শিরোনাম:

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে মাত্র ৪ রানে হেরে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। তীরে এসে তরী ডোবার এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানে থামে জুনিয়র টাইগ্রেসদের ইনিংস।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের কাছে হারে তারা। বাংলাদেশকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা।

শুরুর দিকে রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানের মধ্যেই টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটার বিদায় নিলে চরম বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। দুই ওপেনারই শূন্য রানে আউট হন। পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে নেমে ওপেনার সানজানা কাভিন্দির হাফ-সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ রান করে শ্রীলঙ্কা। ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৬৪ রান করেন কাভিন্দি।

এছাড়া মিডল অর্ডার ব্যাটার উমায়াঙ্গনা পেইরিস অপরাজিত ২৮, ভিমোস্কা বালাসুরিয়া ২৩ ও নেথমি উপেক্ষা ২২ রান করেন।বাংলাদেশের ফারজানা ইয়াসমিন, নিশিতা আক্তার নিশি, জান্নাতুল ফেরদৌস ও আফরিন মিম ১টি করে উইকেট নেন।

১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন দুই ওপেনার মাইমুনা নাহার ও অচেনা জান্নাত। দলীয় ২১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৬ রানে বিদায় নেন শিরিনা খাতুন।

এরপর চতুর্থ উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান নিশিতা আক্তার নিশি ও অধিনায়ক সাদিয়া ইসলাম। ২ বাউন্ডারিতে ৩৩ বলে ৩২ রান করে সাজঘরে ফেরেন নিশি।

দলের রান একশ পার করে ও নিজের হাফ-সেঞ্চুরি তুলে থামেন সাদিয়া। ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৩৬ বলে ৫৯ রান করেন তিনি। দলীয় ১০৯ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে সাদিয়া যখন ফেরেন তখন জয়ের জন্য ২৮ বলে ৫০ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের।

কিন্তু পরের দিকের ব্যাটাররা দ্রুত রান তুলতে না পারায় হারতে হয় বাংলাদেশকে। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৪ রান করে জুনিয়র টাইগ্রেসরা। শ্রীলঙ্কার চামোদি হেরাথ ও চামুদি প্রাবোদা ২টি করে উইকেট নেন। ফাইনাল ও টুর্নামেন্ট সেরা হন শ্রীলঙ্কার কাভিন্দি।

এর আগে লিগ পর্বে ৬ ম্যাচ খেলে সমান ৩টি করে জয় ও হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে ফাইনালের টিকিট পায় শ্রীলঙ্কা। এছাড়া ৬ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে থেকে লিগ পর্ব থেকে বিদায় নেয় স্বাগতিক পাকিস্তান।

সূত্র : বাসস

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’২০২৬ পেলেন মাহমুদা চৌধুরী ও মেজবাউর রহমান সুমন

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার গ্রহণ করছেন মাহমুদা চৌধুরী । ছবি : এসএম নাসির

দেশের প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা সিনেমা’র সম্পাদক এবং প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রেসিডেন্টের পরিচালক ফজলুল হক স্মরণে আজ দুপুর ১২টায় চ্যানেল আই-এর স্টুডিওতে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬ প্রদান করা হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ফজলুল হকের পরিবারের সদস্যসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা। এ বছর পুরস্কার পেলেন চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় মাহমুদা চৌধুরী এবং চলচ্চিত্র পরিচালনায় মেজবাউর রহমান সুমন। পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা সহ নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।

চলচ্চিত্র পরিচালনায় পুরস্কার গ্রহণ করছেন মেজবাউর রহমান সুমন তার মায়ের সাথে

দেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্র নির্মাণে চলচ্চিত্র অঙ্গণের কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব ফজলুল হকের সৃষ্টিশীল সংগ্রামী জীবন অনুকরণ, অনুস্মরণীয়  বলে মন্তব্য করেছেন উপস্থিত ব্যক্তিত্বরা।

২০০৪ সালে কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন প্রবর্তিত এই পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র পরিচালনা ও সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। চলচ্চিত্রকার ও সাংবাদিক ফজলুল হকের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রবর্তিত এই পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ফজলুল হক স্মৃতি কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের শুরুতে ফজলুল হককে নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় স্মরণ করা হয় প্রয়াত শিশুসাহিত্যিক আমিরুল ইসলামকেও।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফজলুল হক স্মৃতি কমিটির আহ্বায়ক বলেন, ২০০৪ সাল থেকে এই পুরস্কার একটি সম্মানজনক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। চলচ্চিত্র পরিচালক ও চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের একত্র করা এবং তাদের অবদানকে সম্মান জানানোই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

চিলচ্চিত্র পরিচালক ও সাংবাদিকদের সাথে মাহমুদা চৌধুরী

অনুষ্ঠানে আনন্দ আলো সম্পাদক রেজানুর রহমান প্রস্তাব দেন ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে একটি ক্লাব গঠনের । তার বিশ্বাস এ প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্মিলিত উদ্যোগের সম্ভাবনা উঠে আসবে।

অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম বলেন, নতুন প্রজন্মকে তার কর্ম ও অবদানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই ফজলুল হকের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব। ফজলুল হক নতুন প্রজন্মের জন্য যে পথ তৈরি করে গেছেন, সেই পথ ধরেই তাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও কবি রাজু আলীম, চলচ্চিত্র পরিচালক মতিন রহমান। বক্তারা ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা যেন চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহী নতুনদের পাশে দাঁড়ান এবং তাদের এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করেন।

