শিরোনাম:

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’। তাদের মধ্য থেকেই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে। আজ (শনিবার, ২ মে) বিকেলে সিলেট স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে এ কথা বলেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই, তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো তোমরা প্রত্যেকে একেকজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। বাংলাদেশের দায়িত্ব তোমাদেরকেই নিতে হবে। কারণ তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ।’

সিলেট স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়। এরপর ‘আমরা নতুন, আমরা কুঁড়ি’ থিম সং প্রচার করা হয়।

শিক্ষার্থীদের তুমুল করতালির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বক্তৃতা দিতে ইচ্ছা করছে না। মনে হচ্ছে তোমাদের সঙ্গে কথা বলি।’

তিনি বলেন, ‘এখন পড়তে হবে, আর খেলতে হবে; নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে। যে খেলোয়াড় হতে চায়, সে খেলোয়াড় হবে। একইসঙ্গে যে গান শিখতে চায় সে গান শিখবে, যে মিউজিশিয়ান হতে চায় সে মিউজিশিয়ান হবে। সেই ব্যবস্থা আমরা ইনশাআল্লাহ করবো।’

সিলেটসহ ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের প্রধান অতিথি হিসেবে সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই গ্যালারিতে বসে থাকা ক্ষুদে শিক্ষার্থীসহ সারা দেশের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা, তোমরাই এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট বন্ধুরা, আমাদের সময় প্রায় শেষ। এখন বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে তোমাদের দিকে। আমরা শুরু করে দিয়ে যাবো। বাংলাদেশকে তোমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তোমরা কি পারবে?’

এসময় পুরো গ্যালারিতে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরা উচ্চ কণ্ঠে বলেছে, ‘হ্যাঁ পারবো।’ জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি তোমরা অবশ্যই সবাই পারবে, ইনশাআল্লাহ।’

ছোট্ট শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে তোমরা নেতৃত্ব দেবে, তোমরা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। এই বাংলাদেশে তোমাদের মধ্য থেকে এমপি হবে, মন্ত্রী হবে, প্রধানমন্ত্রী হবে, প্রেসিডেন্ট হবে ইনশাল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তোমাদের প্রত্যেককে গড়ে উঠতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আগামীর বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে তোমাদের ওপরে। তোমরা যত ভালোভাবে সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে, বাংলাদেশ তত সুন্দরভাবে শক্তিশালী ভিত্তির উপরে গড়ে উঠবে।’

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চিন্তা কীভাবে আসলো সেই গল্প তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আইডিয়াটা কেমন করে আসলো সেই গল্পটা আমি বলবো। আজকে থেকে সাড়ে চার বছর আগের কথা হবে, আমিনুল গিয়েছিলো লন্ডনে। একদিন আমরা বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। আমিনুল স্পোর্টসের মানুষ, আমি স্পোর্টস নিয়ে আলাপ শুরু করলাম, স্পোর্টস নিয়ে আমরা কী কী করবো— বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করলাম। আলাপ করতে করতে এক পর্যায়ে আমরা খাবার টেবিলে বসে ঠিক করলাম যে, আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালু করবো বাংলাদেশে।’

বক্তব্য শুরুর আগে স্টেডিয়ামের উন্মুক্ত মাঠে বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা ক্রিকেট, কাবাডি, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আটর্সসহ মোট ৮টি ইভেন্টে অ্যাক্রোব্যাট প্রদর্শন করে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া শৈলী দেখেন এবং করতালির মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করেন।

বক্তব্যের শেষে সিলেটসহ ৬৪ জেলায় একযোগে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ট্রফি ও লোগো উন্মোচন করেন।

এরপরে স্টেডিয়াম মাঠে গিয়ে ৮টি ক্রীড়া ইভেন্টের প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং কুশল বিনিময় করেন। এরপর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করেন। এসময় তার সঙ্গে সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ক্রীড়া পরিদপ্তর। আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভার অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকায় এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভা খুঁজে বের করতে নেয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল আলমও বক্তব্য রাখেন।

এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহিদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, সংসদের হুইপ জি কে গউছ, সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদির লুনা, এম এ মালেক, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কাল থেকে শুরু ডিসি সম্মেলন, আলোচনায় প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’: প্রধানমন্ত্রী

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩ মে)। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব উত্থাপিত হবে।

শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে; গত সম্মেলন ছিল তিন দিনব্যাপী। সম্মেলনের প্রধান প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো, ভূমি ব্যবস্থাপনা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদার করা; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম; স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন; সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্ন্যান্স; শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণ; স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ; পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ; ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

সম্মেলন চলাকালে কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন বলেও জানান তিনি।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, এছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাথে কার্য-অধিবেশন রয়েছে।

তিনি জানান, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন হবে। এর মধ্যে কার্য-অধিবেশন ৩০টি; উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সদয় নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা ৩টি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুক্ত আলোচনা ও বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা ১টি।

অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এসব প্রস্তাবে জনসেবা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, ৩ মে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ, ৪ মে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ এবং ৫ মে সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণের সূচি রয়েছে।

সম্মেলনের প্রত্যাশিত ফলাফলের বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব বলেন, মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে জেলা প্রশাসকরা যে আইনগত, প্রশাসনিক, আর্থিক ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন এবং স্ব স্ব জেলায় বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করেন—এসব বিষয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, সিনিয়র সচিব ও সচিবদের উপস্থিতিতে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর পন্থা নির্ধারণ এবং সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর কৌশল প্রণয়ন করা হবে।

