শিরোনাম:

কোন জেলায় আঘাত হানবে কালবৈশাখী

কোন জেলায় আঘাত হানবে কালবৈশাখী

দেশজুড়ে বাড়ছে কালবৈশাখীর দাপট। ঢাকা, রাজশাহী, রংপুরসহ দেশের পাঁচ বিভাগে থেমে থেমে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের সব বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (২ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারির পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা স্বাক্ষরিত নদীবন্দরের সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অপরদিকে সারাদেশে লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দেশের আট বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে তিনটি বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হতে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থাকায় বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে।

ময়মনসিংহ বিভাগ: সকাল ৯টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলায় হালকা বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এই বিভাগের কৃষকদের আজ সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা বিভাগ: সকাল ৯টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে ঢাকা বিভাগের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকের সকল জেলার ওপর দিয়ে হালকা বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাত অতিক্রমের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। ঢাকা শহরের ওপর দিয়ে বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাত অতিক্রমের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে সকাল ১০টার পর থেকে দুপুর ২টার মধ্যে। ঢাকা বিভাগের কৃষকদের আজ সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ঢাকা বিভাগের দক্ষিণের জেলাগুলোতে দুপুর ১২টার পূর্বে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত কম। দুপুর ১২টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে ঢাকা বিভাগের দক্ষিণ দিকের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে হালকা বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাত অতিক্রমের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

রংপুর বিভাগ: এই পূর্বাভাস লেখার সময় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার ওপর বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা সকাল ১১টা পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ দুপুরের পর থেকে আগামীকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এই বিভাগে বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কৃষকরা সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগের বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী বিভাগের ২/১টি জেলার ওপর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সকাল ৯টার পর থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হালকা বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আজ দুপুর ৩টার পর থেকে আগামীকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এই বিভাগে বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কৃষকরা সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগের বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

সিলেট বিভাগ: সিলেট বিভাগের সকল জেলায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আজ সারাদিন একাধিকবার বজ্রপাতসহ মাঝারি থেকে ভারী মানের বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আজ রাতে আবারও সকল জেলায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। আজ ও আগামীকাল সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে আবারও মাঝারি থেকে ভারী মানের বৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগ: সকাল ৯টার পর থেকে দুপুর ১টার মধ্যে একবার এবং দুপুর ৩টার পর থেকে রাত ৮টার মধ্যে আরেকবার বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায়। আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার ওপর তীব্র বজ্রপাতসহ মাঝারি থেকে ভারী মানের বৃষ্টিপাতের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

খুলনা বিভাগ: আজ দুপুর ১২টার পূর্বে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম। দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে খুলনা বিভাগের উত্তর দিকের জেলাগুলোতে হালকা পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ থেকেই খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে আবহাওয়া ভালো হতে শুরু করবে। আজ কিংবা আগামীকাল থেকে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু করতে পারবেন। আগামীকাল রোববার থেকে জমিতে সার কিংবা কীটনাশক প্রয়োগ করা যাবে।

বরিশাল বিভাগ: বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জেলার ওপর হালকা পরিমাণে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে সকাল ১১টার পর থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে। বরিশাল বিভাগের আবহাওয়া ভালো হওয়ার জন্য ৫ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: দেশব্যাপী চলমান কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত আগামীকাল ৩ মে থেকে কমতে শুরু করবে। আগামীকাল রোববার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে দিনের বেলা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত কম। তবে রোববার অন্য ৫টি বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৪ মে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টি হবে। আগামী ৫ মে শুধু ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর ওপর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

কোন জেলায় আঘাত হানবে কালবৈশাখী

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৩৫ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ২১৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৩২৫ জন।

এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৬ হাজার ৯১১ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৩ হাজার ২২৫ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৪ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৩৯ হাজার ৩২৫ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৫ হাজার ২১৮ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

হঠাৎ রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দিলেন হুঁশিয়ারি

কোন জেলায় আঘাত হানবে কালবৈশাখী

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানায় পূর্বঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক পরিদর্শনে গেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় তিনি থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা বা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর রমনা মডেল থানা পরিদর্শনের সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের তিনি এ নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ভিডিওতে দেখা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশ করেন। সে সময় কক্ষে চার থেকে পাঁচজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। প্রবেশ করেই তিনি উপস্থিতদের পরিচয় ও সেখানে আসার কারণ জানতে চান।

এ সময় তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ ও হাজতখানাসহ সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থানার ওসি, ডিউটি অফিসারসহ কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

প্রায় ১০ থেকে ১১ মিনিট থানায় অবস্থান করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় ওসিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি বা কোনো পার্টির নাম ব্যবহার করে কেউ থানায় সুবিধা নিলে তার দায় আপনার।’

রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাহাত খান বলেন, কোনো সমস্যা আছে কিনা, এসব সমস্যার সমাধানে করণীয় কী, থানায় আগত বিচার প্রার্থী, আটক আসামিদের আরো কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি আমাদের বেশকিছু করণীয় বলে দিয়েছেন।

এ সময় রমনা জোনের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ৮০ শতাংশই নারী

কোন জেলায় আঘাত হানবে কালবৈশাখী

দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এদের ৮০ শতাংশই নারী হবেন এবং তারা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করবেন।

শনিবার (২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট নগর ভবনে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরকেন্দ্রিক কিছু স্বাস্থ্যসেবা থাকলেও তা এখনো গ্রামাঞ্চলে পুরোপুরি পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, ‘মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই যদি স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করা যায়, তাহলে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রেও তারা বেশি উপকৃত হবে।’

তিনি জানান, নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম ও শহরে ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন। খাদ্যাভ্যাস, হৃদরোগ ও কিডনি রোগ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা পরামর্শ দেবেন। তার ভাষায়, ‘আমাদের লক্ষ্য মানুষকে সুস্থ রাখা, আর সে জন্য সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।’

এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, কোন খাবারটি খেলে ডায়াবেটিস হবে না, কোন খাবারটি খেলে কার্ডিয়াক সমস্যা হবে না বা লাইফস্টাইল কী হলে তার হার্টের সমস্যা হবে না, কোন খাবারটি খেলে কিডনির রোগ হবে বা হবে না— এ বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদেরকে সচেতন করবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সারাদেশে মানুষকে যেভাবে সুস্থ রাখা যায় সেটাই সরকারের লক্ষ্য।

তারেক রহমান বলেন, অসুস্থ মানুষের সংখ্যা কমলে চিকিৎসাসেবা দেওয়াও সহজ হবে। পাশাপাশি দেশে বন্ধ হয়ে থাকা কলকারখানা দ্রুত চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক কলকারখানা বন্ধ রয়েছে। সেগুলো দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বেসরকারিকরণের মাধ্যমে আগ্রহীদের সম্পৃক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে সারাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটগুলোকে আরও কার্যকর করে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।

এর আগে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়ে সকাল ১০টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

×