শিরোনাম:

আমরা হারিনি, পদত্যাগ কেন করব— প্রশ্ন মমতার

আমরা হারিনি, পদত্যাগ কেন করব— প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার (৫ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা হারিনি। আমি পদত্যাগ করবো না। আমার রাজভবনে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

তার দাবি, জোর করে ভোট লুটের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) হারানো হয়েছে। তার মতে, নির্বাচন কমিশন ১০০ আসন লুট করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন কালো ইতিহাস তৈরি করেছে। যাতে সরাসরি যুক্ত ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এ সময় গণনাকেন্দ্রে তৃণমূলকর্মীদের মারধরের অভিযোগ তোলেন তিনি। রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেও জানান এই তৃণমূল নেত্রী।

উল্লেখ্য, সদ্যসমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩টি (একটি আসনে নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে) আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৮০টি আসন।

দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান

আমরা হারিনি, পদত্যাগ কেন করব— প্রশ্ন মমতার

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি। সামরিক ও অসামরিক বাহিনী একসঙ্গে কাজ করলে যেকোনো কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব, এ নির্বাচন তার প্রমাণ।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনের আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য রাখেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আপনাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা জাতিকে একটি চমৎকার নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। আমরা পাশে ছিলাম, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পুরোপুরি আপনাদের ওপরই ছিলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় দেশে আশা-নিরাশার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন, নির্বাচন হবে না। কিন্তু আমরা সেটিকে ভুল প্রমাণ করে দেশ ও জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনেছি। এটি ছোট কোনো অর্জন নয়।’

ডিসিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, ‘যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা দ্রুত পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনকে জানালে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে, দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতেই আপনাদের সহযোগী করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।’

হাম ও উপসর্গে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু

আমরা হারিনি, পদত্যাগ কেন করব— প্রশ্ন মমতার

হাম ও উপসর্গে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ২৫৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়াদের মধ্যে হামে দু’জন এবং বাকি চারজন লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সন্দেহজনক হামের লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।

এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর ৭১ জন রাজশাহী বিভাগে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৫৯ জন হাম আক্রান্ত হয়েছে। এ সময় হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসে ১ হাজার ১৮৬ জন; যাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮৯ জন।

একইসময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ৪১৭ জন ভর্তি হয়েছে ঢাকার হাসপাতালগুলোয়। সবচেয়ে কম ৫ জন ভর্তি হয়েছে রংপুর।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজার ৯৭৯ জন। এদের মধ্যে ৫ ৭২৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট পেশ

আমরা হারিনি, পদত্যাগ কেন করব— প্রশ্ন মমতার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পেশ করা সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি রিপোর্টে স্থান পেয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেই আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ডের’ দুর্নীতির প্রতিবেদন।

২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতি সামনে আসে। প্রতিটি বালিশ কেনায় ৫,৯৫৭ টাকা এবং তা ওপরে তোলার খরচসহ অন্যান্য সামগ্রীতে কোটি টাকার জালিয়াতি হয়।

প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন, সেখানে বালিশ কাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদনও আছে।’

প্রেস সচিব জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনে প্রতিটি বালিশের একরকম অবিশ্বাস্য দাম শুনে সিএজিকে বলেছেন, এই দামি বালিশের একটি জাদুঘরে রাখা উচিত।’

আজ মঙ্গলবার বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে কাছে ২০২১-২২ অর্থ বছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম।

‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির ওই প্রকল্পে আবাসিক ভবনের জন্য ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় পদে পদে দুর্নীতি হয়। সেখানে প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর প্রতিটি বালিশ আবাসিক ভবনের খাটে তোলার মজুরি দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। কভারসহ কমফোর্টারের (লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত) দাম ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। যদিও এর বাজারমূল্য সাড়ে ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। একইভাবে বিদেশি বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ টাকায়। এর বাজারমূল্য অবশ্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

×