শিরোনাম:

ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগ উদযাপনে সহিংসতা, আটক ৪ শতাধিক

ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগ উদযাপনে সহিংসতা, আটক ৪ শতাধিক

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর উল্লাসে আবারও উত্তাল প্যারিস। তবে আনন্দের সেই উৎসব শেষ পর্যন্ত সহিংসতায় গড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার রাতে চারশর বেশি মানুষকে আটক করেছে ফরাসি পুলিশ।

বুদাপেস্টে শনিবার রাতের ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাসের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতে পিএসজি। ম্যাচ শেষের পরপরই প্যারিসজুড়ে শুরু হয় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস।

শিরোপার উদযাপনে হাজারও মানুষ জড়ো হন শহরের বিখ্যাত শঁজেলিজে অ্যাভিনিউ ও আর্ক দ্য ত্রিওঁফের আশপাশে। আতশবাজি, ফ্লেয়ার আর গাড়ির হর্নে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

পুলিশের হিসাবে, শুধু শঁজেলিজেতেই প্রায় ২০ হাজার মানুষ জমায়েত হয়েছিল। তবে উৎসবের মাঝেই বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট কিছু দল ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। একটি পুলিশ স্টেশনে ঢোকার চেষ্টাও করেন কয়েকজন।

প্যারিসের অভিজাত অষ্টম অ্যারোঁদিসমঁ এলাকার ওই পুলিশ স্টেশন ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সহিংসতায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রাত ১০টা পর্যন্ত ৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবু পরিস্থিতি খুব একটা নিয়ন্ত্রণে না আসায় আরও অনেককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে প্যারিসকে ঘিরে থাকা প্রধান রিং রোডও কিছু সময়ের জন্য অবরোধ করে রাখেন সমর্থকদের একটি অংশ। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। একটি বেকারি ও একটি রেস্তোরাঁয় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

পিএসজির পার্ক দে প্রাঁস স্টেডিয়ামের আশপাশেও প্রায় এক হাজার সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। সেখানে সাইকেল দিয়ে তৈরি করা ব্যারিকেড সরিয়ে এলাকা খালি করে পুলিশ।

গত বছর পিএসজি প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর ফ্রান্সজুড়ে পাঁচ শতাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার কারণে এবারও প্যারিসে ছিল কড়া নিরাপত্তা। শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছিল প্রায় ৮ হাজার পুলিশ সদস্য।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগ উদযাপনে সহিংসতা, আটক ৪ শতাধিক

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগ উদযাপনে সহিংসতা, আটক ৪ শতাধিক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগ উদযাপনে সহিংসতা, আটক ৪ শতাধিক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×