক্স বেশি না দিতে হয় সেজন্য আমরা আলোচনা করছি। আমি আশা করি যে এই মাসের মধ্যে আমরা একটা পলিসি তৈরি করতে পারব এবং জুন মাসের মধ্যে আমরা ক্যাবিনেট অ্যাপ্রুভ করে এটাকে কী বলে সরকারি আদেশ হিসেবে আমরা ছাড়তে পারবো।’

এসময় মন্ত্রী জানান, বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করতে সোলার পাওয়ারকে সহজলভ্য করা হবে। রাজধানীতে বিদ্যুতের চাপ কমাতে প্রতিটি বাসার ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সোলার ও উইন্ড এনার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায় বলে উল্লেখ করেন জ্বালানিমন্ত্রী। আগামী জুনের মধ্যে সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহরে যদি আপনারা যদি প্রত্যেকটা হাউজহোল্ডকে যদি আমরা এই সোলারের আওতায় নিয়ে আসতে পারি এবং প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদেরকে যদি দেই, তাহলে আমি মনে করি যে আমার ঢাকার যে লোডটা আছে, অনেক লোড কমে যাবে।’

এদিকে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাননি মন্ত্রী।

দুর্নীতির মামলায় তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু

চলতি বছর হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ স্থগিত থাকা এই মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো।

আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের এই আদেশ দেন এবং আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।

তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই মামলার অপর দুই আসামি হলেন ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠনের শুনানিকালে আসামি মোশারফ হোসেন কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। এতে অভিযোগ করা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে স্থানান্তর ও উত্তোলন করেছেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অপর দুই আসামির যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে ওই অর্থ স্থানান্তর করে পরবর্তী সময়ে তা উত্তোলন করা হয়।

মামলাটির তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘদিন এই মামলার কার্যক্রম স্থগিত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর উচ্চ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনরায় কার্যকর করে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য নিম্ন আদালতে পাঠান।

×