ফজলুল হকে’র পুত্র ফরিদুর রেজা সাগর সেই ভালোবাসা ও ঐতিহ্য বহন করে চলেছেন বলেও উল্লেখ করে চলচ্চিত্র প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান বলেন, সিনেমার প্রতি ফজলুল হকের যে গভীর ভালোবাসা ছিল: তারা ফজলুল হকের দেখানো সেই পথেই এগিয়ে চলেছেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাহমুদা চৌধুরী বলেন, অনুষ্ঠানে সবার আনন্দ দেখে তিনিও অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। পুরস্কার গ্রহণের এই মুহূর্ত তার কাছে আনন্দের ও ভালো লাগার।

অন্যদিকে, চলচ্চিত্র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, হাওয়া চলচ্চিতের সাফল্যেরপর  তার চলচ্চিত্র ‘রইদ’  ছবিটি নির্মাণের অনুপ্রেরণা এসেছে তার মায়ের গল্প থেকে। আর তিনি আপ্লুত মায়ের সঙ্গে একসাথে এই পুরস্কারটি গ্রহণ করতে পেরে। এর আয়োজকদের তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগে ফজলুল হক বৃত্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। একই বিভাগে ফজলুলকে নিয়ে প্রবন্ধ প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অধিকারী শুভ সেনকে এই অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট এবং অর্থমূল্য দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

ফজলুল হক:

আজ সোমবার ২৬ অক্টোবর ফজলুল হক’র প্রয়াণ দিবস। ফজলুল হক বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ও প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক এবং দেশের প্রথম শিশু চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক ফজলুল হক।

১৯৩০ সালের ২৬ মে বগুড়ায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয়া ফজলুল হক ১৯৯০ সালের ২৬ অক্টোবর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৫০ সালে ফজলুল হক সম্পাদিত ‘সিনেমা’ পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়। বগুড়া থেকে প্রকাশিত হয় পত্রিকাটি। এটিই দেশের চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রথম পত্রিকা। সিনেমা পত্রিকাই দেশের প্রথম চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার দ্বার উন্মোচন করে।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংগঠক ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ফজলুল হক। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে কথিকা লিখতেন। আকাশবাণী কলকাতায় পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নামে নাটক রচনা ও পরিচালনা করেন। আকাশবাণীতে তিনি মণি হক নামে অনেক অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন।

১৯৭২ সালে তিনি বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে ঘড়ির ডায়ালে বাংলায় সময় লেখা ‘বাংলা ঘড়ি’ চালু করেন। ১৯৭৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পায় তার চলচ্চিত্র ‘উত্তরণ’ , যেটি তিনি ১৯৬০ সালে ‘আজান’ নামে চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেছিলেন।
১৯৭৬ সাল থেকে তিনি কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। এখানে বসবাস কালে ‘চিত্রসারথী’ নাম নিয়ে দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এর মধ্যে একটি লোককাহিনি ভিত্তিক চলচ্চিত্র সাতভাই চম্পা একটি।

ফজলুল হক ও রাবেয়া খাতুন দম্পতির জ্যেষ্ঠপুত্র ফরিদুর রেজা সাগর শিশু সাহিত্যিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. ও চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ছোট ছেলে ফরহাদুর রেজা প্রবাল বাংলাদেশ টেলিভিশনের এক সময়ের জনপ্রিয় উপস্থাপক ও বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্থপতি, বড় মেয়ে কেকা ফেরদৌসী বিশিষ্ট রন্ধনবিদ ও ছোট মেয়ে ফারহানা মাহমুদ কাকলী।

সুস্থ্য হয়ে উঠছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিতে হচ্ছে না কেমোথেরাপি

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চললেও আগের থেকে তিনি অনেক ভালো আছেন।

লিটন এরশাদ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ইলিয়াস কাঞ্চনের শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে থার্ডআই অনলাইনকে আজ ২৫ অক্টোবর দুপুরে এই সুসংবাদ জানান।

লিটন এরশাদ বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’  প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে এখন আর কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে না। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহর ইচ্ছায় কাঞ্চন ভাই আগের চেয়ে অনেক অনেক ভালো আছেন।

প্রায় ১০ মাসের চিকিৎসা নিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দিন সাতেক দেশে ছিলেন। ফিরে যাওয়ার পর তার কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা আর লাগছে না।

লিটন এরশাদ আরও বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের ইমিনিউ থেরাপি দেয়ার কথা ছিল। এখন শুধু ঔষধের উপরই চলছে। কথাবার্তায় জড়তা অনেকটা কেটে যাচ্ছে। হাঁটাচলায় তিনি আগের চেয়ে অনেক স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক কালজয়ী অভিনেতা এবং সমাজসেবক। রূপালী পর্দার জনপ্রিয় এই নায়ক দীর্ঘ তিন দশক ধরে ঢালিউড মাতিয়েছেন এবং পরবর্তীতে নিজের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে রূপ দিয়েছেন দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ গড়ে তোলেন্।

থার্ডআই নিউজ পরিবার এই বরেণ্য শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলার কারণে টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর, আজ রোববার ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিতে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অন্তত ১৮ জন নিহত হওয়ার পর এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর আজ থেকে নতুন টার্মিনাল বিন্যাসে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।

এক পোস্টে কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫ অক্টোবর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়। এসব হামলায় বিমানবন্দরটিতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ফ্লাইট চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও যাত্রাসংক্রান্ত নির্দেশনা জানতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দরটি আজ পুনরায় চালু করা হলেও নিরাপত্তা শঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিমানবন্দর খোলার এই দিনটিতেও (রোববার) রিয়াদ লক্ষ্য করে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রিয়াদ বিমানবন্দরকে এখনও তাদের জন্য “সামরিক লক্ষ্যবস্তু” ও “অনিরাপদ” হিসেবে উল্লেখ করে সব আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাকে এটি ব্যবহার না করার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

×