শিরোনাম:

মনিটরিং নেই, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ

মনিটরিং নেই, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ

সরবরাহ ভালো থাকলেও রাজধানীর সবজির বাজারে অস্থিরতা দেখা গেছে। আগের সপ্তাহের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি। একই সঙ্গে বাজারে দামের ওঠানামার মধ্যে ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ ভালো থাকায় ডিমের চাহিদা কমেছে, ফলে খুচরা বাজারে এক ডজন ডিমের দাম কমে এসেছে। তবে ডিমের দামে এই স্বস্তির বিপরীতে মাছ ও মুরগির বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। আগের কয়েক সপ্তাহের মতোই মাছের দাম চড়া রয়েছে, আর মুরগির বাজার রয়েছে স্থিতিশীল অবস্থায়।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং বাজার সংশ্লিষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শীতকালীন সবজি শিম প্রকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি গাজর ৫০ টাকা, মূলা কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সালগম ৮০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা এবং লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১৪০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৬০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১৪০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আগারগাঁও বাজারে বাজার করতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মামুন বলেন, এই শীতে সবজি কিনে স্বস্তি পাওয়ার কথা, কিন্তু কোনো সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার নিচে মিলছে না।

সামনের দিনে এটি আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। বাজারে এখন কোনো মনিটরিং নেই। যদি মনিটরিং থাকতো, এই শীতে সবজি দাম অনেক কম থাকতো। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে।
এসব বাজারে কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ো ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং খিড়া ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বাজারগুলোতে লেবুর হালি ১০ থেকে ৩০ টাকা, দেশি ধনেপাতা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারগুলোতে লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে নতুন আলু ৩০ টাকা, পুরানো আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ পুরাতন কেজিতে ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৮০ টাকা, নতুন পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে দেশি আদা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২২০ টাকা, রসুন দেশি ১৪০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ১৮০-২০০ টাকা এবং দেশি মসুর ডাল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাসখানেক আগেও একই ডিমের দাম ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিমের দাম ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় মিলছে।

ডিম ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতকালে শাকসবজি ও দেশি মাছের সরবরাহ বাড়ায় ডিমের ওপর চাপ কমে যায়। ফলে দামও কিছুটা নামছে। পাইকারি বাজারে প্রতিটি ডিমের দাম বর্তমানে ৮ টাকার নিচে নেমে এসেছে।

রামপুরা বাজারের খুচরা ডিম বিক্রেতা হৃদয় মিয়া বলেন, ডিমের দাম কমলেও বিক্রি খুব একটা বাড়েনি। বাজারে এখন মাছ ও সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় অনেকেই ডিম কম কিনছেন। সে কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে না।

এদিকে মাংসের বাজারে গরু ও খাসির দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস আগের মতোই ৭৫০ থেকে ৯৫০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহ বা মাসের ব্যবধানে এ দাম অপরিবর্তিত থাকলেও, ক্রেতারা বলছেন, অপরিবর্তিত মানে স্থিতিশীল নয়- এখনকার এই দামই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে দামে কোনো বড় পরিবর্তন নেই। আজকের বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। বিক্রেতারা বলছেন, মুরগির সরবরাহ ও চাহিদা-দুটোই প্রায় সমান থাকায় দাম আগের জায়গাতেই স্থির রয়েছে।

লাল লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বনশ্রী এ ব্লক কাঁচাবাজারের বাজারের মুরগি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, শীতের কারণে খামারিরা মুরগি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে চান না। নিয়মিত বাজারে মুরগি আসছে। আবার বড় ধরনের চাহিদাও নেই। তাই দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আগের কয়েক সপ্তাহের মতোই দাম চড়া অবস্থায় রয়েছে। সরবরাহ থাকলেও দামে তেমন কোনো স্বস্তি নেই। এসব বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আল মামুন বলেন, মাছের বাজারে দরদাম করার সুযোগ প্রায় নেই। যে দাম বলা হয়, সেই দামেই কিনতে হয়। ডিমের দাম কমেছে, সেটা ভালো। কিন্তু মাছের দামে কোনো স্বস্তি না থাকায় বাজেট মেলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিমের ক্ষেত্রে সরবরাহ বাড়া ও বিকল্প পণ্যের উপস্থিতি দামে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। তবে মুরগির বাজারে সেই চাপ তৈরি হয়নি। ফলে ডিমে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, মুরগির বাজারে ক্রেতারা এখনো অপেক্ষার মধ্যেই রয়েছেন, দাম কমার আশায়।

মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু

মনিটরিং নেই, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ

মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে ২ জনের মৃত্যু । ছবি ; সংগৃহীত

মিরপুর-২ নম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের লাভ রোড-মন্দির রোড এলাকা টিসিবির পণ্য সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর দেয়াল ধসে পড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি দেয়াল হঠাৎ ধসে পড়লে টিসিবির পণ্য নিতে অপেক্ষমাণ কয়েকজন এর নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, দুপুর ১টা ২৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ দেওয়ালটি ধসে পড়ে। তখন সেখানে টিসিবির পণ্য নিতে লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজন দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে আহত হন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে এক নারীর মৃত্যু হয়। এছাড়া ৬-৭ জন এ ঘটনায় আহত হয়েছেন। নিহত নারী নাছিমা বেগম মিরপুর-২ এলাকার জনতা হাউজিংয়ের বাসিন্দা। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে প্রায় ৪০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পদ্মায় নৌকাডুবিতে বাবা ও ছেলে নিখোঁজ

মনিটরিং নেই, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ঘাসবোঝাই একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নৌকায় থাকা বাবা ও ছেলে নিখোঁজ হয়েছেন। বাকিদের স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। সাঁতার কেটে তীরে উঠে আসেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে রাজশাহী নগরীর বড়কুঠি এলাকার পদ্মায় এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ বাবা ও ছেলেকে উদ্ধারে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছে।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীতে জেগে উঠা চরে খড় কাটতে গিয়েছিলেন তারা। সেখানে কাজ শেষে একটি নৌকায় খড় বোঝাই করে তারা ফিরছিলেন। সেই নৌকায় একজন নারী ও সাতজন পুরুষ ছিলেন। পথে নৌকাটি মাঝ নদীতে এসে হঠাৎ স্রোতে মাঝে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় সাঁতার দিয়ে ছয়জন কিনারায় ওঠেন। তবে কাউসার ও তার ছেলে জিয়ারুল পানিতে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পবা উপজেলার শ্যামপুরের শান্তিনগর এলাকার কাউসার আলী (৬০) ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৪০)। এই ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগমকে (৫৫) উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের উপপরিচালক মনজিল হক বলেন, ‘নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের ছয়জন ডুবুরি আছেন। দুজন দুজন করে তারা পানির নিচে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি নৌকা নিয়েও নদীতে চোখ রাখা হচ্ছে। দুজনকে উদ্ধার করতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের অভিযান চলবে।

নৌকাটি ডুবতে দেখে পদ্মা গার্ডেন এলাকায় নদীর তীরে অপেক্ষমান অন্যান্য নৌকার মাঝি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। তাদের তাৎক্ষণিক সহায়তায় পানিতে হাবুডুবু খেতে থাকা আট যাত্রীর মধ্যে ছয়জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক মঙ্গলবার

মনিটরিং নেই, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সূচি ও তফসিল নির্ধারণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সাথে সাক্ষাৎ করার নিয়ম রয়েছে। সেই প্রথা অনুযায়ী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সেই মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সিইসি ও অন্য কমিশনারেরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।

দেশের সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এ জন্য সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে। এর ভিত্তিতে ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা করবে। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। সেই জায়গায় সংবিধানের আলোকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

×