শিরোনাম:

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেনদের দারুণ বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডকে নাগালের মধ্যে রাখল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটাররা পারলেন না নিজেদের কাজ সারতে। ফলে আশা জাগালেও মিলল না জয়। পরাজয়ে শুরু হলো ওয়ানডে সিরিজ।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারায় নিউ জিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে তারা পায় ২৪৭ রানের পুঁজি। জবাবে ২২১ রানের গুটিয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রায় ১৭ মাস পর ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। ব্যাট হাতে ফিফটির দেখা পান সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। তবে তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের পরপর দুই বলে বোল্ড হয়ে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ২ রানের বেশি করতে পারেননি তামিম। আর রানের খাতাই খুলতে পারেননি শান্ত। এ নিয়ে ১৩ ইনিংসে ফিফটি নেই তার।

বাংলাদেশের বিপদ হতে পারত দ্বিতীয় ওভারেই। স্মিথের বলে স্লিপে সাইফ হাসানের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন হেনরি নিকোলস। মাত্র ১ রানে জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন সাইফ।

তৃতীয় উইকেটে লিটন কুমার দাসের সঙ্গে সাইফ গড়েন ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ তখন জয়ের ছবি আঁকতে শুরু করে। তখনই হুট করে উইলিয়াম ও’রোকের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান সাইফ।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ বলে ৫৭ রান করেন সাইফ। ফিফটির সম্ভাবনা জাগান লিটনও। কিন্তু ডিন ফক্সক্রফটের দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান তিনি ৪৬ রান করে। ফলে তার ফিফটির অপেক্ষা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ ইনিংসে।

এরপর হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। শুরুতে মন্থর ব্যাটিংয়ে রানের চাপ কিছুটা বাড়িয়ে ফেলেন দুজন। মাঝে ৯১ বল কোনো বাউন্ডারি পায়নি বাংলাদেশ। তবে দায়িত্ব নিয়ে উইকেটে টিকে থেকে দলকে এগিয়ে নেন হৃদয় ও আফিফ।

দুজন মিলে ৭৭ বলে পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রানের জুটি। এর পরপর জেডেন লেনক্সের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন আফিফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ২৭ রানের ইনিংস।

আফিফের বিদায়ের পর টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ (১৪ বলে ৬)। পরে একই ওভারে ফিরে যান রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। এরপর আর একা পারেননি হৃদয়। ব্যক্তিগত ফিফটিটাই শুধু সান্ত্বনা ছিল তার।

শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ বলে ৫৫ রান করেন হৃদয়।

নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ৪টি উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার। স্মিথের শিকার ৩ উইকেট।

ম্যাচের প্রথমভাগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। মোস্তাফিজুর রহমান শেষ মুহূর্তে ছিটকে গেলে প্রায় ১৭ মাস পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেয়ে প্রথম আঘাত করেন শরিফুল। সপ্তম ওভারে তিনি বোল্ড করেন নিক কেলিকে।

প্রথম ১০ ওভারে ৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। নবম ওভারে তাদের বিপদ বাড়তে পারত। শরিফুলের বলে স্লিপে উইল ইয়াংয়ের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন সাইফ। ফলে ১ রানে বেঁচে যান ইয়াং।

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েন নিকোলস ও ইয়াং। রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে স্লিপে ক্যাচ দেন ৩০ রান করা ইয়াং।

কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিরাজ। পরের ওভারে আবার রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন সেট হয়ে যাওয়া ওপেনার নিকোলস। ৯ চারে তিনি খেলেন ৮৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংস।

এরপর দায়িত্ব নেন ন ফক্সক্রফট। ২০২৩ সালের বাংলাদেশ সফরে একমাত্র ম্যাচ খেলা এই স্পিনিং অলরাউন্ডার এদিন চমৎকার ব্যাটিংয়ে ৫৮ বলে করেন ৫৯ রান। ৩৯তম ওভারে রিশাদের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন তামিম। ফলে ২৭ রানে বেঁচে যান তিনি।

শেষ দিকে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডকে আড়াইশর কাছে নিয়ে যান নাথান স্মিথ। পুরো ইনিংসে কোনো ছক্কা মারতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড।

পূর্ণ ৫০ ওভারের ম্যাচে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে ছক্কা মারতে পারল না তারা। আর মিরপুরের মাঠে পুরো ৫০ ওভার খেলেও কোনো দলের ছক্কা মারতে না পারার ঘটনা এটিই প্রথম।

ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল। সব মিলিয়ে করেন ৪২টি ডট বল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (নিকোলস ৬৮, কেলি ৭, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪, আব্বাস ১৪, ফক্সক্রফট ৫৯, ক্লার্কসন ৮, স্মিথ ২১*, টিকনার ৭, লেনক্স ১*; তাসকিন ১০-০-৫০-২, শরিফুল ১০-২-২৭-২, মিরাজ ১০-১-৫৪-১, নাহিদ ১০-০-৬৫-১, রিশাদ ১০-০-৪৪-২)

বাংলাদেশ: ৪৮.৩ ওভারে ২২১ (সাইফ ৫৭, তামিম ২, শান্ত ০, লিটন ৪৬, হৃদয় ৫৫, আফিফ ২৭, মিরাজ ৬, রিশাদ ৪, শরিফুল ০, তাসকিন ২, নাহিদ ০*; ও’রোক ৯-০-৫১-১, স্মিথ ৯.৩-১-৪৬-৩, টিকনার ১০-০-৪০-৪, ক্লার্কসন ৪-০-২৭-০, লেনক্স ১০-০-৩২-১, ফক্সক্রফট ৬-০-২৫-১০)

ফল: নিউ জিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিরতার কারণে; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত পূরণের জন্য নয়।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ-এর শর্তের সাথে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই। আমি আইএমএফ-এর মিটিংয়ে যাওয়ার আগেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।’

আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকাতে দাম দ্বিগুণ হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে ২৫ শতাংশ। জাতীয় তহবিলের ওপর তীব্র চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা দেশের জনগণের স্বার্থে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাম না বাড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম। কিন্তু বাজেট ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মসূচি সচল রাখতে অত্যন্ত নগণ্য হারে এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণ ও সহযোগিতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো শর্ত মানা হবে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আইএমএফ-এর এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেখানে অনেক শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাই জনগণের ওপর বা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেব না।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তেলের দাম সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্কেটের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে। সরকার তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের ওপর এর প্রভাব সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীরা একমত এবং তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী। বিশেষ করে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। শীঘ্রই বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রতিনিধি বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলেও জানান তিনি।

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় অশোভন অঙ্গভঙ্গি, বিরোধীদলীয় নেতার প্রতিবাদ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যদের বিরুদ্ধে অশোভন অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

এ ছাড়া সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে সিরিয়ালিটি বা পর্যায়ক্রম বজায় রাখার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শফিকুর রহমান ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এর সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা এ বিষয়ে কথা বলেন।

সংসদে অশোভন আচরণের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের সময় ট্রেজারি বেঞ্চের সম্মানিত কিছু সদস্যের অশালীন অঙ্গভঙ্গি আমার বিবেকে আঘাত করেছে। আমি চার-পাঁচবার নির্বাচিত হওয়া সদস্যদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। আমরা প্রথম দিনই বলেছিলাম, এখানে একটি ভালো সংস্কৃতির চর্চা হোক। কিন্তু বারবার বলার পরও এমন আচরণ দুঃখজনক এবং আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

তিনি বলেন, সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে কথা বলার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগের।

বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী স্পিকার সবাইকে সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার এবং কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আলোচনার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, সংসদে ২২০ জন নতুন সদস্য আছেন। তারা তাদের নির্বাচনি এলাকা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু অনেকেই বারবার সুযোগ পেলেও, কেউ কেউ একবারও কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন না। যিনি নোটিশ আগে দেবেন, তারটা যেন সিরিয়াল অনুযায়ী আগে আসে।

দেশে এক যুগের গ্যাস মজুত আছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে দেশের বর্তমান প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত দিয়ে আগামী প্রায় ১২ বছরের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।

মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট মজুত প্রায় ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। এর মধ্যে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ২২.১১ টিসিএফ গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে এবং বর্তমানে অবশিষ্ট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ টিসিএফ।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দৈনিক গড়ে ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকলে বর্তমান মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসবে। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে। পেট্রোবাংলার পরিকল্পনায় মোট ১০০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যার মধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও সংস্কার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি বাপেক্স এবং অন্যান্য সংস্থা ভোলা, জামালপুর ও হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সিসমিক জরিপ জোরদার করেছে, যাতে নতুন জ্বালানি সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়।

×