বাংলাদেশকে হারাল নিউ জিল্যান্ড

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’: প্রধানমন্ত্রী

সকালে রোদের দেখা মিললেও হুট করেই আধার নেমে এলো মিরপুরের আকাশে। তা দেখেই নিজেদের পরিকল্পনা বদলে ফেলল নিউ জিল্যান্ড। আগে ব্যাটিংয়ের বদলে ফিল্ডিং নিয়ে বাংলাদেশকে তারা অল্পে আটকে রাখল। পরে সহজেই জিতে নিলো ম্যাচ।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবারের ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারায় নিউ জিল্যান্ড। বৃষ্টিতে ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ১০২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। জবাবে ১১.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে যায় কিউইরা।

অথচ নিজেদের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী টস জিতে আগে ব্যাটিং নিতো নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে হুট করে আকাশ কালো হয়ে গেলে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখে তাৎক্ষণিক বদলে যায় তাদের ভাবনা।

কয়েনভাগ্য পাশে পেয়ে ফিল্ডিং নেন নিক কেলি। পরে বৃষ্টি নামার আগে ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। যেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। অনায়াস জয় পায় কেলির দল।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কিউই অধিনায়ক কেলিও বলেন বৃষ্টির কারণে ম্যাচে প্রভাব পড়ার কথা।

“হ্যাঁ! আমি মনে করি (বৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল)। বৃষ্টি নামার আগে আমরা টস নিয়ে কথা বলছিলাম। তখন সিদ্ধান্ত হয়েছিল, (টস জিতলে) আমরা ব্যাটিং নেব। এরপর আবহাওয়া একটু গুমোট হয়ে গেল। এটি দেখেই আমরা বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিই।”

বৃষ্টিতে ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর আবার ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ। ততক্ষণে কমে যায় ৫ ওভার। বাকি থাকা ৮.২ ওভারের পুরোটা খেলতে পারেনি লিটন কুমার দাসের দল। বিরতির পর ৭.৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মোটে ৫২ রান করতে পারে তারা।

পরে ১৫ ওভারে ১০৩ রানের লক্ষ্যে শুরুতে দ্রুত ৪ উইকেট হারালেও বেভন জ্যাকবসের ঝড়ে অনায়াস জয়ে সিরিজের ট্রফি ভাগাভাগি করে কিউইরা।

সংবাদ সম্মেলনে কেলিও বললেন, বৃষ্টির কারণে বাড়তি সুবিধাই পেয়েছে নিউ জিল্যান্ড।

“এরপর উইকেটের আচরণও যেমন দেখা গেল… আর একটা বিরতির পর নেমে যখন দেখবেন ৫ ওভার কমে গেছে, সবসময়ই কাজটা কঠিন। আপনি যদি আগেই জানতেন ১৫ ওভারের খেলা, তাহলে হয়তো শুরু থেকেই আরও আগ্রাসী খেলবেন। তো এটিই ছিল টসের সিদ্ধান্তের কারণ। আমরা ভাগ্যবান যে টস জিতেছি।”

পাঁচ বছরের দাম্পত্যের ইতি টানছেন অভিনেত্রী ইভিলিন শর্মা

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ‘আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’: প্রধানমন্ত্রী

বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল ইভিলিন শর্মা তার পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্বামী তুষাণ ভিন্ডির সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা নিশ্চিত করেছেন তিনি। প্রতিবেদন এনডিটিভির।

এক বিবৃতিতে এভেলিন বলেন, ‘আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তবে আমাদের সন্তানদের একসঙ্গে বড় করে তোলার ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা চাই এবং বলতে চাই, এটি যতটা সম্ভব সৌহার্দ্যপূর্ণভাবেই হচ্ছে। আমরা আজীবন বন্ধুত্ব ও কো-প্যারেন্টিংয়ের ভিত্তিতে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছি।’

২০২১ সালে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন এভেলিন ও তুশান। বিয়ের এক মাস পর সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে ‘ফরেভার’ লিখে সুখবরটি জানান তিনি। করোনা মহামারির কারণে জাঁকজমকপূর্ণ ভারতীয় বিয়ের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের গ্রামীণ পরিবেশে ছোট পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা।

বিয়ের পর একই বছর নভেম্বরে তাদের ঘরে আসে কন্যাসন্তান অ্যাভা রানিয়া ভিন্দি। এরপর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে জন্ম নেয় তাদের পুত্র আরডেন। এর আগে ২০১৯ সালে সিডনিতে তুশানের সঙ্গে বাগদানের ঘোষণা দেন এভেলিন। সেই পোস্টে ‘ইয়েস’ লিখে সুখবরটি শেয়ার করেছিলেন তিনি।

২০১২ সালে ‘ফ্রম সিডনি উইথ লাভ’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় এভেলিন শর্মার। এরপর তিনি নটাঙ্কি শালা, ইসাক, মে তেরা হিরো এবং ইয়ারিয়ান-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেন। এছাড়া ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি, জাব হ্যারি মেট সেজাল ও কুচ কুচ লোচা হ্যায় সিনেমায় সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি ছিল তার। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ‘সাহু’ সিনেমায়।

×