শিরোনাম:

সারা দেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৯ জনের

সারা দেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৯ জনের

সারা দেশে বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের প্রায় সকলেই মাঠে কাজ করছিলেন। বুধবার (৬ মে) সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে একের পর এক এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নওগাঁয় তিনজনসহ নাটোর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ এবং লালমনিরহাটে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।

নওগাঁ: নওগাঁর মহাদেবপুর ও নিয়ামতপুর উপজেলায় পৃথক পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিন কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই মাঠে ধান কাটার কাজ করছিলেন। নিহতরা হলেন- মহাদেবপুর উপজেলার দিলিপ চন্দ্র বর্মন ও নিয়ামতপুর উপজেলার অনুকূল চন্দ্র মাহন্ত। এছাড়া অন্যজনের পরচিয় পাওয়া যায়নি।

মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক ও নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান দুর্ঘটনার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাটোর: নাটোরের লালপুরে বজ্রপাতে আজিজ মন্ডল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বিকেলে উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের নওগাঁড়া সুলতানপুর চর এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন আজিজ মন্ডল। বজ্রপাতে তার শরীরের বাম পাশের বড় অংশ পুড়ে যায়, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়িয়া গ্রামে বোরো ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুর রশিদ (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত চান্দু মিয়ার ছেলে।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে আকাশে বজ্রসহ বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে। একপর্যায়ে আকস্মিক বজ্রপাতে তার পাশে আঘাত করলে তিনি ছিটকে পড়ে মাঠেই লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দা জুম্মন ভূঁইয়া ঘটনাটি নিশ্চিত করেন।

লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের ভুল্যারহাট বাজার এলাকায় ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ইউসুফ আলী (৪০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি ওই এলাকার আরব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, সকাল থেকে নিজের ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করছিলেন ইউসুফ আলী। দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি মাঠ থেকে ভুট্টা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। কিছুক্ষণ পর পুনরায় ক্ষেতে ফিরে গেলে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. স্বর্ণা আহমেদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বজ্রপাতের আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বজ্রপাতে মো. আব্দুস সামাদ খদগীর (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেলে বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের রাহুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার রাহুলিয়া গ্রামের আব্দুস সামাদ নামের এক কৃষক বজ্রপাতে মারা গেছেন।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার পৌর শহরের বদিজামালপুর গ্রামে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ওবাইদুল ইসলাম নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।

বুধবার দুপুরে নিজ জমিতে ধান কাটার সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। আকস্মিক বজ্রপাতে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওবাইদুল। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাগেশ্বরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জামালপুর : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের নাজিরপুর এলাকায় ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সোহেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার শুকুর মাহমুদের ছেলে। আজ বুধবার সকালে নিজ ক্ষেতে ভুট্টা তুলতে গিয়েছিলেন সোহেল। বিকেলে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে তিনি মাঠেই অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা শুকুর মাহমুদ বলেন, সকালে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ভুট্টা ক্ষেতে গিয়েছিল আমার ছেলে, কিন্তু বাড়িতে ফিরলো লাশ হয়ে।

ঈদের আগেই দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

সারা দেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৯ জনের

মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাসের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস এখন পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত। তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল আজহার আগেই তার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে যান। সেখান থেকে বর্তমানে তিনি চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন।

মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশ ছাড়ালো

সারা দেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৯ জনের

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান আক্রমণের ফলে সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এপ্রিল মাসে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মার্চ মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এতে মাসের ব্যবধানে ভোগ্যপণ্যে ব্যয়ের চাপ বাড়লো। বুধবার (৬ মে) এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

এতে বলা হয়েছে, খাদ্যখাত-বিশেষ করে চাল, ডাল, মাছ, মুরগি, ডিম, দুধ, সবজি, মাংসসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি। এপ্রিল মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। যেখানে গত মার্চে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এছাড়া গত বছরের এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, বিদায়ী এপ্রিলে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেখানে মার্চে এই হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। পাশাপাশি এপ্রিলে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত মার্চে যা ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

এর আগে গত বছরের এপ্রিলে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। পাশাপাশি গত বছরের একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে দাম বাড়ায় সন্তানের পড়ালেখা, বাড়িভাড়া, পরিবহন, পোশাক ও তামাকের খরচ মেটাতে চাপ বাড়বে। কারণ এসব খাতে হাতখরচ বাড়ছে দেশবাসীর।

অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাতকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দাম বৃদ্ধির চাপ আরও বাড়িয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়। এতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। পরিবহন খরচ ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বাজারে পড়ে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

বিবিএসের হিসাবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ বেশি। পরিবহন, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এ খাতে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বেড়েছে। এদিকে, জাতীয় গড় মজুরি হার এপ্রিলে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম। ফলে প্রকৃত আয়ের চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি বাড়ায় সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ বাড়ছে। বাজারে শাকসবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে চালের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আয় বৃদ্ধির তুলনায় ব্যয় দ্রুত বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা জীবনযাত্রার মানে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন পিডিবির

সারা দেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৯ জনের

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বুধবার (৬ মে) বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ পিডিবির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা পিডিবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেখানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কারিগরি কমিটি পিডিবির প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে।

কমিশনের নিয়ম অনুসারে, সব প্রস্তাব মূল্যায়ন করবে কারিগরি কমিটি। এরপর মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ ও সব সংস্থার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের অংশগ্রহণে গণশুনানি করা হবে। শুনানিতে যৌক্তিকতা প্রমাণ করার ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। বিদ্যুৎ খাতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতির সঙ্গে সরকারের প্রতিশ্রুত ভর্তুকি সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর পরিমাণ ঠিক করা হবে।

বিইআরসি সূত্র বলছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। বছরে ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পিডিবি। দেড় টাকা বাড়লে বছরে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেশি আয় করতে পারবে তারা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়লে বছরে বাড়তি আয় হবে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। পাইকারির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়তে পারে দাম।

সরকারি-বেসরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তারা উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে পিডিবি সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেয়। তবে বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে মুনাফা করছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছিল।

×