শিরোনাম:

হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙলেন সেনা, তোপের মুখে ইসরায়েল

হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙলেন সেনা, তোপের মুখে ইসরায়েল

দক্ষিণ লেবাননে হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তিতে হামলা করছেন ইসরায়েলি এক সেনা-এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টানদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, ঘটনাটি তদন্তের জন্য অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা বলছেন, ভেঙে ফেলা মূর্তিটি দক্ষিণ লেবাননে দেবেল গ্রামে অবস্থিত। দেবেল একটি মারোনাইট খ্রিস্টান শহর, যেটি আইন এবেল থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ইসরায়েলি সীমান্তবর্তী এলাকা শতুলা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

যিশুর মূর্তি ভেঙে ফেলার ছবিটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসরায়েলি পার্লামেন্টের ফিলিস্তিনি সদস্য আয়মান ওদেহ। তিনি কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘এখন পুলিশের মুখপাত্র বলবে সেনাটি যিশুর কারণে হুমকি অনুভব করেছিল’।

নেসেটের আরেক ফিলিস্তিনি সদস্য আহমদ তিবি ফেসবুকে লিখেছেন, যারা গাজায় মসজিদ ও গির্জা উড়িয়ে দেয় এবং জেরুজালেমে খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের ওপর থুতু নিক্ষেপ করেও শাস্তি পায় না, তারা যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ধ্বংস করতে এবং তা প্রকাশ করতে ভয় পায় না।

মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের খ্রিস্টানরা ক্রমবর্ধমান ইসরায়েলি হামলার মুখে পড়ছে। যেখানে দৈনন্দিন হয়রানি থেকে শুরু করে ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনাও ঘটছে।

ধর্মযাজকরা জানিয়েছেন, তাদের ওপর থুতু নিক্ষেপ এবং শারীরিক হামলার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পাশাপাশি গির্জা, কবরস্থান এবং অন্যান্য খ্রিস্টান ধর্মীয় প্রতীক ভাঙচুরের শিকার হচ্ছে।

এসব হামলার সঙ্গে প্রায়ই অতি-অর্থডক্স ইহুদি, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে অনেক ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি এসব পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, মিডল ইস্ট আই

পাচারের টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে ব্যবহার করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙলেন সেনা, তোপের মুখে ইসরায়েল

দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে ৯১১ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এমনটা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় যে দুর্নীতি হয়েছে তার মাধ্যমে দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। আমরা এই দুর্নীতিকে রোধ করতে চাই। এটা জনগণের টাকা, জনগণের অর্থ পাচার হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড করব, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, সরকারের আগামী ৫ বছরের পরিকল্পনার মধ্যে অধিকাংশ পরিকল্পনা গ্রামের মানুষকে ঘিরে। দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গ্রামের বাস করে। এই মানুষগুলোকে ঘিরে আমরা বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, আমরা দেশের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম, কৃষক কার্ডের কথা বলেছিলাম, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের কথা বলেছিলাম। ইতোমধ্যে কৃষকদের সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। সারাদেশের ১২ লক্ষ কৃষক এতে সুবিধা পেয়েছে। এ সময়ে তিনি দেশের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

দেশে জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী বিগত সরকার: তথ্যমন্ত্রী

হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙলেন সেনা, তোপের মুখে ইসরায়েল

দেশে বর্তমানে চলমান জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের কার্যক্রম দায়ী বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ (সোমবার, ২০ এপ্রিল) দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বরিশালের আগউলঝারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্যাস থাকলেও বিগত সরকার ক্ষীণ ব্যবসার স্বার্থে গ্যাস উত্তোলনের কোনো কর্মসূচি না নিয়ে জ্বালানি আমদানি নির্ভর একটি রুটিন তৈরি করেছিলো। আজকে দেশে নিজস্ব গ্যাস উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলে হরমুজ প্রণালির এই সমস্যায় পরতে হতো না দেশকে।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্র কাঠামোকে নতুন করে মেরামত করতে চায় বর্তমান সরকার। এই রাষ্ট্র এবং রাজনীতিকে সংস্কার করতে না পারলে চলমান সংকট থেকে মানুষকে উদ্ধার করা যাবে না।’

‎‎‎এসময় তিনি বলেন, ‘জনসেবা দেয়ার জন্যই গণমাধ্যম। তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা যাতে না আসে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে গণমাধ্যমকে।’

‎‎এসময় তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ক্ষমতার জন্যই বিএনপি সচেষ্ট ছিল না। যেহেতু ক্ষমতাকে জনগণের সেবার কাজে লাগাতে চায় সে কারণেই দুর্বল রাষ্ট্রের সেই সম্ভাবনাকে জাতির সামনে আগেই তুলে ধরা হয়েছে। এবং তাকে সংস্কার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বিএনপি সরকার।’

‎‎উল্লেখ্য, বরিশালের ৮টি উপজেলায় ১০ লাখ ৬২ হাজার ৫৪০ জনকে হামের টিকার লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ৮ হাজারের অধিক কেন্দ্রে এই টিকা দেয়া হবে। বরিশাল বিভাগে চলতি বছরে ১ হাজার ৯৯০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১৯ জন শিশু মারা গেছে।‎

এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

হাতুড়ি দিয়ে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙলেন সেনা, তোপের মুখে ইসরায়েল

এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কোনো দুষ্টুচক্র যদি পরীক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

তিনি বলেন, রাজধানীর যানজট বিবেচনায় পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুরোধে সকাল ৮টা থেকেই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবে এবং যানজটজনিত ভোগান্তি কমবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা চলাকালে কোনো কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সমস্যা না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা থাকবে বলেও তিনি জানান।

কোচিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কোচিং মনিটরিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রেগুলেশন নেই এবং কোথায় কোচিং চলছে সে তথ্যও সরকারের কাছে নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও সময়সূচি নির্ধারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা হয়েছে, আর বর্তমান সরকার পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে। এ ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত সতর্ক ও দায়িত্বশীল।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে ১৯৮০ সালের আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দমুখর ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছি। কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কেউ দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করা হবে। ইতোমধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষার রুটিন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলেও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীই সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

×