শিরোনাম:

‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’ সার্জিও রামোস

‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’ সার্জিও রামোস

২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩১ দিন বাকি। বিশ্বকাপে জ্বরে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। ঠিক এই সময়ে ফিফা তাদের স্মৃতিভাণ্ডার থেকে তুলে আনল এমন এক অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান, যা ফুটবলপ্রেমীদের নতুন করে তর্কে মেতে ওঠার রসদ জুগিয়েছে। আজকের গল্পের নায়ক কোনো প্রথাগত ড্রিবলিং জাদুকর নন, বরং স্পেনের রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরী- সার্জিও রামোস।

গল্পটা ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের। জোহানেসবার্গে সেই সোনালী ট্রফি জয়ের পথে স্পেন যেন এক অভেদ্য দুর্গ গড়ে তুলেছিল। রামোস তখন খেলতেন রাইট-ব্যাক হিসেবে। রক্ষণে তিনি কতটা ভয়ংকর ছিলেন, তার প্রমাণ মেলে এক অনন্য রেকর্ডে—পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন গোল হজম করেছিল মাত্র দুটি। এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্স, ২০০৬ বিশ্বকাপে ইতালি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে মাত্র দুই গোল হজমের যে রেকর্ড গড়েছিল, রামোসরা তাতে ভাগ বসিয়েছিলেন।

কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপে রামোস কেবল রক্ষণের দেয়াল হয়েই থাকেননি, তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক ‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’। মাঠের পরিসংখ্যান বলছে, সেবার রামোস অবিশ্বাস্যভাবে ৩১টি ড্রিবল সম্পন্ন করেছিলেন। অবাক করার মতো বিষয় হলো, মেসি, ইনিয়েস্তা বা রোবেনের মতো জাদুকরদের ছাপিয়ে সেবার রামোসই ছিলেন তালিকার শীর্ষে!

সেই তালিকায় রামোসের পেছনে ছিলেন লুকাস পোডলস্কি (২৭), আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (২৬)। এমনকি সর্বকালের অন্যতম সেরা লিওনেল মেসি এবং ডেভিড ভিয়া (উভয়েই ২৫) কিংবা ডাচ উইঙ্গার আরিয়েন রোবেনও (২৪) রামোসের সেই ড্রিবলিং ঝড়ের কাছে নতিস্বীকার করেছিলেন। রক্ষণ সামলে একজন ডিফেন্ডার কীভাবে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণ তছনছ করে দিতে পারেন, রামোস ছিলেন তার উদাহরণ।

পরবর্তী বিশ্বকাপগুলোতে ড্রিবলিংয়ের ব্যাটন অবশ্য পুরোপুরে চলে গেছে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের কাছে। ২০১৪ সালে লিওনেল মেসি, ২০১৮ সালে ইডেন হ্যাজার্ড আর ২০২২ বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপে ছিলেন ড্রিবলিংয়ের রাজা। কিন্তু একজন ডিফেন্ডার হয়েও রামোস যা করেছেন—একজন ডিফেন্ডার হিসেবে অসাধারণ কীর্তি।

২০২৬ বিশ্বকাপের এই ক্ষণগণনায় ফিফা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, ফুটবল মানেই অনিশ্চয়তা। আর একজন কট্টর রক্ষনভাগের খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারেন টুর্নামেন্টের সেরা ড্রিবলার।

নেপালে অবতরণের সময় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের বিমানে আগুন

‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’ সার্জিও রামোস

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের চাকায় আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্রুত জরুরি দরজা ব্যবহার করে বিমানে থাকা ২৭৮ জন যাত্রী এবং ১১ জন ক্রু সদস্যের সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) ভোরে ঘটা এই দুর্ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে-৭২৬ ফ্লাইটটি ইস্তাম্বুল থেকে কাঠমান্ডু আসছিল। অবতরণের সময় এর ডান পাশের ল্যান্ডিং গিয়ার বা চাকার অংশে আগুন লাগে এবং ঘন ধূসর ধোঁয়া বের হতে থাকে, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিমানবন্দরে সাময়িক আতঙ্ক তৈরি হলেও দ্রুত ফায়ার ইঞ্জিন ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন কর্মীরা। নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া যাত্রীদের মধ্যে জাতিসংঘের কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিভাগের এসপি রাজকুমার সিলাওয়াল বার্তা সংস্থা এএনআইকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ল্যান্ডিংয়ের সময় আগুন লাগার পরপরই দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

কী কারণে এই আগুন লেগেছে, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বা এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের যোগাযোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়া উস্তুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, বিমানটি ট্যাক্সিওয়ের দিকে যাওয়ার সময় ল্যান্ডিং গিয়ারে ধোঁয়া দেখা যায় এবং এর প্রযুক্তিগত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাইড্রোলিক পাইপের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এই ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি আরও জানান, যাত্রীদের ফেরত নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে অতিরিক্ত একটি ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রিভুবন বিমানবন্দরে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৫ সালেও ইস্তাম্বুল থেকে কাঠমান্ডুগামী একই রুটের টিকে-৭২৬ ফ্লাইটটি (এয়ারবাস এ৩৩০) ২২৪ জন আরোহী নিয়ে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে ঘাসের জমিতে চলে যায়। তখনকার প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইট ক্যাপ্টেন পরিস্থিতি সঠিকভাবে বুঝতে না পারায় বিমানটি রানওয়ের কেন্দ্ররেখা থেকে সরে গিয়েছিল। সেবারও জরুরি দরজা দিয়ে সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং কেউ আহত হননি, তবে ওই ঘটনার জেরে টানা চার দিন বিমানবন্দর বন্ধ রাখতে হয়েছিল। সূত্র: এনডিটিভি

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব ইরানের: হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে

‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’ সার্জিও রামোস

যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের জবাবে তেহরানের পাল্টা প্রস্তাবে অবরুদ্ধ হরমোজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

সোমবার (১১ মে) ভোরে সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, এই প্রস্তাবে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় করার পাশাপাশি সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, লেবাননসহ সব ফ্রন্টে চলমান লড়াইয়ের অবসানও চাইছে ইরান। তবে পাল্টা প্রস্তাব নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এখন পর্যন্ত দেশটির পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ইরানের এই পাল্টা প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে আগেই প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগে রোববার জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে একটি খুবই স্পষ্ট রেড লাইন (চূড়ান্ত সীমারেখা) নির্ধারণ করে দিয়েছে। ‘ফক্স নিউজ সানডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াল্টজ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের (ইরানের) কাছে কখনোই কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং তারা বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করতে পারবে না। সূত্র: সিএনএন

সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

‘আনলাইকলি ড্রিবল ডন’ সার্জিও রামোস

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণের জন্য আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বিএসএফকে দ্রুত জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নতুন সরকার ডাবল ইঞ্জিন মডেলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবে।

তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়াতে বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ কাজে ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার সীমান্তে বিএসএফকে জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা করেছিলেন। এবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফের প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করা হবে।

×