শিরোনাম:

জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা, বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি নিজেদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। সোমবার (১১ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন সফরকালে যুক্তরাষ্ট্র আর্মি ওয়ার কলেজের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে জাতিসংঘের সঙ্গে দেশের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা গড়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম বৃহৎ অংশগ্রহণকারী দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং অঞ্চলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূত প্রতিনিধিদলকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি শান্তিরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন ও ঐতিহ্য আরও সুসংহত-সম্প্রসারণে মিশনের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী আরও বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে সংলাপ, সমঝোতা ও ঐকমত্যভিত্তিক উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকট নিয়ে তদন্ত হবে: তথ্য উপদেষ্টা

জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

হামের সংক্রমণ ও টিকার সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, হামের কারণে চার শতাধিক শিশু মারা গেছে—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয়। কী কারণে টিকার সংকট তৈরি হয়েছে এবং টিকা প্রদানে কোনো অবহেলা ছিল কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, “দায়সারাভাবে কারও ওপর দায় চাপানো নয়, প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করাই তদন্তের উদ্দেশ্য। অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, হামের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে এবং টিকাদান কর্মসূচির আওতা ও প্রচারণা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জরুরি অবস্থা জারির প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাসপাতালে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই। পাশাপাশি টিসিবির ট্রাক সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

আগামী ১৯ মে ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।

সৌদি পৌঁছেছেন ৫২ হাজার ৩৩৪ হজযাত্রী, মৃত্যু বেড়ে ১৩

জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৩৩৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ১৩৪টি ফ্লাইটে তারা সেখানে পৌঁছান।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সৌদিতে আরও একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ১১ জন ও মদিনায় ২ জন মারা গেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) প্রকাশিত হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালিত ৬৩টি ফ্লাইটে সবচেয়ে বেশি ২৫ হাজার ৭৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এছাড়া সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৪৯টি ফ্লাইটে গেছেন ১৮ হাজার ৪০২ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২২টি ফ্লাইটে পৌঁছেছেন আরও ৮ হাজার ৮৮৯ জন হজযাত্রী।

হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে গেছেন চার হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পৌঁছেছেন ৪৮ হাজার ২৬৩ জন। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। হজ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে ৬৬০টি এজেন্সি। এর মধ্যে ৩০টি প্রধান এজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। বিজি-৩০০১ নম্বর ওই ফ্লাইটে ছিলেন ৪১৯ জন হজযাত্রী। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উল্লেখ্য, এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন। হজ শেষে আগামী ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। শেষ ফিরতি ফ্লাইটটি আগামী ৩০ জুন ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ইরানে ফের ভয়াবহ হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প!

জাতিসংঘে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় দেশটির ওপর আবারও সামরিক হামলা চালানোর ব্যাপারে জোরালোভাবে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১২ মে) সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে হামলার বিষয়ে ট্রাম্পকে অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনে হচ্ছে।

মূলত ইরানের আলোচনার মন্থর গতি এবং দীর্ঘ সময় ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা নিয়ে তিনি চরম ধৈর্যহীন হয়ে পড়েছেন। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানি নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণেই তারা পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।

মার্কিন প্রশাসনের একটি অংশ মনে করছে, নতুন করে হামলা চালালে ইরান আরও দুর্বল হবে এবং তারা গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য হবে। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেকটি পক্ষ এই সংকটে কূটনীতিকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে। এদিকে, যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবের বিপরীতে তেহরানের দেওয়া জবাবে তারা আদৌ শান্তি চায় কি না, তা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, এই সংকটে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা। তাদের সন্দেহ, ট্রাম্পের অসন্তোষের প্রকৃত বার্তা পাকিস্তান তেহরানের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিচ্ছে না, বরং বাস্তবতার সঙ্গে মিল না রেখে সবকিছু ইতিবাচকভাবে তুলে ধরছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এক কর্মকর্তার দাবি, পাকিস্তান ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘কূটনীতির শেষ সুযোগ’ হিসেবে অভিহিত করে ইরানকে সতর্কবার্তা দিলেও তেহরান তাতে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না। সূত্র: সিএনএন

×