এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ৮০ শতাংশই নারী
দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এদের ৮০ শতাংশই নারী হবেন এবং তারা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করবেন।
শনিবার (২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট নগর ভবনে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরকেন্দ্রিক কিছু স্বাস্থ্যসেবা থাকলেও তা এখনো গ্রামাঞ্চলে পুরোপুরি পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, ‘মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই যদি স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করা যায়, তাহলে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রেও তারা বেশি উপকৃত হবে।’
তিনি জানান, নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম ও শহরে ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন। খাদ্যাভ্যাস, হৃদরোগ ও কিডনি রোগ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা পরামর্শ দেবেন। তার ভাষায়, ‘আমাদের লক্ষ্য মানুষকে সুস্থ রাখা, আর সে জন্য সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।’
এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, কোন খাবারটি খেলে ডায়াবেটিস হবে না, কোন খাবারটি খেলে কার্ডিয়াক সমস্যা হবে না বা লাইফস্টাইল কী হলে তার হার্টের সমস্যা হবে না, কোন খাবারটি খেলে কিডনির রোগ হবে বা হবে না— এ বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদেরকে সচেতন করবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সারাদেশে মানুষকে যেভাবে সুস্থ রাখা যায় সেটাই সরকারের লক্ষ্য।
তারেক রহমান বলেন, অসুস্থ মানুষের সংখ্যা কমলে চিকিৎসাসেবা দেওয়াও সহজ হবে। পাশাপাশি দেশে বন্ধ হয়ে থাকা কলকারখানা দ্রুত চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক কলকারখানা বন্ধ রয়েছে। সেগুলো দ্রুত চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বেসরকারিকরণের মাধ্যমে আগ্রহীদের সম্পৃক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে সারাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটগুলোকে আরও কার্যকর করে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।
এর আগে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়ে সকাল ১০টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিতর্ক ভালো কিন্তু অপপ্রচার-মিথ্যা কখনোই ভালো হতে পারে না: মির্জা ফখরুল

















