শিরোনাম:

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই দেশের বাজার ব্যবস্থা অস্থির হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে, যার চাপ সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) ভোরে রাজধানীর মিরপুর শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জামায়াতের আমির। সকাল ছয়টার দিকে বাজারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন দলটির নেতারা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর পেছনে মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের প্রভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে সিন্ডিকেটের কারণেও কৃত্রিমভাবে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য বাজারকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। জনগণের স্বার্থে সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিরোধী দল এ বিষয়ে সোচ্চার থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাজার পরিদর্শনের সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মো. মাহফুজুর রহমানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা। আজ (মঙ্গলবার, ১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানানো হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্পসহ নানা খাতে সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে, ভবিষ্যতে তা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী পাশাপাশি জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের সমর্থন প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার হেড অব মিশন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব মু. ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে বা সন্দেহভাজন হামজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৬ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৪ জনে। এছাড়া একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ হাজার ৫৬৭ জন।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৮১ জন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ হাজার ৮৭৭ জন। চিকিৎসাধীন রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলেও অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

সীমান্ত হত্যা যদি আরও বাড়ে তাহলে সীমান্তে লংমার্চ দেব: নাসির উদ্দিন

মধ্যস্বত্বভোগী ও চাঁদাবাজদের কারণেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে লংমার্চ কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মোরসালিনের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এই ঘোষণা দেন।

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “সীমান্ত হত্যা যদি আরও বাড়ে এবং সরকার যদি কোনো উদ্যোগ নিতে না পারে, তাহলে আমরা বাংলাদেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দিকে লংমার্চ দেব। দেখি কে আমাদের ঠেকায়।” তিনি অভিযোগ করেন, কসবায় আসার পথে তাকে বিভিন্ন জায়গায় বাধার মুখে পড়তে হয়েছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লোকজনের দিকে এই বাধার ইঙ্গিত দেন তিনি।

মাদক পাচার রোধে তাঁর দলের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনসিপি সরকার গঠন করতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খাল খনন করা হবে। ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদক উৎপাদন ও পাচার বাড়ার কারণে বাংলাদেশের যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে দেশে বিপুল পরিমাণ মাদক প্রবেশের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী আরও বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে থাকার নৈতিক অধিকার হারাবেন। সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এখানে সাংবাদিক খুন হয়েছেন, যা প্রমাণ করে বর্তমানে কেউ নিরাপদ নয়।

কবর জিয়ারত শেষে প্রতিনিধি দলটি নবীর হোসেনের কবরও জিয়ারত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপি-র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য উইং সমন্বয়ক ডা. আশরাফ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সংগঠক মিয়াজ মেহরাব তালুকদারসহ ঢাকা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

×